বুধবার, এপ্রিল ১৫

অভিমত

সাধারণ শিক্ষার পাশাপাশি নৈতিক শিক্ষা অর্জনের গুরুত্ব
অভিমত, শিক্ষা ও সাহিত্য (প্রবন্ধ, গল্প, কবিতা, জীবনী), সর্বশেষ

সাধারণ শিক্ষার পাশাপাশি নৈতিক শিক্ষা অর্জনের গুরুত্ব

|| ডাঃ আনোয়ার সাদাত ||দুনিয়াবী দক্ষতা এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ লাভের জন্য সাধারণ শিক্ষা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু একজন মানুষের শুধুমাত্র একটি ভালো চাকরি, ভালো একটা পজিশনই সবকিছু নয়। ভালো একজন মানুষ না হতে পারলে পরিবার সমাজ ও রাষ্ট্রের জন্য সে অনেক সময় কল্যাণকর না হয়ে বোঝা হয়ে দাড়ায়। এ জন্য প্রয়োজন সাধারণ শিক্ষার পাশাপাশি নৈতিক শিক্ষা অর্জন, যা মানুষের মধ্যে মূল্যবোধ, দায়িত্ববোধ এবং সমাজের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ তৈরি করে।সাধারণ শিক্ষা যা স্কুল, কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রদান করা হয়। এ শিক্ষাব্যবস্থা বিভিন্ন বিষয়ে জ্ঞান এবং দক্ষতা অর্জনে সহায়তা করে, যেমন- ভাষা, বিজ্ঞান, ইতিহাস, গণিত ইত্যাদি। এ শিক্ষা ব্যক্তির কর্মসংস্থানের জন্য প্রয়োজনীয় জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধি করে। অন্যদিকে, নৈতিক শিক্ষা মানুষের মধ্যে সঠিক-ভুল, ন্যায়-অন্যায়, এবং ভালো-মন্দের ধারণা ও মানবিক গুণাবলী সৃষ্টি করে।মানুষের প্...
মার্কিন শুল্কনীতি, তেল ক্রয় রাজনীতি বাকযুক্ত এবং ভূ-রাজনীতি
অভিমত, আন্তর্জাতিক, সর্বশেষ

মার্কিন শুল্কনীতি, তেল ক্রয় রাজনীতি বাকযুক্ত এবং ভূ-রাজনীতি

|| বাপি সাহা ||ভূ-রাজনীতি প্রতিনিয়ত পরিবর্তন হচ্ছে। মেরুকরণ হচ্ছে দিন বদলের মত। অর্থনীতির ক্রমবর্ধমান উন্নয়নের সাথে সাথে পেশী শক্তির হাত থেকে মুক্তি পাবার লক্ষ্যে ছোট ছোট রাষ্ট্রগুলি প্রাণপণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তার অর্থনৈতিক শক্তিকে মজবুত করার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে এবং নিজের শক্তির পরিচয় উপস্থাপন করার জন্য কোন পক্ষ অবলম্বন করে অন্যদেশে হঠাৎ আক্রমণ করে নিজে আবার শন্তিচুক্তি বা সমাঝোতা খোঁজার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের উপর হামলার সমালোচনা হয়েছে বিশ্বব্যাপী। ফিলিস্তিনের গাজায় যে নারকীয় কর্মকাণ্ড চলছে তার প্রতিবাদ বিশ্বব্যাপী। ক্ষুধার্ত মানুষের উপর হামলা কতটুকু যুক্তিসম্মত তা বিশ্ব বিবেকের প্রতিবাদ সেটা বলে দিয়েছে।মার্কিন প্রেসিডেন্ট রাজনীতির থেকে ব্যবসা ভালো বোঝেন সেটা বোঝা যাচ্ছে তার শুল্কনীতিমালা বিশ্লেষণ করলে। বিভিন্ন দেশের উপর শুল্...
বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন, সংস্কার ও নির্বাচন
অভিমত, সর্বশেষ, সারাদেশ

বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন, সংস্কার ও নির্বাচন

|| ডাঃ আনোয়ার সাদাত ||২০২৪ সালের জুলাইয়ে দেশ থেকে বৈষম্য দূর করা, সকল ক্ষেত্রে সংস্কার, অনিয়ম দূর করার দাবিতে এদেশের ছাত্র-তরুণ-জনতা রাজপথে নেমে এসেছিল। নিজের জীবন দিয়ে দামাল ছেলেমেয়েরা কারও ভাই, কারো বোন, কারও বাবা, কারও সন্তান রাস্তায় নেমে এসেছিল দেশের জন্য। যা গণ-অভ্যুত্থানে রুপ নেয়। এই গণ-অভ্যুত্থান ছিল দীর্ঘদিনের জুলুম, নির্যাতন, দুঃশাসন, দুর্নীতি, অনিয়ম, লুটপাট, গুম, খুন, অপহরণ, ভোটাধিকার হরণসহ সব ধরনের অনিয়মের বিরুদ্ধে তরুণ প্রজন্ম, ছাত্র ও জনতার ক্ষোভের বিস্ফোরণ। বৈষম্য ও ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থা বিলোপ করে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা, জনগণের ক্ষমতায়ন এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতাকে সুনিশ্চিত করাই ছিল এর মূল লক্ষ্য।জুলাই, ২৪ সাম্যভিত্তিক, বৈষম্য ও দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন দেখিয়েছে। হাজার হাজার শহীদের আত্মত্যাগ ও হাজার হাজার ছাত্র জনতা পঙ্গুত্ববরণ করে সংস্কার ও পরিবর্তনের যে সুযোগ...
দ্বীন প্রতিষ্ঠায় ঐক্যের গুরুত্ব
অভিমত, ধর্ম ও দর্শন, সর্বশেষ

দ্বীন প্রতিষ্ঠায় ঐক্যের গুরুত্ব

|| ডাঃ আনোয়ার সাদাত ||মুসলিম জাতির অধঃপতন, বিপর্যয় এবং দ্বীন প্রতিষ্ঠিত না হওয়ার অন্যতম প্রধান কারণ অনৈক্য, পরস্পর দলাদলি ও বিভক্তি। এ সম্পর্কে আল্লাহ রাব্বুল আলামীন বলেন, "আর তাদের মতো হয়ো না যারা বিভক্ত হয়েছিল আর মতভেদ করেছিল তাদের কাছে সুস্পষ্ট নির্দেশাবলী আসার পরেও। আর এদেরই জন্য আছে কঠোর শাস্তি (৩: ১০৫)।"আল্লাহতো ভালোবাসেন তাদেরকে যারা তার পথে এভাবে সারিবদ্ধভাবে সংগ্রাম করে যেন তারা সীসাঢালা প্রাচীর"। সূরা সাফ-৪বস্তুতঃ ঐক্য ফরজ, বিভক্তি হারাম।আল্লাহ বলেন, আল্লাহর দ্বীন কায়েম করো এবং এ ব্যাপারে পরস্পর বিচ্ছিন্ন হয়োনা। সূরা আশশুরা -১৩।আয়াতে ‘কায়েম কর’ অনুজ্ঞা, আর ‘বিভক্ত হয়ো না’ নিষেধাজ্ঞা। আর কুরআনের অনুজ্ঞা দ্বারা ফরজ, নিষেধাজ্ঞা দ্বারা হারাম সাব্যস্ত হয়- এই সূত্রানুসারে ঐক্যবদ্ধভাবে দ্বীন প্রতিষ্ঠার আন্দোলন ফরজ, আর বিভক্ত হওয়া- বিচ্ছিন্ন হওয়া হারাম।এ আয়াতের...
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের আকাঙ্খা ও রাজনৈতিক দলগুলোর ভূমিকা
অভিমত, সর্বশেষ

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের আকাঙ্খা ও রাজনৈতিক দলগুলোর ভূমিকা

|| ডাঃ আনোয়ার সাদাত ||জুলাই গণ-অভ্যুত্থান ছিল দীর্ঘদিনের জুলুম, নির্যাতন, দুঃশাসন, দুর্নীতি, অনিয়ম, লুটপাট, গুম, খুন, অপহরণ, ভোটাধিকার হরণসহ সব ধরনের অনিয়মের বিরুদ্ধে তরুণ প্রজন্ম, ছাত্র ও জনতার ক্ষোভের বিস্ফোরণ। বৈষম্য ও ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থা বিলোপ করে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা, জনগণের ক্ষমতায়ন এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতাকে সুনিশ্চিত করাই ছিল এর মূল লক্ষ্য।একটি বৈষম্যহীন, দূর্নীতিমুক্ত ও সুখী-সমৃদ্ধ ইনসাফপূর্ণ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে ফ্যাসিবাদের মূলোৎপাটন করে জুলাইয়ের চেতনার পরিপূর্ণ বাস্তবায়ন করার বিকল্প নেই। এ ক্ষেত্রে সকল ক্ষেত্রে সংস্কার করে তা বাস্তবায়ন করতে পারলেই গণ-অভ্যুত্থানের আশা-আকাঙ্ক্ষা প্রতিফলিত হবে বলে সবাই আশা করে। প্রকৃত পক্ষে, একটি ন্যায় ও সাম্যভিত্তিক নতুন বাংলাদেশ জনগণের প্রত্যাশা। ’জুলাই, ২৪ সাম্যভিত্তিক, বৈষম্য ও দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন দেখিয়েছে। হাজার হাজার শহ...
মার্কিন শুল্কনীতি ও আমাদের প্রাপ্তি
অভিমত, বাণিজ্য ও অর্থনীতি, সর্বশেষ

মার্কিন শুল্কনীতি ও আমাদের প্রাপ্তি

|| বাপি সাহা ||বাংলাদেশের তিনটি শ্রেণির কথা না বললে চলে না। এই দেশের অর্থনীতি যাদের উপর নির্ভর করে এগিয়ে চলেছে তারা হচ্ছে আমাদের দেশের কৃষক শ্রেণি। যারা মাঠে ফসল উৎপাদন করে আমাদের জীবন ব্যবস্থাকে টিকিয়ে রেখেছে, তারা হচ্ছে আমাদের কৃষক সম্প্রদায়; কিন্তু সবচেয়ে অবহেলিত ও বঞ্চনার স্বীকার হচ্ছে সমাজের প্রতিটি পদে পদে। ফসল উৎপাদন করেও সঠিক মূল্য না পাওয়ার কারণে আত্মহত্যার পথ বেছে নেয়, যা আমাদের জন্য বেদনাদায়ক। সারের জন্য আমার দেশের কৃষকের প্রাণ দিতে হয়েছে। উৎপাদিত পণ্য বিক্রি করতে না পেরে রাস্তায় ফেলে দিতে হয়েছে। কিন্তু কোনো সহানুভূতি সে ঘরে তুলতে পারেনি। কিছু লেখালেখি হয়েছে পত্রিকায় এর বেশি আর কি হয়েছে ? কৃষক যদি না বাঁচে সে কি বাঁচবে?আমাদের দেশের একটি শ্রেণি অনেক কষ্ট করে বিদেশের মাটিতে তাদের শ্রম বিক্রি করে আমাদের উন্নয়নে অর্থ পাঠাচ্ছেন, তারা হচ্ছেন রেমিটেন্স যোদ্ধা। নিজের যে টুকু ছিল...
ঘুষ : সমাজে বৈষম্য, দুর্নীতি ও জুলুমের বড় হাতিয়ার
অভিমত, ধর্ম ও দর্শন, সর্বশেষ

ঘুষ : সমাজে বৈষম্য, দুর্নীতি ও জুলুমের বড় হাতিয়ার

|| ডাঃ আনোয়ার সাদাত ||খবরে প্রকাশ জুলাই অভ্যুত্থানের পরে ঘুষের রেট পাঁচগুণ বেড়ে গেছে। অথচ ঘুষ বৈষম্য ও দুর্নীতি সৃষ্টির বড় হাতিয়ার। ঘুষ সমাজের নৈতিক অবক্ষয় ঘটায় এবং সমাজে অপরাধ প্রবণতা বৃদ্ধি পায়। ন্যায়বিচারের পথে বাধা সৃষ্টি করে। ঘুষ দেওয়া বা নেওয়া দুটোই বেআইনি এবং এটি বড় ধরনের একটি দুর্নীতি হিসেবে গণ্য।ঘুষ হলো দুর্নীতি ও অনৈতিকতার একটি রূপ, যা সমাজের জন্য ক্ষতিকর। ঘুষের প্রতি নিন্দা এবং তা আদান-প্রদানকারীর ওপর রাসুল (সা:) অভিসম্পাত করেছেন। হাদীসে এসেছে- হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আমর (রা:) বর্ণনা করেন, রাসুল (স:) ঘুষদাতা এবং গ্রহীতার উপর অভিসম্পাত করেছেন। (মুসনাদে আহমদ)।রাসুল (সা:) আরো বলেন, ঘুষ আদান-প্রদানকারী উভয়ে জাহান্নামে যাবে। (তাবরানি)।ঘুষ-দুর্নীতি বাংলাদেশের অন্যতম সমস্যা। ইহা আমাদের জাতীয় উন্নয়ন, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধির পথে প্রধান অন্তরায় এবং মানুষকে শোষণের হাতিয়ার। যে কোনো...
রাজনীতির লক্ষ্য-উদ্দেশ্য ও আজকের বাস্তবতা
অভিমত, রাজনীতি, সর্বশেষ

রাজনীতির লক্ষ্য-উদ্দেশ্য ও আজকের বাস্তবতা

|| ডাঃ আনোয়ার সাদাত ||আমরা যদি ইতিহাস পর্যালোচনা করি দেখতে পাবো, আগের দিনে মানুষ রাজনীতি করতো একটি দায়িত্ব বোধ থেকে, একটি মহৎ উদ্দেশ্যে, যেখানে জনগণের সেবা এবং দেশপ্রেম ছিল তাদের প্রধান লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য। তখনকার রাজনীতিবিদরা নিজেকে দেশের কল্যাণে উৎসর্গ করতেন এবং তাদের জীবনে কোনো ব্যক্তিগত লাভের আশা ছিল না। তারা নিজেদের সহায় সম্পদ জনগণের কল্যাণে উৎসর্গ করে দিতেন। তাদের উদ্দেশ্য ছিল জনগণের সেবা, দেশের উন্নয়ন এবং রাষ্ট্রের শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখা। কিন্তু সময়ের সাথে সাথে রাজনীতির ধরন ও লক্ষ্য-উদ্দেশ্য অনেক ক্ষেত্রে পরিবর্তন হয়েছে।আজকাল অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায়, রাজনীতির সাথে অনেক নেতাই ব্যবসা বা অন্য পেশায় যুক্ত আছেন। তারা ভোটের রাজনীতির পাশাপাশি ব্যক্তিগত আর্থিক লাভের উদ্দেশ্য নিয়ে কেউ কেউ রাজনীতি করছেন, যা অনেক ক্ষেত্রে রাজনীতির মহান লক্ষ্য-উদ্দেশ্যকে কলুষিত করছে। এমনকি একাজ করতে যেয়ে...
ফেক নিউজ সম্পর্কে আমাদের সচেতন থাকতে হবে
অভিমত, বিশেষ সংবাদ, সর্বশেষ

ফেক নিউজ সম্পর্কে আমাদের সচেতন থাকতে হবে

|| ডাঃ আনোয়ার সাদাত ||ফেক নিউজ হচ্ছে ভুল তথ্য , বিভ্রান্তিকর তথ্য, ভুয়া খবর, ভুয়া ভিডিও ইত্যাদি । সংবাদমাধ্যমে এসব ‘হলুদ সাংবাদিকতা’ কিংবা ‘গণবিরোধী সাংবাদিকতা’ নামেও পরিচিত। সেই ধারাবাহিকতারই নতুন সংযোজন ‘ফেক নিউজ’।ফেক নিউজ এমন এক ধরনের হুমকি বা জঘন্য বিষয়, যার বিরুদ্ধে শুধু সংবাদমাধ্যমের একার পক্ষে লড়াই করা সম্ভব নয়। এটাকে প্রতিরোধ করার জন্য দরকার সম্মিলিত ও সমন্বিত প্রচেষ্টা ও জন সচেতনতা। ফেক নিউজের উপাদানগুলি হয় সম্পূর্ণ মিথ্যা অথবা আংশিকভাবে সত্যকে বিকৃত করে উপস্থাপন করা হয়। ফেক নিউজ সাধারণত একটি নির্দিষ্ট উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য তৈরি ও প্রচার করা হয়। যেমন- কারো সম্মানহানি করা, রাজনৈতিক ফায়দা হাসিল করা বা অনলাইনে অর্থ উপার্জন করা। এটা বিশ্বাসযোগ্য ওয়েবসাইটের মত করে তৈরি করা হয়, যা সাধারণ মানুষের কাছে আসল সংবাদ হিসেবে গ্রহণ যোগ্য হওয়ার সম্ভবনা থাকে।ফেক নিউজের কারণে সমা...
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় সচল রাখতে কর্তৃপক্ষের করণীয়: কিছু প্রস্তাবনা
অভিমত, শিক্ষাঙ্গন, সর্বশেষ

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় সচল রাখতে কর্তৃপক্ষের করণীয়: কিছু প্রস্তাবনা

|| প্রফেসর ড. আ ব ম সাইফুল ইসলাম সিদ্দিকী | ইবি ||ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ইতিহাস খুব সুখকর নয়। প্রতিষ্ঠার পরও গত ৪৬ বছরে বিশ্ববিদ্যালয়টি আপন সত্ত্বায় ফিরতে পারেনি। বর্তমানে এটি একটি সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয়ের নামান্তর মাত্র।প্রস্তাবনা সিদ্ধান্ত ছাড়াই যেখানে এদেশে পাঁচ দশটি বিশ্ববিদ্যালয় একনেকের একটি বৈঠকে পাস হয়। আর সেখানে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য আন্দোলন করতে হয় এদেশের মানুষকে সুদীর্ঘ ৫৬ টি বছর।১৯১৫ সালে জয়পুরহাটে এক ইসলামী মহা সম্মেলনে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য মাওলানা আকরাম খাঁ ও মাওলানা মনিরুজ্জামান ইসলামাবাদীসহ একটি কমিটি গঠিত হয়। আর এর বাস্তবায়ন হয় শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আমলে। ১৯৭৯ সালে কুষ্টিয়ার শান্তিরডাঙ্গা দুলালপুরে পৌনে দু'শ একর ভূমির উপরে বর্তমান অবস্থানে প্রতিষ্ঠিত হয়।স্বভাবতই বিশ্ববিদ্যালয় নতুন হওয়ায় এর ...