সোমবার, এপ্রিল ১৩

অভিমত

চরম বৈষম্য নিরসনে ইবতেদায়ীসহ উপজেলায় সকল স্তরের মাদ্রাসা সরকারিকরণ সময়ের দাবি
অভিমত, শিক্ষাঙ্গন, সর্বশেষ

চরম বৈষম্য নিরসনে ইবতেদায়ীসহ উপজেলায় সকল স্তরের মাদ্রাসা সরকারিকরণ সময়ের দাবি

|| প্রফেসর ড. আ ব ম সাইফুল ইসলাম সিদ্দিকী ||নারী শিক্ষা অগ্রায়নে প্রতিটি উপজেলা সদরে একটি করে মহিলা কলেজ সরকারিকরণের পরিকল্পনা নারী শিক্ষা ক্ষেত্রে সরকারের এক ইতিবাচক ভূমিকা জন্য সরকারকে ধন্যবাদ।বাংলাদেশের ৯০% জনসংখ্যা মুসলিম। কিন্তু তাদের ইসলামের শিক্ষার প্রতিষ্ঠান মাদ্রাসাগুলো আজও অবহেলিত। সরকার পরিবর্তন হয় কিন্তু মাদ্রাসাগুলো সরকারি হয় না। মাদ্রাসার সাথে প্রতিটি সরকারের বিমাতাসূলভ আচরণ এদেশের মুসলিম সমাজকে করেছে আশাহত।দেশে শুধু ঢাকা আলিয়া সিলেট আলিয়া এবং বগুড়া আলিয়া এই তিনটি মাদ্রাসা ব্যতীত ইবতেদায়ী দাখিল আলিম ফাজিল কামিল এই পাঁচটি স্তরের আর দ্বিতীয় কোনো মাদ্রাসা সরকারিকরণের ইতিহাস গত দুশো বছরে নেই। অথচ প্রতিটি উপজেলা পর্যায়ে মাধ্যমিক উচ্চমাধ্যমিক এবং ডিগ্রী স্নাতক উত্তর স্তরে ৫ ঊর্ধ্ব সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে।দেশের সকল স্তরের সাধারণ শিক্ষা সরকারি প্রতিষ...
ভিসি নিয়োগে সার্চ কমিটি: ইউজিসির চেয়ারম্যানের নেতৃত্ব পুনঃ গঠিত হোক
অভিমত, শিক্ষাঙ্গন, সর্বশেষ

ভিসি নিয়োগে সার্চ কমিটি: ইউজিসির চেয়ারম্যানের নেতৃত্ব পুনঃ গঠিত হোক

|| প্রফেসর ড. আ ব ম সাইফুল ইসলাম সিদ্দিকী ||সরকার পরিবর্তনের সাথে সাথেই কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিসি নিয়োগ হয়েছে কোনো সার্চ কমিটি ছাড়াই। এটি নিয়ে কমবেশি কিছু আলোচনা সমালোচনা পর্যালোচনা হয়েছে বটে।বাকি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর জন্য ভিসি নিয়োগে সার্চ কমিটি গঠন করার জন্য সরকারকে ধন্যবাদ। বিষয়টি উচ্চশিক্ষা ক্ষেত্রে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে দেশের প্রাজ্ঞজনরা মনে করেন।তবে সার্চকমিটি গঠন নিয়ে উচ্চ শিক্ষিত মহল হতভম্ব হয়েছে। কারণ দেশের সরকারি বেসরকারি মিলে দেড় শতাধিক বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে। এসব বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত মোট শিক্ষকের এক চতুর্থাংশেরও বেশি প্রফেসর। আবার প্রফেসরদের এক চতুর্থাংশের বেশি হলো গ্রেড-১ প্রফেসর। যাদের সংখ্যা দেড় সহস্রাধিকের কম নয়।অবসরপ্রাপ্ত প্রফেসর গ্রেড-১ অবসরপ্রাপ্ত ভাইস চ্যান্সেলর মিলে এ সংখ্যাও শতাধিক হবে নিশ্চিত।উচ্চশিক্ষা ক্ষেত্রে ইউজিসির চেয়...
অনলাইন ক্লাসের অভিজ্ঞতা ও বিকল্প প্রস্তাবনা
অভিমত, শিক্ষাঙ্গন, সর্বশেষ

অনলাইন ক্লাসের অভিজ্ঞতা ও বিকল্প প্রস্তাবনা

|| প্রফেসর ড. আ ব ম সাইফুল ইসলাম সিদ্দিকী ||অনলাইন ক্লাস সম্পর্কে আমরা মোটামুটি বিশেষ ধারণা পাই করোনাকালীন সময়ে। এর আগে এ সম্পর্কে কারো সেরকম পরিচয় ছিল না। আলোচনা পর্যালোচনাও ছিল না।এ ঘটনার পর থেকে সরকার এ বিষয়ে একটি দিক নিদর্শনা প্রদান করে, সে নির্দেশনা অনুযায়ী বিদ্যালয়গুলোতে অনলাইন ক্লাস শুরু হয়।বর্তমান সরকার ইরান-ইজরাইল যুদ্ধের কারণে তেল সংকট কিছুটা কাটিয়ে উঠতে বিভিন্ন বিষয়ে কৃচ্ছতা সাধনের পদক্ষেপ গ্রহণ করছে।এর মধ্যে একটি হল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে ২-৩ দিন অনলাইনে ক্লাস গ্রহণ।এ নেতিবাচক দিক নিয়ে জনগণের অনেকেই সরব। তবে এবার ইতিবাচকের চাইতে নেতিবাচকের পাল্লা বেশি ভারী।কারণ, অন্তত অভিভাবকদের এ বিষয়ে যথেষ্ট নলেজ হয়েছে যে, তাদের সন্তানরা অনলাইন ক্লাস করে কতটুকু বিদ্যা অর্জন করেছে?অনলাইনের নামে প্রতিটি শিক্ষার্থীকে একটি করে অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল হাতে দিতে...
প্রাথমিক শিক্ষার মান উন্নয়ন ও শিক্ষার্থীর সংখ্যা বৃদ্ধিতে কিছু প্রস্তাবনা
অভিমত, শিক্ষাঙ্গন, সর্বশেষ

প্রাথমিক শিক্ষার মান উন্নয়ন ও শিক্ষার্থীর সংখ্যা বৃদ্ধিতে কিছু প্রস্তাবনা

|| মো. আব্দুর রহিম ||প্রাথমিক শিক্ষা হলো শিক্ষার মূল ভিত্তি। একজন আদর্শ, দক্ষ, যোগ্য ও সৎ নাগরিক তৈরির ক্ষেত্রে এর ভূমিকা অপরিসীম। তাই এই স্তরের শিক্ষার মান যত উন্নত হবে তখন দেশের সকল স্তরের শিক্ষার উপর তার প্রভাব ফেলবে। গুণগত শিক্ষা নিশ্চিত কল্পে দরকার মানসম্মত শিক্ষা। আর মান সম্মত শিক্ষা পেতে দরকার মান সম্মত দরদী শিক্ষক। আর মান সম্মত শিক্ষক পেতে দরকার মান সম্মত বেতন -ভাতা ও সুযোগ সুবিধা। একজন শিশুর নৈতিকতার ভিত্তি হলো প্রাথমিক ও পারিবারিক শিক্ষা। এই স্তরে শিশুরা যত ভালো শিক্ষা পাবে সেটা তাদের ভবিষ্যত জীবন গঠনে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। আমরা উন্নত রাষ্ট্রে তাই দেখতে পাচ্ছি। এই প্রাথমিক শিক্ষা নিয়ে রাষ্ট্রের অনেক মাথা ব্যথা। এটা ভালো কিন্তু ঔষধ খুঁজে পাচ্ছে না।প্রাথমিক শিক্ষার মান খারাপ বিধায় জনগণ প্রাইভেট প্রতিষ্ঠানকে বেছে নিচ্ছে। এমনি এই স্তরের শিক্ষকগণ তাদের নিজ সন্তানকে ভর্তি করান না।...
মুসলমানরা (যারা প্রকৃত দ্বীন চর্চা করেন) নেতৃত্ব থেকে কেন বঞ্চিত!
অভিমত, ধর্ম ও দর্শন, সর্বশেষ

মুসলমানরা (যারা প্রকৃত দ্বীন চর্চা করেন) নেতৃত্ব থেকে কেন বঞ্চিত!

|| ডা. আনোয়ার সাদাত ||রাসুলে করিম (স.) দীর্ঘ সংগ্রাম ও প্রচেষ্টার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন ইসলামি রাষ্ট্র ও সমাজ ব্যবস্হা। যা ছিল ইতিহাসের স্বর্ণযুগ। তিনি তার নেতৃত্ব দিয়েছেন। খুলাফায়ে রাশেদার আমলেও মুসলমানদের নেতৃত্বের ধারা অব্যহত থাকে।মূলত মুসলিম উম্মাহর নেতৃত্ব গড়ে ওঠে কুরআন ও সুন্নাহর ওপর ভিত্তি করে। সে নেতৃত্বের বৈশিষ্ট্য ছিল, মুসলমানরা যেমন রাষ্ট্র শাসন করবে, তেমনি দ্বীনি ইলমেরও শিক্ষা দিবে।খুলাফায়ে রাশেদার পর এই নীতিকে তেমন আর অনুসরণ করা হয়নি। ফলে মুসলিম উম্মাহর নেতৃত্ব দেওয়ার মানদণ্ড আর বজায় থাকলো না। ফলে মুসলমানরা ধীরে ধীরে নেতৃত্ব ও কর্তৃত্ব হারাতে থাকলো।মুসলমানদের জন্য যে নেতৃত্ব হবে, তা হবে আল্লাহর কুরআন ও রাসুলের সুন্নাহর ওপর ভিত্তি করে। কিন্তু মুসলমানরা যখন কুরআন ও সুন্নাহ থেকে দূরে সরে গেল, তখনই তারা নেতৃত্ব ও কর্তৃত্ব হারানো শুরু করলো।বর্তমানে অধিকাংশ ...
সকল ইবতেদায়ী ও প্রতি উপজেলায় অন্তত একটি করে দাখিল আলিম ফাজিল কামিল মাদ্রাসা জাতীয়করণ সময়ের দাবি
অভিমত, শিক্ষাঙ্গন, সর্বশেষ

সকল ইবতেদায়ী ও প্রতি উপজেলায় অন্তত একটি করে দাখিল আলিম ফাজিল কামিল মাদ্রাসা জাতীয়করণ সময়ের দাবি

|| প্রফেসর ড. আ ব ম সাইফুল ইসলাম সিদ্দিকী ||বর্তমান সরকারের অর্ধশত মন্ত্রিপরিষদের কারো ব্যাপারে কারো জন্য কোন মন্তব্য থাকলে থাকতে পারে একমাত্র শিক্ষামন্ত্রী ছাড়া।বর্তমান শিক্ষামন্ত্রী ইতিপূর্বে শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শিক্ষার সংস্কারে বিশেষত: নকল প্রতিরোধে যে কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করেন, তা অবিস্মরণীয় হয়ে রয়েছে এদেশের সকলের হৃদয়ে। সেটার উপর ভিত্তি করেই বর্তমান সরকার তাকে শিক্ষামন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত করেছেন। এজন্য সরকারকে ধন্যবাদ।কিন্তু ৯০% মুসলিম দেশে শিক্ষা ক্ষেত্রে বরাবর যে বিষয়গুলো অবহেলিত থাকছে, সে বিষয়ে এবার কি হবে? সেটাই দেখার বিষয়।আওয়ামী সরকার যখন ক্ষমতায় আসে, তখন তারা শিক্ষাক্ষেত্রে শুধু সংস্কার নয় তাদের দীর্ঘ মেয়াদি পরিকল্পনা অনুযায়ী ডারউইনবাদ, ধর্ম নিরপেক্ষবাদ বাস্তবায়ন করে এদেশের মুসলিম শিক্ষা সংস্কৃতিকে ধ্বংস করতে কখনো তারা পিছুপা ছিল না।আ...
নতুন সরকারের কাছে জনগণের প্রত্যাশা
অভিমত, সর্বশেষ

নতুন সরকারের কাছে জনগণের প্রত্যাশা

|| ডা. আনোয়ার সাদাত ||গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হয়ে গেল ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন; যেখানে স্বতঃস্ফূর্তভাবে, কিছু বিশৃঙ্খলা ছাড়া জনগণ নির্বিঘ্নে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছে।যদিও ফলাফল নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে।১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের ফল অনুযায়ী বিএনপি বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে। অন্যদিকে, প্রধান বিরোধী দল হিসেবে এই প্রথমবারের মতো সংসদে যাচ্ছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। তারাও ভালো ফল করেছে। এ ছাড়া ’২৪-এর জুলাই আন্দোলনে সম্মুখসারির নেতৃত্বদানকারী ছাত্রদের দল এনসিপিও ভালো করেছে। ছয়জন বিজয়ী তরুণ রাষ্ট্র সংস্কারের দাবি নিয়ে সংসদে যাচ্ছেন, যা সংস্কারপ্রত্যাশী তরুণদের জন্য খুবই আশাপ্রদ একটি বিষয়।জনগণ নতুন সরকারের প্রতি যে আস্থা রেখেছে, সেই আস্থার প্রতি সন্মান দেওয়ার জন্য তাদের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি করা এবং নিত্যপণ্যের দাম সহনীয় পর্যায়ে নাম...
নির্বাচনোত্তর সহিংসতা নয়: নির্বাচন হোক ভ্রাতৃত্বের এক অপূর্ব মাইলফলক
অভিমত, জাতীয়, সর্বশেষ, সারাদেশ

নির্বাচনোত্তর সহিংসতা নয়: নির্বাচন হোক ভ্রাতৃত্বের এক অপূর্ব মাইলফলক

|| প্রফেসর ড. আ ব ম সাইফুল ইসলাম সিদ্দিকী ||আগামীকাল ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন। নির্বাচনটি যেমনি আনন্দের তেমনি এ দেশ জাতির ভাগ্য পরিবর্তনের এক অপূর্ব নিদর্শন।যেখানে প্রতিযোগিতা সেখানেই জয় পরাজয়। সেটা খেলাধুলা বা নির্বাচন যাই হোক না কেন সেখানে হার-জিত থাকবেই।এবারই দেশে প্রথম নির্বাচন নয়। এর আগে আরো বারোটি জাতীয় নির্বাচন হয়েছে। সব দেশেই নির্বাচন হয়। দু একটি দেশ ছাড়া এ নির্বাচনগুলোর ফলাফল মোটেই সুখকর হয় না।জয়ীরা যেমন বিজিতদের প্রতি অসহনশীল হয় বিজিতরাও জয়ীদেরকে অন্তর থেকে মেনে নিতে পারে না। সমস্যা হয়ে যায় এখানেই।তার মানে নির্বাচনে রাজনীতির প্রতিযোগিতা কোনোটিই দেশ জাতির জন্য নয়; একান্তই রাজনীতিবিদদের ব্যক্তিগত ও দলীয় বিষয় হয়ে দাঁড়ায়। আর জয়ী হওয়াটা ক্ষমতার উৎস হিসেবে গণ্য করা হয়।নির্বাচনে কে কাকে ভোট দিয়েছে নির্বাচনের পূর্বে কে কার পক্ষে ছিল কে কার ব...
কারাগার হোক শিক্ষাগার
অপরাধ, আইন ও আদালত, অভিমত, জাতীয়, সর্বশেষ

কারাগার হোক শিক্ষাগার

|| প্রফেসর ড. আ ব ম সাইফুল ইসলাম সিদ্দিকী ||জেল, কারাগার বা ডিটেনশন সেন্টার—বিভিন্ন নামে এটি পরিচিত।বাংলাদেশের কারা অধিদপ্তরের অধীনে বর্তমানে ১৫টি কেন্দ্রীয় কারাগার ও ৫৯টি জেলা কারাগারসহ মোট ৭৪টি কারাগার রয়েছে। এগুলোর মোট ধারণক্ষমতা ৪২,৪৫০ জন হলেও, ৭০হাজার বেশি বন্দি রয়েছে।কারাগার বা জেলখানা হলো এমন একটি বিশেষ স্থান বা প্রতিষ্ঠান, যেখানে বিচার বিভাগীয় আদেশে অপরাধী বা বিচারাধীন ব্যক্তিদের স্বাধীনতা হরণ করে বন্দি রাখা হয়। এটি অপরাধীদের সংশোধনের মাধ্যমে সমাজে পুনর্বাসনের সুযোগ তৈরি করে।প্রধান কার্যাবলী: বন্দিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, আইনি সহায়তা প্রদান, চিকিৎসা এবং বিভিন্ন বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তাদের সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলা।এই উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করেন যা সত্যিই প্রশংসনী...
মাদ্রাসা শিক্ষার প্রতি বিমাতাসুলভ আচরণ নয়: দেশ জাতির প্রত্যাশা সদাচরণ
অভিমত, শিক্ষাঙ্গন, সর্বশেষ

মাদ্রাসা শিক্ষার প্রতি বিমাতাসুলভ আচরণ নয়: দেশ জাতির প্রত্যাশা সদাচরণ

|| প্রফেসর ড. আ ব ম সাইফুল ইসলাম সিদ্দিকী ||দেশের সরকার পরিবর্তন হয়। নীতি পরিবর্তন হয়। হয় স্কুল কলেজ সরকারি। কিন্তু মাদ্রাসা শিক্ষার সাথে যে বিমাতা সুলভ আচরণ প্রতিটি সরকারের আমলেই ছিল তা বর্তমান নিরপেক্ষ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারও এর থেকে পিছিয়ে নেই, বরং আরো দু দশ হাত এগিয়ে রয়েছে।গত ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ মাদ্রাসা শিক্ষার জনবল কাঠামোর এক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। ২০১৮ সালে জারিকৃত প্রজ্ঞাপনে যেখানে ফাজিল কামিল মাদ্রাসা জনবল কাঠামোতে প্রতি বিষয়ে ২/৩ জন করে শিক্ষক ছিল, সেখানে প্রতি বিষয়ে এবং কর্ম কর্মকর্তা-কর্মচারী সকল স্তরে একজন করে নির্ধারণ করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।এটা অতীত সরকারের ধারাবাহিকতা না বর্তমান সরকারের নতুন কোন নীতিমালা নাকি মাদ্রাসা শিক্ষা ধ্বংসের পাঁয়তারার সর্বশেষ প্যারেক তা জাতির কাছে স্পষ্ট?বর্তমানে দেশের কামিল মাদ্রাসা তিন শতাধিক, ফাজিল মাদ্রাসা দেড় ...