Friday, August 28

অভিমত

রক্তাক্ত বালাকোট: ইতিহাসের বুকে জাগরণের অগ্নিস্ফুলিঙ্গ
অভিমত, শিক্ষাঙ্গন, সর্বশেষ

রক্তাক্ত বালাকোট: ইতিহাসের বুকে জাগরণের অগ্নিস্ফুলিঙ্গ

|| আব্দুর রহমান জামী ||উপমহাদেশের মুসলিম ইতিহাসে বালাকোট যুদ্ধ একটি গুরুত্বপূর্ণ ও তাৎপর্যপূর্ণ নাম। ১৮৩১ সালের ৬ মে সংঘটিত এই যুদ্ধ শুধু একটি সামরিক সংঘর্ষ নয়, বরং এটি মুসলিম জাগরণ, আত্মত্যাগ ও স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষার প্রতীক হিসেবে ইতিহাসে স্থান করে নিয়েছে।‎‎ঐতিহাসিকভাবে পলাশীর যুদ্ধ (১৭৫৭)-এর পর উপমহাদেশে ব্রিটিশ আধিপত্য প্রতিষ্ঠিত হয়। এর ফলে রাজনৈতিক অস্থিরতা, সামাজিক অবক্ষয় এবং ধর্মীয় বিচ্যুতি মুসলিম সমাজকে গভীর সংকটে নিমজ্জিত করে। এই প্রেক্ষাপটে ইসলামী সংস্কার ও পুনর্জাগরণের প্রয়োজনীয়তা তীব্র হয়ে ওঠে।‎‎এই পরিস্থিতিতে সাইয়েদ আহমাদ শহীদ-এর নেতৃত্বে শুরু হয় একটি শক্তিশালী সংস্কারমূলক আন্দোলন, যার লক্ষ্য ছিল মুসলিম সমাজের আকীদা সংশোধন, নৈতিক উন্নয়ন এবং স্বাধীন অস্তিত্ব পুনরুদ্ধার। তিনি উপমহাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সফর করে মানুষকে সংগঠিত করেন এবং একটি সুসংহত আন্দোলন গড়ে তোলেন।‎‎আন্দোলনের ধা...
কাবার দুয়ারে দাঁড়িয়ে | পর্ব-০৩
অভিমত, ধর্ম ও দর্শন, শিক্ষা ও সাহিত্য (প্রবন্ধ, গল্প, কবিতা, জীবনী), সর্বশেষ

কাবার দুয়ারে দাঁড়িয়ে | পর্ব-০৩

|| শাকির সবুর ||প্রায় দেড় থেকে দুই কিলোমিটার পথ চলার পর বাস আমাদের নির্ধারিত টার্মিনালে নামিয়ে দিলো। যেহেতু আমাদের ইমিগ্রেশন ঢাকাতেই সম্পন্ন হয়েছিল, আর বেল্টে দেওয়া লাগিজের জন্যও অপেক্ষা করতে হবে না। হজ্জ কর্তৃপক্ষের তত্তাবধানে সেগুলো যার যার হোটেলে পৌঁছে যাবে। সুতরাং বাস থেকে নেমেই আমরা ছুটলাম মক্কার উদ্দেশে পূর্ব থেকেই আমাদের জন্য অপেক্ষমাণ বাসের দিকে। সিকি কিলোমিটারের মতো পথ পায়ে হেঁটে এসেই আমরা বাসে উঠলাম। পাশাপাশি বেশ কটি বাস দাঁড় করানো। প্রতিটি বাসই প্রায় একই রকম। ঝকঝকে চকচকে। শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত। দু পাশে দুটি করে সিট। মোট সিট সংখ্যা ৫২। আমাদের কাফেলায় যেহেতু যাত্রী সংখ্যা ৬৫ জন। তাই আমাদের জন্য দুটি বাস নির্ধারিত। একটিতে ৩৩ জন। অপরটিতে ৩২ জন। আমাদের মুয়াল্লিম মওলানা মজিরুদ্দিন, এজেন্সি প্রতিনিথি তাশফিন আহমেদ এবং মওলানা আনোয়ার হুসাইন আমাদের গাইড করছেন।বাসে উঠে বসতে গিয়ে দেখি আম...
শাপলা চত্বরের ১৩ বছর: এক অমীমাংসিত জাতীয় অধ্যায়
অভিমত, শিক্ষাঙ্গন, সর্বশেষ, সারাদেশ

শাপলা চত্বরের ১৩ বছর: এক অমীমাংসিত জাতীয় অধ্যায়

|| আব্দুর রহমান জামী ||‎রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে ২০১৩ সালের ৫ মে সংঘটিত সেই রক্তাক্ত ঘটনার ১৩ বছর পূর্তি আজ। দীর্ঘ এক যুগ পেরিয়ে গেলেও ঘটনাটির পূর্ণাঙ্গ সত্য উদঘাটন, হতাহতদের নির্ভরযোগ্য পরিসংখ্যান নির্ধারণ এবং দায়ীদের জবাবদিহি নিশ্চিত করার প্রশ্ন এখনো অমীমাংসিত রয়ে গেছে। এই অনিরসনীয় বাস্তবতা জাতির বিবেককে আজও নাড়া দেয় এবং ইতিহাসের এক বেদনাবিধুর অধ্যায় হিসেবে শাপলা চত্বরের সেই রাত ন্যায়বিচারের প্রয়োজনীয়তাকে আরও গভীরভাবে সামনে নিয়ে আসে।‎‎সেই রাতের ঘটনাপ্রবাহ নিয়ে রয়েছে অসংখ্য প্রশ্ন এবং ভিন্নমুখী বিশ্লেষণ। প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনা, বিভিন্ন মহলের বক্তব্য এবং তৎকালীন পরিস্থিতি মিলিয়ে এটি কেবল একটি ঘটনা নয়; বরং দেশের রাজনৈতিক, সামাজিক ও ধর্মীয় প্রেক্ষাপটের একটি গুরুত্বপূর্ণ বাঁকবদল হিসেবে বিবেচিত হয়। কী ঘটেছিল, কতজন প্রাণ হারিয়েছেন, কারা নিখোঁজ হয়েছেন—এসব প্রশ্ন আজও স্পষ্ট ও সর্বজনগ্...
কাবার দুয়ারে দাঁড়িয়ে | পর্ব-০১
অভিমত, ধর্ম ও দর্শন, শিক্ষা ও সাহিত্য (প্রবন্ধ, গল্প, কবিতা, জীবনী), সর্বশেষ

কাবার দুয়ারে দাঁড়িয়ে | পর্ব-০১

|| শাকির সবুর ||ভোর পাঁচটা চল্লিশ মিনিটে আমরা উত্তরার আশকোনা হজ্জ ক্যাম্পের উদ্দেশে রওনা হলাম। দুপুর বারটা পঞ্চাশ মিনিটে আমাদের ফ্লাইট। এ বছর ধর্ম মন্ত্রণালয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে সব হজ্জযাত্রীকেই ফ্লাইট টাইমের অন্তত ছয় ঘণ্টা আগে আশকোনার হজ্জ ক্যাম্পে উপস্থিত হতে হবে। এর আগের বছরগুলোতে ঢাকায় বসবাসকারী হজ্জযাত্রীদের আশকোনা হজ্জ ক্যাম্পে উপস্থিত না হয়ে সরাসরি এয়ারপোর্টে উপস্থিত হলেও চলতো। তবে এ বছর থেকে আর সেই সুযোগ নেই। কারণ হজ্জযাত্রীদের বোডিং এবং বাংলাদেশের ইমিগ্রেশন আশকোনা হজ্জ ক্যাম্পেই সম্পন্ন হবে।শনিবার ছুটির দিন। রাস্তাঘাট ফাঁকাই থাকার কথা। তাই তেমন তাড়াহুড়া নেই আমাদের। তবে আজ সোহরাওয়ার্দি উদ্যানে হেফাজতে ইসলাম জাতীয় সমাবেশের আয়োজন করেছে। আর আমার বাসা যেহেতু সোহরাওয়ার্দি উদ্যানের পাশেই, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে, তাই একটু আগেভাগেই বের হলাম। যাবার সময় দেখি টিএসসি-শাহবাগ এলাকায় ...
আইনের শাসন বাস্তবায়নের প্রকৃত ও বাস্তব দৃষ্টান্ত ইসলামী শাসন ব্যবস্থা
অভিমত, ধর্ম ও দর্শন, সর্বশেষ

আইনের শাসন বাস্তবায়নের প্রকৃত ও বাস্তব দৃষ্টান্ত ইসলামী শাসন ব্যবস্থা

|| ডা. আনোয়ার সাদাত ||আইনের শাসন পরিপূর্ণ বাস্তবায়ন না হলে মানুষের অধিকার, মর্যাদা রক্ষা ও সার্বিক উন্নয়ন সম্ভব হয় না। মূলত আইনের শাসন মানুষের শ্রেষ্ঠত্ব ও মহত্ত্ব প্রতিষ্ঠিত করে। মানুষ যখন মানুষের অধীন হয়, তা মানুষের মর্যাদা ও সম্মানের জন্য হানিকর। বর্তমান সমাজে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত না থাকায় সমাজের নানান ক্ষেত্রে আজ চরম দুরবস্থা এবং মানুষের মৌলিক অধিকার ও মর্যাদা ভূলুণ্ঠিত।আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে মানুষের মর্যাদা ও অধিকার প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব, যার বাস্তব উদাহরণ আজ থেকে চৌদ্দশত বছর পূর্বে রাসুলুল্লাহ (সা.) প্রতিষ্ঠিত রাষ্ট্র ব্যবস্থা। আর তাঁর ইন্তেকালের পর খুলাফায়ে রাশেদার আমল, যেখানে আইনের শাসন বাস্তবায়নের মাধ্যমে মানুষের মর্যাদা ও অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। এ রাষ্ট্র ব্যবস্থা আইনের শাসনের যে ঐতিহ্য প্রতিষ্ঠিত করেছিল, ইতিহাসে তার দ্বিতীয় নজির খুঁজে পাওয়া যায় ...
মে দিবস, শ্রমিকদের মর্যাদা ও অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলন
অভিমত, জাতীয়, সর্বশেষ

মে দিবস, শ্রমিকদের মর্যাদা ও অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলন

|| ডা. আনোয়ার সাদাত ||পৃথিবী ব্যাপি শ্রমিকদের অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে পালিত হয় মে দিবস। ১ মে, শ্রম দিবস বা আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস। তবে এই দিবস পালনের পেছনে রয়েছে ঊনবিংশ শতাব্দী ও তার আগের শ্রমিকদের বঞ্চনার এক করুণ ইতিহাস।এই সংগ্রাম ও ইতিহাসের শুরুটা ঘটে যুক্তরাষ্ট্রে। ১৮৮৬ সালের এই দিনে শিকাগো শহরের হে মার্কেটে ক্রমেই জড়ো হতে থাকেন শ্রমিকরা। তাদের দাবি ছিল, ন্যায্য মজুরি এবং কাজের জন্য নির্ধারিত সময়। যুগের পর যুগ তাদের সঙ্গে ঘটে যাওয়া বঞ্চনার প্রতিবাদ ছিল এই আন্দোলন। একেকজন শ্রমিককে সেই সময় বাধ্যতামূলক খাটানো হতো ১৫ থেকে ১৬ ঘন্টা, বিনিময়ে পারিশ্রমিক ছিল খুবই সামান্য।শ্রমিকদের সেই আন্দোলনে ঘটে এক অনাকাঙ্খিত ঘটনা। হঠাৎ শ্রমিকদেরকে ঘিরে থাকা ভিড় থেকে কেউ একজন পুলিশকে লক্ষ্য করে বোমা নিক্ষেপ করেন। ঘটনার আকস্মিকতায় সেদিন বিহ্বল ছিলেন আন্দোলনে অংশ নেয়া প্রায় সবাই। এ ঘটনার সঙ্গে সঙ্গে...
চরম বৈষম্য নিরসনে ইবতেদায়ীসহ উপজেলায় সকল স্তরের মাদ্রাসা সরকারিকরণ সময়ের দাবি
অভিমত, শিক্ষাঙ্গন, সর্বশেষ

চরম বৈষম্য নিরসনে ইবতেদায়ীসহ উপজেলায় সকল স্তরের মাদ্রাসা সরকারিকরণ সময়ের দাবি

|| প্রফেসর ড. আ ব ম সাইফুল ইসলাম সিদ্দিকী ||নারী শিক্ষা অগ্রায়নে প্রতিটি উপজেলা সদরে একটি করে মহিলা কলেজ সরকারিকরণের পরিকল্পনা নারী শিক্ষা ক্ষেত্রে সরকারের এক ইতিবাচক ভূমিকা জন্য সরকারকে ধন্যবাদ।বাংলাদেশের ৯০% জনসংখ্যা মুসলিম। কিন্তু তাদের ইসলামের শিক্ষার প্রতিষ্ঠান মাদ্রাসাগুলো আজও অবহেলিত। সরকার পরিবর্তন হয় কিন্তু মাদ্রাসাগুলো সরকারি হয় না। মাদ্রাসার সাথে প্রতিটি সরকারের বিমাতাসূলভ আচরণ এদেশের মুসলিম সমাজকে করেছে আশাহত।দেশে শুধু ঢাকা আলিয়া সিলেট আলিয়া এবং বগুড়া আলিয়া এই তিনটি মাদ্রাসা ব্যতীত ইবতেদায়ী দাখিল আলিম ফাজিল কামিল এই পাঁচটি স্তরের আর দ্বিতীয় কোনো মাদ্রাসা সরকারিকরণের ইতিহাস গত দুশো বছরে নেই। অথচ প্রতিটি উপজেলা পর্যায়ে মাধ্যমিক উচ্চমাধ্যমিক এবং ডিগ্রী স্নাতক উত্তর স্তরে ৫ ঊর্ধ্ব সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে।দেশের সকল স্তরের সাধারণ শিক্ষা সরকারি প্রতিষ...
ভিসি নিয়োগে সার্চ কমিটি: ইউজিসির চেয়ারম্যানের নেতৃত্ব পুনঃ গঠিত হোক
অভিমত, শিক্ষাঙ্গন, সর্বশেষ

ভিসি নিয়োগে সার্চ কমিটি: ইউজিসির চেয়ারম্যানের নেতৃত্ব পুনঃ গঠিত হোক

|| প্রফেসর ড. আ ব ম সাইফুল ইসলাম সিদ্দিকী ||সরকার পরিবর্তনের সাথে সাথেই কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিসি নিয়োগ হয়েছে কোনো সার্চ কমিটি ছাড়াই। এটি নিয়ে কমবেশি কিছু আলোচনা সমালোচনা পর্যালোচনা হয়েছে বটে।বাকি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর জন্য ভিসি নিয়োগে সার্চ কমিটি গঠন করার জন্য সরকারকে ধন্যবাদ। বিষয়টি উচ্চশিক্ষা ক্ষেত্রে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে দেশের প্রাজ্ঞজনরা মনে করেন।তবে সার্চকমিটি গঠন নিয়ে উচ্চ শিক্ষিত মহল হতভম্ব হয়েছে। কারণ দেশের সরকারি বেসরকারি মিলে দেড় শতাধিক বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে। এসব বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত মোট শিক্ষকের এক চতুর্থাংশেরও বেশি প্রফেসর। আবার প্রফেসরদের এক চতুর্থাংশের বেশি হলো গ্রেড-১ প্রফেসর। যাদের সংখ্যা দেড় সহস্রাধিকের কম নয়।অবসরপ্রাপ্ত প্রফেসর গ্রেড-১ অবসরপ্রাপ্ত ভাইস চ্যান্সেলর মিলে এ সংখ্যাও শতাধিক হবে নিশ্চিত।উচ্চশিক্ষা ক্ষেত্রে ইউজিসির চেয়...
অনলাইন ক্লাসের অভিজ্ঞতা ও বিকল্প প্রস্তাবনা
অভিমত, শিক্ষাঙ্গন, সর্বশেষ

অনলাইন ক্লাসের অভিজ্ঞতা ও বিকল্প প্রস্তাবনা

|| প্রফেসর ড. আ ব ম সাইফুল ইসলাম সিদ্দিকী ||অনলাইন ক্লাস সম্পর্কে আমরা মোটামুটি বিশেষ ধারণা পাই করোনাকালীন সময়ে। এর আগে এ সম্পর্কে কারো সেরকম পরিচয় ছিল না। আলোচনা পর্যালোচনাও ছিল না।এ ঘটনার পর থেকে সরকার এ বিষয়ে একটি দিক নিদর্শনা প্রদান করে, সে নির্দেশনা অনুযায়ী বিদ্যালয়গুলোতে অনলাইন ক্লাস শুরু হয়।বর্তমান সরকার ইরান-ইজরাইল যুদ্ধের কারণে তেল সংকট কিছুটা কাটিয়ে উঠতে বিভিন্ন বিষয়ে কৃচ্ছতা সাধনের পদক্ষেপ গ্রহণ করছে।এর মধ্যে একটি হল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে ২-৩ দিন অনলাইনে ক্লাস গ্রহণ।এ নেতিবাচক দিক নিয়ে জনগণের অনেকেই সরব। তবে এবার ইতিবাচকের চাইতে নেতিবাচকের পাল্লা বেশি ভারী।কারণ, অন্তত অভিভাবকদের এ বিষয়ে যথেষ্ট নলেজ হয়েছে যে, তাদের সন্তানরা অনলাইন ক্লাস করে কতটুকু বিদ্যা অর্জন করেছে?অনলাইনের নামে প্রতিটি শিক্ষার্থীকে একটি করে অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল হাতে দিতে...
প্রাথমিক শিক্ষার মান উন্নয়ন ও শিক্ষার্থীর সংখ্যা বৃদ্ধিতে কিছু প্রস্তাবনা
অভিমত, শিক্ষাঙ্গন, সর্বশেষ

প্রাথমিক শিক্ষার মান উন্নয়ন ও শিক্ষার্থীর সংখ্যা বৃদ্ধিতে কিছু প্রস্তাবনা

|| মো. আব্দুর রহিম ||প্রাথমিক শিক্ষা হলো শিক্ষার মূল ভিত্তি। একজন আদর্শ, দক্ষ, যোগ্য ও সৎ নাগরিক তৈরির ক্ষেত্রে এর ভূমিকা অপরিসীম। তাই এই স্তরের শিক্ষার মান যত উন্নত হবে তখন দেশের সকল স্তরের শিক্ষার উপর তার প্রভাব ফেলবে। গুণগত শিক্ষা নিশ্চিত কল্পে দরকার মানসম্মত শিক্ষা। আর মান সম্মত শিক্ষা পেতে দরকার মান সম্মত দরদী শিক্ষক। আর মান সম্মত শিক্ষক পেতে দরকার মান সম্মত বেতন -ভাতা ও সুযোগ সুবিধা। একজন শিশুর নৈতিকতার ভিত্তি হলো প্রাথমিক ও পারিবারিক শিক্ষা। এই স্তরে শিশুরা যত ভালো শিক্ষা পাবে সেটা তাদের ভবিষ্যত জীবন গঠনে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। আমরা উন্নত রাষ্ট্রে তাই দেখতে পাচ্ছি। এই প্রাথমিক শিক্ষা নিয়ে রাষ্ট্রের অনেক মাথা ব্যথা। এটা ভালো কিন্তু ঔষধ খুঁজে পাচ্ছে না।প্রাথমিক শিক্ষার মান খারাপ বিধায় জনগণ প্রাইভেট প্রতিষ্ঠানকে বেছে নিচ্ছে। এমনি এই স্তরের শিক্ষকগণ তাদের নিজ সন্তানকে ভর্তি করান না।...