
|| এস এম শাহরিয়ার | জেলা প্রতিনিধি (খুলনা) ||
খুলনা নগরীর হেরাজ মার্কেট জামে মসজিদে পরিকল্পিতভাবে হামলা, ভাঙচুর ও মারধরের অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছে বৃহত্তর হেরাজ মার্কেট ঔষধ ব্যবসায়ী কমিটি। রবিবার (১৯ এপ্রিল) সন্ধ্যায় খুলনা প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন কমিটির সাধারণ সম্পাদক নাজমুস সাকির পিন্টু।
লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, নারীর সাথে অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগে মসজিদের সাবেক ইমাম আবুল কালাম আজাদকে ২০২৫ সালের ১৪ মে মসজিদ কমিটির সিদ্ধান্তে বহিষ্কার করা হয়। এ ঘটনায় এক নারীর দায়ের করা ধর্ষণ মামলা বর্তমানে তদন্তাধীন রয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে বলে দাবি করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়, দীর্ঘদিন ইমাম শূন্য থাকার পর নতুন ইমাম নিয়োগের উদ্যোগ নেয় মসজিদ কমিটি। এরই মধ্যে গত ১৮ এপ্রিল আসরের নামাজের পর খুলনা ইমাম পরিষদের কয়েকজন নেতার নেতৃত্বে বহিরাগতদের একটি দল মসজিদে প্রবেশ করে। তারা কোনো ধরনের আলোচনা ছাড়াই মসজিদের মাইকে সাবেক ইমামকে পুনর্বহালের ঘোষণা দেয়।
এ সময় প্রতিবাদ করলে মার্কেট কমিটির নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ ওঠে। এতে নাজমুস সাকির পিন্টুসহ রিয়াজ উদ্দিন সুজা, শফিকুল ইসলাম, সাব্বির হোসেন, তানভীর আহম্মেদ ও তানজীদ আহম্মেদ আহত হন।
এছাড়া হামলাকারীরা মসজিদের ভেতরে থাকা ডিজিটাল ঘড়ি ও জানালার কাঁচ ভাঙচুর করে প্রায় ৪০ হাজার টাকার ক্ষতি সাধন করে বলে দাবি করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে আরও বলা হয়, সম্ভাব্য উত্তেজনার বিষয়ে আগেই থানায় অভিযোগ জানানো হয়েছিল। এরপরও হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা। বর্তমানে এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। তবে অভিযুক্তদের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
