সোমবার, জুলাই ১৩

অভিমত

সম্মানীকে সম্মান না দেওয়া অসম্মান নয়, কেড়ে নেওয়া বেশি অপমানজনক
অভিমত, শিক্ষাঙ্গন, সর্বশেষ

সম্মানীকে সম্মান না দেওয়া অসম্মান নয়, কেড়ে নেওয়া বেশি অপমানজনক

|| প্রফেসর ড. আ ব ম সাইফুল ইসলাম সিদ্দিকী ||সম্মানীকে সম্মান না দেওয়া হয়তো অপরাধ নয়, কিন্তু সম্মান দিয়ে তা কেড়ে নেওয়া চরম অবমাননাকর। অতি সম্প্রতি দেশের চিকিৎসা শিক্ষা ও গবেষণার অন্যতম শীর্ষ ব্যক্তিত্ব, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) সাবেক ইমেরিটাস অধ্যাপক ডা. এ বি এম আব্দুল্লাহর ইমেরিটাস পদটি প্রত্যাহারের ঘটনা প্রসঙ্গে এই বেদনাবোধ থেকেই কিছু কথা বলা প্রয়োজন মনে করছি।গত ২৪ জুন ২০২৬ তারিখে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের এক অফিস আদেশের (স্মারক নং- বিএমইউ/২০২৬/৬২৮৮) মাধ্যমে তাঁর ইমেরিটাস অধ্যাপক পদটি প্রত্যাহার করা হয়েছে। শুধু পদ প্রত্যাহারই নয়, চিঠিতে কারণ উল্লেখপূর্বক তাকে দেওয়া আর্থিক সম্মানীও ফেরত চাওয়া হয়েছে। চিঠির ভাষ্যমতে— বিগত ২০ জুন ২০২৪ তারিখে অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেটের ৯২তম সভায় আলোচ্যসূচির বাইরে গিয়ে এক সদস্যের প্রস্তাবের প্রেক্ষিতে ইমেরিটাস অধ্যাপক নিয়োগ অধ্...
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের লক্ষ্য উদ্দেশ্য কতটুকু পূরণ হয়েছে!
অভিমত, সর্বশেষ

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের লক্ষ্য উদ্দেশ্য কতটুকু পূরণ হয়েছে!

|| ডা. আনোয়ার সাদাত ||ছাত্র-জনতা ২০২৪ সালের ৫ জুন থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত অগণিত প্রাণ বিসর্জন দেয়ার মধ্য দিয়ে ১৬ বছরের স্বৈরাচারী শাসনের অবসান ঘটিয়েছে।ঐতিহাসিক এই বিপ্লবের বিজয়ের ধারার সূচনা হয়েছিল সরকারি চাকুরিতে কোটা পদ্ধতি বাতিলের দাবির আন্দোলনের মধ্য দিয়ে। পরে এটি বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে রূপ নেয়।সরকারের কঠোর অবস্থানের কারণে আন্দোলন আরো প্রবল হয়ে উঠেছিল, যা ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট চূড়ান্ত রূপ লাভ করে। প্রায় ১৫০০ মানুষকে হত্যা ও হাজার হাজার মানুষ পঙ্গু হওয়ার প্রেক্ষিতে বিগত প্রায় পনের বছরেরও বেশি সময় ধরে দেশকে শাসন করার পরও শেখ হাসিনা পদত্যাগ করে ভারতে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়।দেশের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ইতিহাসে দেখা যায়, ক্ষমতার কেন্দ্রীকরণ, উন্নয়নের নামে অনিয়ম, দূর্নীতি এবং রাজস্ব বণ্টনের অসংগতি বৈষম্যকে আরও তীব্র করেছে। বিশেষ করে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর অযোগ্যতা ও দুর্নীতির কারণে সাধার...
মাজারে নয়: দান বাক্স স্থাপন হোক হাসপাতাল অনাথ আশ্রম এবং মসজিদে
অভিমত, ধর্ম ও দর্শন, সর্বশেষ

মাজারে নয়: দান বাক্স স্থাপন হোক হাসপাতাল অনাথ আশ্রম এবং মসজিদে

|| প্রফেসর ড. আ ব ম সাইফুল ইসলাম সিদ্দিকী ||মাজার অর্থ জিয়ারতের জায়গা। বাংলা অর্থ ভ্রমণস্থল। বাংলাদেশের মাজার বলতে কোন বিশেষ ব্যক্তির লালসালু আচ্ছাদিত উঁচু পাকা কবরকে বোঝায়।বাংলাদেশ অলি আউলিয়ার দেশ। নিঃসন্দেহে তারা পূণ্য ব্যক্তি ছিলেন। আর পূণ্যবাণকে আল্লাহ তাআলা জান্নাতুল ফেরদাউস নসিব করুন আমিন।মানুষ সরল বিশ্বাসে এসব মাজারে নজর নিয়াজ মান্নত দান খয়রাত করে থাকে। দান-খয়রাতের কোটি কোটি টাকার কোন হিসাব নেই।এই মাজারের অর্থকে কেন্দ্র করে যেভাবে বিনা পুঁজিতে যুগ যুগ ধরে যে ব্যবসা চলে আসছে সে বিষয় দেশ জাতি প্রশাসন কেউ কোন খোঁজ খবর রাখে না।সম্প্রতি মাত্র তিন দিনে মাজারে বাক্স ও ডেগে পাওয়া দানের নগদ হিসাবে দেখা যায়-১. ১৭লক্ষ ৬৫হাজার ৫৪৯টাকা, ৭আনা স্বর্ণ ও কিছু সৌদি রিয়াল, ডলার পাউন্ড ইত্যাদি।২. মাজারের গিলাফে প্রত্যেহ ৫/৬ লক্ষ টাকা।৩. গম্বুজের নিচে গদি- তিন লাখ টাকা।৪...
দেশপ্রেম ও দেশদ্রোহিতার মাপকাঠি কি?
অভিমত, সর্বশেষ

দেশপ্রেম ও দেশদ্রোহিতার মাপকাঠি কি?

|| প্রফেসর ড. আ ব ম সাইফুল ইসলাম সিদ্দিকী ||দেশপ্রেম ও দেশদ্রোহীতার মাপকাঠি কি? একজন নাগরিক হিসেবে অবশ্যই জানা থাকা দরকার। কিন্তু আমি জানি না, কি কাজ করলে দেশ প্রেমিক হিসেবে আখ্যায়িত হওয়া যায় আর কি করলে দেশদ্রোহী হিসেবে শাস্তি অবধারিত হয়ে যায়।স্বাধীন দেশের একজন স্বাধীন নাগরিক হিসেবে আমার কথা বলার সীমা কতটুকু? কতটুকু বললে এবং কি কাজ করলে আমি দেশ জাতির কাছে দেশ প্রেমিক হিসেবে পুরস্কার পাবো অথবা দেশদ্রোহী হিসেবে তিরস্কৃত হব।দেশের সাধারণত পক্ষে-বিপক্ষে দু'ধরনের লোক থাকে। সেটা ইলেকশন হোক বা ভোটাভোটি হোক বা দেশে কোন যুদ্ধবিগ্রহ হোক না কেন। আমরা এটা বরাবরই দেখে আসছি।দুপক্ষ হওয়ার কারণে পলাশীর আম্রকাননে আমরা সংখ্যায় বেশি থাকার পরেও বিশেষ এক জাতি গোষ্ঠীর বিশ্বাসঘাতকতার কারণে আমাদের স্বাধীনতার সূর্য অস্তমিত হয়।তখন নবাবের পক্ষে যারা ছিলেন তারা দেশপ্রেমিক, বিরুদ্ধে যারা ছিলে...
বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের অবসরপ্রাপ্তদের অবসরোত্তর অর্থ প্রাপ্তি: কার্যকর আশু ব্যবস্থা গ্রহণ জরুরী
অভিমত, জাতীয়, শিক্ষাঙ্গন, সর্বশেষ

বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের অবসরপ্রাপ্তদের অবসরোত্তর অর্থ প্রাপ্তি: কার্যকর আশু ব্যবস্থা গ্রহণ জরুরী

|| প্রফেসর ড. আ ব ম সাইফুল ইসলাম সিদ্দিকী ||চাকুরী সেটা সরকারি হোক আর আধা সরকারি বা বেসরকারি সবখানেই বেতন স্কেল পদ অনুযায়ী প্রদান করা হয়ে থাকে।চাকুরী বিধি মোতাবেক অবসর গ্রহণের পর প্রতিষ্ঠানভেদে গ্রাচ্যুইটি/ পেনশন/ অবসর ভাতা/ এককালীন অনুদান ইত্যাদি প্রদান করা হয়ে থাকে।আগে শুধু সরকারি চাকুরী বিধিতে অবসরকালীন সুবিধা প্রদান করা হতো। বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক কর্মকর্তা কর্মচারীদের অবসরোত্তর একটি পয়সাও প্রদান করার কোন বিধান ছিল না। এর চাইতে অমানবিক আর কি হতে পারে?বর্তমানে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরতদের অবসরোত্তর ৭৫ মাসের মূল বেতনর সমপরিমাণ অর্থ প্রদান করার বিধান করা হয়।সে যাই হোক সরকারি অবসরোত্তর কর্মকর্তা কর্মচারীরাও যে খুব সুবিধাজনকভাবে তাদের টাকা উত্তোলন করতে পেরেছেন এমনটি কিন্তু নয়। নিজের টাকা উঠাতে কিন্তু এর একটা অংশ লাল ফিতার পিছনে খরচ করতে হয়...
সংসদ অসার গল্প-কবিতার আসর নয়, জনস্বার্থে আইন প্রণয়নের পবিত্র স্থান
অভিমত, সর্বশেষ, সারাদেশ

সংসদ অসার গল্প-কবিতার আসর নয়, জনস্বার্থে আইন প্রণয়নের পবিত্র স্থান

|| প্রফেসর ড. আ ব ম সাইফুল ইসলাম সিদ্দিকী ||সংসদ দেশের পবিত্রতম স্থান। একটি দেশ কিভাবে পরিচালিত হবে দেশের জনগণ তাদের ব্যক্তিগত পারিবারিক সামাজিক রাষ্ট্রীয় জীবন কি করে সুন্দরভাবে পরিচালনা করবেন তাদের শিক্ষা সংস্কৃতি কি হবে দেশের জনগণ দল ধর্ম নির্বিশেষে সকলের কিভাবে ঐকমত্যের ভিত্তিতে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দেশকে সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিতে পারবে সে বিষয়ে সঠিক সুষ্ঠু নীতি প্রণয়নের পবিত্রতম স্থান হল সংসদ।সংসদে যারা বসেন সংরক্ষিত আসনসহ তাদের সংখ্যা ৩৫০। এ ৩৫০ জন সাংসদের পাঁচ বৎসর সরকারি বাসভবনে অবস্থান তাদের গাড়ি বাড়ি সংরক্ষণ তাদের নিরাপত্তা বিধান অর্থাৎ তাদের সার্বিক সেবায় নিয়োজিত বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা কর্মচারী মিলে কয়েক হাজার লোকের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে এতে।সব মিলিয়ে একজন সাংসদের পিছনে সরকারি দৈনিক হপ্তায় মাসে বছরে এবং পাঁচ বছরে কত অর্থ জনগণের ব্যয় হয় সেটা জনগণ না জানলেও স...
দেশ জাতির আস্থা ধর্মীয় প্রতিফলন ঘটে, শিক্ষাকারিকুলামে এমন বিষয় থাকা বাঞ্ছনীয়
অভিমত, শিক্ষাঙ্গন, সর্বশেষ

দেশ জাতির আস্থা ধর্মীয় প্রতিফলন ঘটে, শিক্ষাকারিকুলামে এমন বিষয় থাকা বাঞ্ছনীয়

|| প্রফেসর ড. আ ব ম সাইফুল ইসলাম সিদ্দিকী ||বাংলাদেশ একমাত্র দেশ যেখানে ৯০% মুসলিম দেশের ৩৫০ সাংসদের এক ষষ্ঠমাংশই মন্ত্রী হয়ে থাকেন। অথচ সংখ্যাগরিষ্ঠ ধর্মানুসারিদের সঠিক নির্দেশনা বিষয়ক মন্ত্রণালয় সে বিষয়ে বিশেষজ্ঞ ছাড়াই যুগ যুগ ধরে চলে আসছে।ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও শিক্ষামন্ত্রণালয়ে ধর্ম সম্পর্কে পাণ্ডিত্য রাখেন এমন কাউকে এর দায়িত্ব দেওয়া হয় না। অথচ স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রী হন ডাক্তার এবং অর্থ মন্ত্রণালয়ে অর্থনীতি বিষয়ে বিশেষজ্ঞ মন্ত্রী থাকেন।ধর্ম বিষয়ে এত অনীহা অবজ্ঞা থাকা কতটুকু সমীচীন সেটা প্রাজ্ঞজনরাই ভেবে দেখবেন।ফল যত ভালো হোক ভিতরে পোকা থাকলে সেটা খাওয়ার অযোগ্য হয়। দেশের সর্বোচ্চ থেকে সর্বনিম্ন পর্যায়ে একজন লোকও এই পোকাবিশিষ্ট নষ্ট ফল কিনবে, এমন বোকা দেশে কাউকে পাওয়া যাবে না।অথচ মুসলিমদের ঈমান আকিদা বিধ্বংসী লোকগুলোকে সরকার সংখ্যাগরিষ্ঠ মুস...
নৈতিক ও ধর্মীয় শিক্ষা প্রসারে বাজেট ও পরিকল্পনা জরুরী
অভিমত, ধর্ম ও দর্শন, সর্বশেষ

নৈতিক ও ধর্মীয় শিক্ষা প্রসারে বাজেট ও পরিকল্পনা জরুরী

|| ডা. আনোয়ার সাদাত ||বর্তমানে সমাজে অপরাধ প্রবণতা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে, সমাজের সর্বস্তরে দূর্নীতি, অপরাধ কর্ম বেড়েই চলছে। চারিদিকে খুন, গুম ছিনতাই, ধর্ষণ, দূর্নীতি ইত্যাদি অপরাধকর্ম বেড়েই চলছে। শিক্ষার হার বাড়লেও অপরাধ কর্মকান্ড কমছে না। শিক্ষিত সমাজেও জঘন্য অপরাধের খবর পাওয়া যায়।বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, এর অন্যতম কারণ নৈতিক ও ধর্মীয় শিক্ষার অভাব। এমন শিক্ষার প্রয়োজন, যা মানুষের বিবেককে জাগ্রত করবে। সুস্থ বিবেক বিকাশে নৈতিক শিক্ষার বিকল্প নেই।আল্লাহ বলেন, " তিনি যাকে ইচ্ছা বিশেষ জ্ঞান দান করেন, আর যাকে বিশেষ জ্ঞান দান করা হয়, সে প্রভূত কল্যাণকর বস্তু প্রাপ্ত হয়। উপদেশ তারাই গ্রহণ করে যারা জ্ঞানবান"। সূরা বাকারা- ২৬৯সমাজের প্রতিটি মানুষের নৈতিক শিক্ষা অর্জন জরুরী। আর ইসলামী শিক্ষা মানুষকে নৈতিকভাবে একজন আদর্শ মানুষে পরিণত করে। প্রচলিত শিক্ষা ব্যবস্হা মানুষকে কাগজে কলমে শিক্ষিত...
শিক্ষিত সমাজেও কেন মা-বাবার সাথে এমন অমানবিক আচরণ!
অভিমত, ধর্ম ও দর্শন, সর্বশেষ

শিক্ষিত সমাজেও কেন মা-বাবার সাথে এমন অমানবিক আচরণ!

|| ডা. আনোয়ার সাদাত ||সাম্প্রতিক সময়ে বৃদ্ধ পিতামাতা প্রতি ছেলে-মেয়েদের নিষ্ঠুর আচরণ বেড়েই চলছে। বার্ধক্যে এসে তারা পরিবারের কাছে হয়ে পড়ছেন মূল্যহীন। বাবা-মার সাথে নিষ্ঠুর আচরণের এমন দৃষ্টান্তের অভাব নেই। সাম্প্রতিক সময়ে আলোচিত নিষ্ঠুর ঘটনাটি অনেকেরই বিবেক নাড়া দিয়েছে। চরম ত্যাগ স্বীকারকারী বাবা-মায়ের প্রতি দিনদিন উদাসীন হয়ে পড়ছে অনেক সন্তান। অবহেলার শিকার হচ্ছেন বাবা-মা। ভোগবাদী জীবন তাদের প্রতি উদাসীন করে তুলছে আমাদের, এ কথা এখন পরীক্ষিত সত্য।পশ্চিমা দুনিয়ায় বৃদ্ধ বাবা-মাকে সন্তানরা কাছে রাখতে চায় না। আমাদের দেশেও এ সংস্কৃৃতি ব্যাপকভাবে এক শ্রেণির মানুষ অনুসরণ শুরু করেছে।মা-বাবার প্রতি অবহেলার মূল কারণ হলো নৈতিক অবক্ষয়, ধর্মবিমুখ, ধর্মীয় অনুশাসন থেকে দূরে সরে যাওয়া এবং দুনিয়াবী শিক্ষিত হলেও নৈতিক শিক্ষার ঘাটতি এ ক্ষেত্রে অন্যতম বড় কারণ এবং যান্ত্রিক জীবনযাপন। ভোগবাদী মানসিকত...
বিশ্ববিদ্যালয়কে বিশ্ব রেঙ্ককিংয়ে নিতে শিক্ষায় সর্বোচ্চ বাজেট এবং সবচে’ মেধাবীদেরকে নিয়োগ অত্যাবশ্যক
অভিমত, শিক্ষাঙ্গন, সর্বশেষ

বিশ্ববিদ্যালয়কে বিশ্ব রেঙ্ককিংয়ে নিতে শিক্ষায় সর্বোচ্চ বাজেট এবং সবচে’ মেধাবীদেরকে নিয়োগ অত্যাবশ্যক

|| প্রফেসর ড. আ ব ম সাইফুল ইসলাম সিদ্দিকী ||বর্তমান সরকারের মাননীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী দেশের একটি বনেদী পরিবারের সন্তান। তিনি বিশ্বসেরা বিশ্ববিদ্যাল অক্সফোর্ডের গ্রাজুয়েট।শুধু তাই নয় তিনি দেশের সবচাইতে বড় একটি সেক্টর শিক্ষা বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত দ্বিতীয় সেরা ব্যক্তি মাননীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী।তিনি যদি এ দায়িত্বে না থাকতেন বা না হতেন তিনি অক্সফোর্ডের গ্রাজুয়েট এবং হতেন একটি সাধারণ পরিবারের কেউ তাহলে তার সম্পর্কে এত কথা আসতো না।বাবা হয়ে যদি সন্তানকে অথর্ব কুলাঙ্গার অকর্মণ্য ইত্যাদি বলে গালি দেয় তাহলে এই ব্যর্থতার দায়ভার ১০০% না হলেও ৯৯% ভাগ হলো বাবার। তিনি এবিষয়টিকে কোনোভাবেই এড়িয়ে যেতে পারেন না।ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মান অবশ্যই অক্সফোর্ডের সমান নয়। এটা ১০০% সত্য। কিন্তু সেই মানে পৌঁছানোর দায়িত্ব শিক্ষা বিষয়ক দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী প্রতি-মন্ত্রীর না শিক...