
|| আহম্মেদ সায়েম | বকশীগঞ্জ (জামালপুর) প্রতিনিধি ||
জামালপুরের বকশীগঞ্জের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ঘেরা লাউচাপড়া পর্যটনকেন্দ্রকে আরও আকর্ষণীয় ও পর্যটনবান্ধব করে তুলতে উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়ে কনসালটেশন সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় অবকাঠামো উন্নয়ন, পর্যটকদের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি এবং স্থানীয় অর্থনীতি ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টিতে লাউচাপড়ার সম্ভাবনা কাজে লাগানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) বকশীগঞ্জ উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ফররুখ আহমদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের পরিচালক (পরিকল্পনা) আবু সেলিম মাহমুদ-উল হাসান। সভায় সভাপতিত্ব করেন বকশীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুরাদ হোসেন।
সভায় লাউচাপড়া পর্যটনকেন্দ্রের বিদ্যমান অবস্থা, সম্ভাবনা, অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং পর্যটকদের জন্য প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা বাড়ানোর বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়। পাশাপাশি পর্যটনকেন্দ্রটির সার্বিক উন্নয়নে করণীয় নির্ধারণে সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক ব্যক্তি ও স্থানীয় প্রতিনিধিদের মতামত নেওয়া হয়।
সভায় ময়মনসিংহ বিভাগীয় বন কর্মকর্তা কাজী মোহাম্মদ নুরুল করিম, বকশীগঞ্জের সহকারী কমিশনার (ভূমি) আসমা উল হুসনা, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম, জামালপুর জজ কোর্টের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) ও পৌর বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট আনিসুজ্জামান, উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি অ্যাডভোকেট মোকাম্মেল হোসেন ও আকতার হোসেন বক্তব্য দেন।
এ ছাড়া উপজেলা বিআরডিবি কর্মকর্তা সোয়াইব আজমি, জেলা পরিষদের প্রতিনিধি শাহ জহুরুল ইসলাম, ধানুয়া কামালপুর ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান গোলাপ জামাল, বগারচর ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সোহেল রানা পলাশ, ধানুয়া কামালপুর কো-অপারেটিভ উচ্চবিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক মেসবাউল হক তুহিন, হোটেল ব্যবসায়ী মোবারক হোসেন, আদিবাসী নেতা জয় দাংগো ও খোকন সাংমা, প্রেসক্লাব বকশীগঞ্জের সভাপতি রাশেদুল ইসলাম রনি এবং উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক জিএম ফাতিউল ইসলাম বাবুসহ স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
বক্তারা বলেন, লাউচাপড়ার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও পর্যটন সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে পরিকল্পিতভাবে পর্যটনকেন্দ্রটির উন্নয়ন করা গেলে এটি আরও আকর্ষণীয় গন্তব্যে পরিণত হতে পারে। এর মাধ্যমে স্থানীয় অর্থনীতির প্রসার ঘটার পাশাপাশি নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হতে পারে।
সভায় লাউচাপড়াকে পরিকল্পিতভাবে উন্নত করে পর্যটকদের জন্য নিরাপদ, আধুনিক ও আকর্ষণীয় পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
