রবিবার, জুন ২১

গ্রিন মডেল টাউনে ডিআইআইটির স্থায়ী ক্যাম্পাসের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন

|| নিজস্ব প্রতিবেদক ||

ঢাকার মান্ডাস্থ গ্রিন মডেল টাউনে ডেফোডিল ইনস্টিটিউট অব আইটি (ডিআইআইটি) তাদের নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাসের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছে। গতকাল শনিবার (২০ জুন) এক জমকালো অনুষ্ঠানের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি উচ্চশিক্ষার বিস্তার ও আধুনিক শিক্ষা পরিবেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে এই নতুন মাইলফলক স্পর্শ করে।

ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. এ.এস.এম. আমানুল্লাহ।

ডেফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ট্রাস্টি বোর্ড ও ড্যাফোডিল গ্রুপের চেয়ারম্যান ড. মো. সবুর খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ডিআইআইটি-এর বোর্ড অব গভর্নরস-এর সভাপতি প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আল আমিন, অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. মোহাম্মদ শাখাওয়াত হোসেন, ড্যাফোডিল পরিবারের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ড. মোহাম্মদ নুরুজ্জামান এবং ডিআইআইটি’র উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মো. মোস্তফা কামালসহ বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থীবৃন্দ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. এ.এস.এম. আমানুল্লাহ বলেন, “জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় দক্ষতাভিত্তিক ও কর্মমুখী শিক্ষার ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্বারোপ করেছে। বর্তমান সরকার দেশের বেকারত্ব দূরীকরণ ও আন্তর্জাতিক চাহিদা পূরণে প্রতিবছর দুই লাখ দক্ষ গ্র্যাজুয়েট তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে, যার মধ্যে ৫০ হাজার কারিগরি দক্ষতাসম্পন্ন মহিলা ফ্রিল্যান্সার রয়েছেন।”

সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ বিশ্ববাজারে হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্টের বিশাল চাহিদার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ডিআইআইটি দক্ষ গ্র্যাজুয়েট তৈরিতে অতীতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে এবং ভবিষ্যতেও এই ধারা বজায় রাখবে। এই অগ্রযাত্রায় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি আশ্বাস দেন।

সভাপতির বক্তব্যে ড. মো. সবুর খান বলেন, “প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া যে উদ্দেশ্যে তৃণমূল পর্যায়ে উচ্চশিক্ষা বিস্তারের জন্য জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, আমাদের সেই লক্ষ্য পূরণে এগিয়ে যেতে হবে।” তিনি আরও যোগ করেন, বর্তমান যুগে শিক্ষার্থীদের ‘স্কিল ম্যাট্রিক্স’ বা দক্ষতার উন্নয়ন করতে না পারলে তারা স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক কর্মক্ষেত্রে টিকে থাকতে পারবে না।

ডিআইআইটি কর্তৃপক্ষ জানায়, আধুনিক সুযোগ-সুবিধাসম্পন্ন এই নতুন স্থায়ী ক্যাম্পাসটি শিক্ষাদান, গবেষণা, উদ্ভাবন এবং শিক্ষার্থীদের সামগ্রিক বিকাশের জন্য একটি সমৃদ্ধ পরিবেশ নিশ্চিত করবে। মানসম্মত শিক্ষা, উদ্ভাবন ও শিল্প-প্রাসঙ্গিক দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সক্ষম ও নেতৃত্বগুণসম্পন্ন গ্র্যাজুয়েট তৈরিতে ডিআইআইটি নিরলসভাবে কাজ করে যাবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *