মঙ্গলবার, জুন ৩০

খুলনায় জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন

|| এস এম শাহরিয়ার | জেলা প্রতিনিধি (খুলনা) ||

একটি শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাপসুল খাওয়ানোর মধ্য দিয়ে খুলনা মহানগরীতে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন করা হয়েছে। রবিবার (২৮ জুন) সকাল সাড়ে ১০টায় খুলনা সিটি করপোরেশন (কেসিসি) পরিচালিত খালিশপুর কলেজিয়েট গার্লস স্কুলে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন কেসিসি প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, শিশুদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় সরকার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। সম্প্রতি হাম ও রুবেলার প্রাদুর্ভাব দেখা দিলে সরকার দ্রুত শিশুদের টিকার আওতায় নিয়ে এসেছে। তিনি মহানগরীর প্রতিটি শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাপসুল খাওয়ানোর জন্য অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানান এবং একটি শিশুও যেন এ কর্মসূচির বাইরে না থাকে, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন।

কেসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রাজিব আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন প্রধান প্রকৌশলী মশিউজ্জামান খান, রোগতত্ত্ব বিভাগের বিভাগীয় সহকারী পরিচালক অর্পণা বিশ্বাস, কেসিসির সচিব মো. রেজা রশীদ, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা রহিমা সুলতানা বুশরা, সিভিল সার্জন ডা. মাহফুজা খানম, এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল্লাহ আল ইমরান, খালিশপুর কলেজিয়েট গার্লস স্কুলের অধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. শহিদুল ইসলাম, পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের উপপরিচালক মো. আকিব উদ্দিন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বিভাগীয় সমন্বয়কারী ডা. মো. আরিফুর রহমান, থানা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. শাহজাহান, ইউনিসেফের ইপিআই স্পেশালিস্ট তাপস কুমার বিশ্বাস এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সার্ভিল্যান্স ইমিউনাইজেশন মেডিকেল অফিসার নাজমুর রহমান সজিব। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন কেসিসির প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. শরীফ শাম্মীউল ইসলাম।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাপসুল শিশুদের অন্ধত্ব প্রতিরোধ, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি এবং স্বাভাবিক শারীরিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। মহানগরীর ৩১টি ওয়ার্ডকে চারটি জোনে ভাগ করে ৬৩০টি কেন্দ্রে এ ক্যাম্পেইন পরিচালিত হচ্ছে। এছাড়া ৮০টি মোবাইল টিমও মাঠে কাজ করছে।

এবারের ক্যাম্পেইনে ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী ১২ হাজার ৩৩৭ জন এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী ৯৬ হাজার ৬৫৫ জন শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। কর্মসূচি বাস্তবায়নে ৬২ জন সুপারভাইজারের তত্ত্বাবধানে এক হাজার ৪২০ জন স্বেচ্ছাসেবক দায়িত্ব পালন করছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *