
|| নিজস্ব প্রতিবেদক ||
সাইবার নিরাপত্তা সচেতনতা মাসের সমাপনী আয়োজন হিসেবে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির (ডিআইইউ) সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধীন সাইবার সিকিউরিটি সেন্টার (সিএসসি) আয়োজন করে ‘সাইবার সিকিউরিটি মাল্টি-স্টেকহোল্ডার রেজিলিয়েন্স রাউন্ডটেবিল ডিসকাশন’ শীর্ষক এক গোলটেবিল আলোচনা। “From Dark Web Exposure to National Cyber Crisis: Is Bangladesh Prepared?” শীর্ষক এই আলোচনায় দেশের সাইবার নিরাপত্তা প্রস্তুতি, উদীয়মান হুমকি মোকাবিলা এবং জাতীয় পর্যায়ে সাইবার সহনশীলতা জোরদার করার বিষয়ে শিক্ষাবিদ, সরকারি কর্মকর্তা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের অংশগ্রহণে বিষদ আলোচনা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডিআইইউর প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোহাম্মদ মাসুম ইকবাল। বিশেষ অতিথি ছিলেন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মো. ফখরায় হোসেন। সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রধান প্রফেসর ড. ইমরান মাহমুদের সভাপতিত্বে আলোচনা পর্বটি সঞ্চালনা করেন সাইবার সিকিউরিটি সেন্টারের পরিচালক ও সহযোগী অধ্যাপক ড. রুবাইয়াত ইসলাম। অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সাইবার সিকিউরিটিতে এমএসসি প্রোগ্রামের কো-অর্ডিনেটর প্রফেসর ড. এ. এইচ. এম. সাইফুল্লাহ সাদী এবং সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল তানভীর আহমেদ জোহা।
গোলটেবিল আলোচনায় বিটিআরসির সিনিয়র সহকারী পরিচালক জাকারিয়া ভূঁইয়া, বাংলাদেশ ব্যাংকের জয়েন্ট ডিরেক্টর (আইসিটি) ড. নুরুল্লাহ শাহিন, ডিএমপির ডিবি সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল বিভাগের ডেপুটি কমিশনার মো. তরিকুল ইসলাম, সিটিটিসি ইউনিটের সহকারী পুলিশ কমিশনার মোস্তাফিজুর রহমান ও মোহাম্মদ সাইফুর রহমান, এনসিএসএর সহকারী পরিচালক জসিম উদ্দিন এবং বিজিডি ই-গভ সার্টের ইনফরমেশন সিকিউরিটি স্পেশালিস্ট মো. বাহাউদ্দিন পলাশ ও ইনসিডেন্ট হ্যান্ডলার মুকুল আহমেদসহ সংশ্লিষ্ট খাতের ঊর্ধ্বতন প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।
আলোচনায় ডার্ক ওয়েবে তথ্য উন্মুক্ত হওয়ার ঝুঁকি এবং তা কীভাবে জাতীয় সংকটে রূপ নিতে পারে, সে বিষয়ে আলোকপাত করা হয়। বক্তারা সাইবার আক্রমণ মোকাবিলায় দ্রুত প্রতিক্রিয়া, প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন খাতের মধ্যে কার্যকর সমন্বয়ের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। অনুষ্ঠানে ডার্ক ওয়েবভিত্তিক সাইবার নিরাপত্তা বিষয়ে ডিআইইউ শিক্ষার্থীদের নিজস্ব উদ্ভাবনী গবেষণা ও প্রকল্পও উপস্থাপন করা হয়। পরিশেষে, দক্ষ জনবল সৃষ্টি, সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সমন্বিত সহযোগিতার মাধ্যমে দেশের ডিজিটাল ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত রাখার অঙ্গীকার ব্যক্ত করা হয়।
