
|| আন্তর্জাতিক ডেস্ক ||
ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ানের সঙ্গে বৈঠকে বসার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে চলতি সপ্তাহে দুজনই নিউইয়র্কে অবস্থান করার কথা রয়েছে। তবে ট্রাম্পের এই আলোচনার সংকেতের মাঝেই যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য নতুন যেকোনো হামলার বিরুদ্ধে কঠোর ও পাল্টা ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরানের সামরিক বাহিনী।
রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জাতিসংঘের অধিবেশনের ফাঁকে পেজেশকিয়ানের সঙ্গে বৈঠকের সম্ভাবনা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে ট্রাম্প জানান, তিনি ‘সম্ভবত’ এ বিষয়ে আগ্রহী। তবে পরবর্তী পদক্ষেপ হিসেবে অর্থনৈতিক চাপ বাড়ানো, সামরিক পদক্ষেপ গ্রহণ কিংবা চুক্তিতে পৌঁছানোর বিকল্পগুলো এখনো তাঁর বিবেচনায় রয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
অন্যদিকে, ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সচিব মোহসেন রেজাই জানান, মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে ওয়াশিংটনের কাছে সাতটি শর্ত পাঠিয়েছে তেহরান। এর মধ্যে রয়েছে সব ফ্রন্টে সামরিক অভিযান বন্ধ, ইরানের জব্দকৃত সম্পদ মুক্ত করা এবং ইরানি বন্দরগুলোর ওপর থেকে মার্কিন নৌ অবরোধ প্রত্যাহার। বর্তমানে কাতার ও তুরস্কসহ কয়েকটি দেশ দুই দেশের মধ্যকার চলমান উত্তেজনা প্রশমণে মধ্যস্থতার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
তবে একই সঙ্গে ইরানের খাতাম আল-আনবিয়া কেন্দ্রীয় সদর দপ্তর সতর্ক করে জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র বা তার মিত্ররা নতুন করে কোনো হামলা চালালে মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটি ও স্বার্থে ‘ব্যথাদায়ক’ পাল্টা আঘাত হানা হবে।
জাতিসংঘ অধিবেশনের পাশাপাশি ডোনাল্ড ট্রাম্প সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, বাহরাইন, কুয়েত ও ওমানের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গেও বৈঠক করতে পারেন, যেখানে ইরান পরিস্থিতি ও আঞ্চলিক সংকট নিয়ে আলোচনা হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
