Tuesday, July 21

‘বিয়েটা আর করতে হলো না’: আর্জেন্টিনার পরাজয়ে পরীমণি

|| বিনোদন ডেস্ক ||

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর ফাইনালে স্পেনের কাছে ১-০ গোলে হেরে শিরোপার স্বপ্ন ভেঙেছে আর্জেন্টিনার। আর সেই পরাজয়ের সঙ্গে আপাতত শেষ হয়ে গেছে ঢাকাই চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা পরীমণির বহুল আলোচিত ‘বিয়ের ঘোষণাও’। ফাইনাল খেলা শেষে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক প্রতিক্রিয়ায় তিনি রসিকতার সুরে লিখেছেন, ‘বিয়েটা আর করতে হলো না, এই আরকি। ভালোবাসার আর্জেন্টিনা, আবার দেখা হবে।’

পরীমণির এই পোস্ট মুহূর্তেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। তার ফেসবুক পোস্টটিতে ইতিমধ্যে ৫৫ হাজারের বেশি রিঅ্যাকশন এসেছে এবং মন্তব্যের ঘর বন্ধ থাকায় পোস্টটি সমানে শেয়ার করছেন ভক্তরা।

এ প্রসঙ্গে গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে পরীমণি বলেন, ‘ফাইনাল খেলার মধ্য দিয়ে যেন বিয়ের আগেই সব হিসাব-নিকাশ বদলে গেল। আর্জেন্টিনার জন্য মনটা খুব খারাপ। কারণ, এই দলের সঙ্গে ইমোশন ও ভালোবাসা—দুটোই জড়িয়ে আছে। তবে আমি মনে করি, হার মানেই শেষ নয়, নতুনভাবে শুরু করাও। ভালোবাসার আর্জেন্টিনা, তোমাদের জন্য অপেক্ষা থাকবে পরের বিশ্বকাপ পর্যন্ত। নিশ্চয়ই তোমরা আরও দারুণভাবে ফিরে আসবে। আর মেসি তো একটা মায়া, তার জন্য মন থেকে ভালোবাসা।’

উল্লেখ্য, এবারের পুরো বিশ্বকাপজুড়েই আর্জেন্টিনার সমর্থনে বেশ সক্রিয় ছিলেন পরীমণি। দলের প্রতিটি জয় তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উদ্‌যাপন করেছেন। কখনো আকাশি-সাদা জার্সি পরে ভিডিও প্রকাশ করেছেন, আবার কখনো মেসিকে নিয়ে নিজের ভালো লাগার কথা জানিয়েছেন বিভিন্ন পোস্টে।

এর আগে গত বুধবার দিবাগত রাতে আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড সেমিফাইনাল ম্যাচের আগে দেওয়া একটি ফেসবুক পোস্ট ঘিরে ব্যাপক আলোচনার সূত্রপাত হয়। সেখানে তিনি লিখেছিলেন, ‘আর্জেন্টিনা কাপ জিতলে আমি আবার একটা বিয়া করব। ফাইনাল।’ মজার ছলে দেওয়া সেই ঘোষণাটি অল্প সময়েই ভাইরাল হয়ে যায়। অবশ্য ওই পোস্ট নিয়ে কিছুটা বিব্রত হওয়ার কথাও জানিয়েছিলেন পরীমণি। তিনি হাস্যরসের সঙ্গে জানান, আগে কখনো ঘোষণা দিয়ে বিয়ে না করলেও এবার এমন ঘোষণা দেওয়ার পর থেকে তার কাছে অসংখ্য বিয়ের প্রস্তাব আসতে শুরু করেছে, যা তিনি কল্পনাও করেননি।

তবে পুনরায় বিয়ে করা নিয়ে ভিন্ন কথা জানিয়েছেন এই নায়িকা। তিনি বলেন, ‘বিয়ের জন্য তো একজন অভিভাবক লাগে। আগে আমার অভিভাবক ছিল, এখন তো ওই পর্যায়ের কেউই নেই। ভাবছি, ছেলে বড় হোক, ছেলে বিয়েশাদি করুক। এরপর কিংবা তার আগে ছেলে যদি অভিভাবক হয়ে বিয়ে দেয়, তাহলেই বিয়ে করতে পারব।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *