
|| রবিউল আউয়াল | বদলগাছী (নওগাঁ) প্রতিনিধি ||
নওগাঁর বদলগাছীতে স্বামী ও সন্তানের স্বীকৃতির দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন মুক্তা পারভীন নামে এক ভুক্তভোগী নারী। তিনি উপজেলার রাজপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোস্তাক আহমেদ চৌধুরীর বিরুদ্ধে এই অভিযোগ তোলেন। গতকাল ৩ জুলাই (শুক্রবার) সকাল ১০টায় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি নিজের ও তার কন্যা সন্তানের অধিকার ফিরে পাওয়ার আকুতি জানান।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে মুক্তা পারভীন জানান, তিনি উপজেলার সদর ইউপির ভাতশাইল গ্রামের বাসিন্দা। ওই গ্রামের মৃত মতিন চৌধুরীর ছেলে প্রধান শিক্ষক মোস্তাক আহমেদ চৌধুরী তাকে প্রেমের জালে ফেলে সম্পর্কে জড়ান। পরবর্তীতে সাবেক স্বামী কিবরিয়াকে তালাক দেওয়ার পরামর্শ দিয়ে ২০১৮ সালের ৮ জুন প্রথমে ৪৯৯৯ টাকা কাবিনে মুক্তাকে বিয়ে করেন মোস্তাক। প্রথম স্ত্রী রেবেকা সুলতানার অগোচরে নওগাঁ শহরে বাসা ভাড়া নিয়ে তারা সংসার শুরু করেন। এরপর চলতি বছরের ৩০ জানুয়ারি ১০ লক্ষ টাকা দেনমোহরে পুনরায় তাদের বিয়ের কাবিন সম্পন্ন হয়।
মুক্তা পারভীন আরও জানান, তাদের সংসারে কানিজ ফাতেমা মৃমৃ নামে একটি কন্যা সন্তান রয়েছে, যার জন্ম ২০২১ সালের ৩ আগস্ট। কিন্তু বেশ কিছুদিন ধরে মোস্তাক আহমেদ হঠাৎ করেই তাদের খোঁজখবর নেওয়া এবং খোরপোশ দেওয়া বন্ধ করে দিয়েছেন। বর্তমানে সন্তানকে নিয়ে চরম অর্থকষ্টে ও অবহেলায় দিন কাটাচ্ছেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, মোস্তাক আহমেদ যদি শেষ পর্যন্ত তাকে ও তার সন্তানকে সামাজিক স্বীকৃতি না দেন, তবে তার আত্মহনন ছাড়া আর কোনো উপায় থাকবে না।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক মোস্তাক আহমেদ চৌধুরী জানান, তিনি নিয়মিত ভরণপোষণ দিয়ে আসছেন। তবে তার বড় স্ত্রী রেবেকা সুলতানা এই সম্পর্কটি মেনে না নেওয়ায় বর্তমানে কিছুটা পারিবারিক সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে।
