
|| তজুমদ্দিন (ভোলা) প্রতিনিধি ||
ভোলার তজুমদ্দিনে পাঁচ গরু বেপারীকে চুরি মামলা আসামি করে জেল খাটানোর প্রতিবাদে গরুর প্রকৃত মালিক নিয়ে হাজির হয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগীরা।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় তজুমদ্দিন প্রেসক্লাবে পাঁচ গরু বেপারী মোঃ সালাউদ্দিন, মোঃ বাচ্চু, মোঃ রেজাউল, মাকসুদ ও মোশাররফ এবং গরুর মালিক আঃ রহিম, শামসুদ্দিন ও কামালউদ্দিন এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন।
সংবাদ সম্মেলনে গরু বেপারী ও মালিকরা জানান, কোরবানি ঈদ উপলক্ষে কয়েকটি গরু কিনে হাতিয়া নেয়ার উদ্দেশ্যে চৌমুহনী ঘাটে নেয়া হয়। নদীতে জোয়ার ভাটার হিসেব অনুযায়ী রাতে গরুগুলোকে ট্রলারে উঠানোর সময় থানা পুলিশ হাজির হয়। এসময় পুলিশকে গরু কিনার রশিদ দেখানো হলেও আমাদের পাঁচজন বেপারিসহ পাঁচটি গরু থানায় নিয়ে আসেন এবং গরুর মালিক হাজির করার জন্য বলেন। সকালে গরুর মালিক থানায় হাজির হয়ে প্রমাণাদি পেশ করলেও অজ্ঞাত কারণে চুরি মামলায় আসামি করে পাঁচ জনকে জেল হাজতে পাঠানো হয়।
তারা আরো জানান, ১৫/২০ বছর যাবত আমরা হাট বাজারে গরু কেনা-বেচা করি। অথচ ষড়যন্ত্রমূলকভাবে চুরি মামলায় ২৯ দিন জেল খাটতে হয়েছে। আমরা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে এর প্রতিকার চাই।
সংবাদ সম্মেলনে গরুর মালিক আঃ রহিম বলেন, আমরা থানায় এসে প্রমাণসহ গরুর মালিকানা দাবী করলেও গরু ফেরত না দিয়ে বেপারীদের চুরি মামলায় হাজতে পাঠানো হয়েছে। চুরি বন্ধের জন্য পুলিশ প্রকৃত চোর ধরতে পারে না,অথচ মালিকানা প্রমাণ থাকার পরও বেপারীকে চোর বানানো হয়।
সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ মিজানুর রহমান জানান, রাতে পাচারের সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চৌমুহনী ঘাট থেকে গরুসহ পাঁচ জনকে আটক করে হাজতে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে মামলা রুজু হয়েছে। কোর্টের মাধ্যমে একটি গরু প্রকৃত মালিককে বুঝিয়ে দেয়া হয়েছে। বাকি চারটি থানা হেফাজতে আছে।
