
|| কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি ||
কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে প্রায় ২৩ লাখ টাকা মূল্যের বাজেয়াপ্ত ও মেয়াদোত্তীর্ণ বিভিন্ন পণ্য ধ্বংস করা হয়েছে। ধ্বংস করা পণ্যের মধ্যে ওষুধ, সার, খাদ্যদ্রব্য, তামাকজাত পণ্য, কারেন্ট জাল, শাড়ি, ওড়না, চাদর ও প্রসাধনী সামগ্রী রয়েছে। সব মিলিয়ে এসব পণ্যের ওজন প্রায় ১৫ হাজার ২০০ কেজি।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার জয়মনিরহাট ইউনিয়নের ছোট খাটামারী এলাকায় ভূরুঙ্গামারী কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট সার্কেল অফিসসংলগ্ন স্থানে এ কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।
কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট বিভাগ সূত্রে জানা যায়, বিভিন্ন সময় বাজেয়াপ্ত করা এবং মেয়াদোত্তীর্ণ এসব পণ্য ভূরুঙ্গামারী শুল্ক গুদামে সংরক্ষিত ছিল। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) স্থায়ী আদেশ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে পণ্যগুলো ধ্বংস করা হয়।
কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট রংপুরের কমিশনার মুহাম্মদ রাশেদুল আলমের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ধ্বংস কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
ধ্বংসযোগ্য পণ্য ধ্বংসকরণ কমিটির আহ্বায়ক ও রংপুর কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটের যুগ্ম কমিশনার মো. ফয়সাল বিন রহমান বলেন, ‘জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের স্থায়ী আদেশ অনুযায়ী সকল আইনি প্রক্রিয়া শেষে শুল্ক গুদামে সংরক্ষিত বাজেয়াপ্ত ও মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য ধ্বংস করা হয়েছে। স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে গর্ত করে এসব পণ্য মাটিচাপা দেওয়া হয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘ধ্বংস করা পণ্যের মোট ওজন প্রায় ১৫ হাজার ২০০ কেজি। এসব পণ্যের আনুমানিক মূল্য প্রায় ২৩ লাখ টাকা।’
ধ্বংস কার্যক্রমের সময় ধ্বংসকরণ কমিটির সদস্য সচিব ও কুড়িগ্রাম কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট বিভাগের সহকারী কমিশনার সাঈদুর রহমান মুন্না, সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল হক তারেক, নাগেশ্বরী সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার গোলাম মোর্শেদ, কুড়িগ্রাম ব্যাটালিয়ন (২২ বিজিবি)-এর সহকারী পরিচালক মতিউর রহমান, সোনাহাট স্থলবন্দরের সহকারী পরিচালক (ট্রাফিক) বদিউজ্জামান, কুড়িগ্রাম পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক রেজাউল করিম, কুড়িগ্রাম ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপসহকারী পরিচালক এনামুল হক, ভূরুঙ্গামারী কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট সার্কেলের রাজস্ব কর্মকর্তা জহির রায়হান সিদ্দিক এবং ভূরুঙ্গামারী শুল্ক গুদাম কর্মকর্তা জুনেদ আহমেদ উপস্থিত ছিলেন।
