Saturday, September 19

গাজীপুরে বিএনপিতে যোগ দিলেন এমপি প্রার্থী সীমান্ত

|| গাজীপুর প্রতিনিধি ||

গাজীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য এম মঞ্জুরুল করিম রনির হাতে ফুল দিয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলে (বিএনপি) যোগ দিয়েছেন একই আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী মোঃ শরিফুল ইসলাম সীমান্ত (৩০)।

শনিবার গাজীপুর মহানগরের ৫২ নং ওয়ার্ডের গুটিয়া গ্রামে গ্রীন বাংলা ইউথ ক্লাবের উদ্যোগে “ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি ও মাদকের ভয়াল গ্রাস থেকে যুব সমাজকে রক্ষায় আমাদের করণীয়” শীর্ষক এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এম মঞ্জুরুল করিম রনি। সেখানে আনুষ্ঠানিকভাবে বিএনপিতে যোগ দেন তরুণ এই রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব।

শরিফুল ইসলাম সীমান্ত জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের জার্নালিজম অ্যান্ড মিডিয়া স্টাডিজ বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী এবং দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিনের সাবেক স্টাফ রিপোর্টার। তিনি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সদ্য গঠিত ‘জনতার দল’ থেকে কলম প্রতীকে নির্বাচনে অংশ নিয়ে ১২ জন প্রার্থীর মধ্যে চতুর্থ স্থান অর্জন করেছিলেন।

যোগদান শেষে সীমান্ত বলেন, “বাংলাদেশের সকল সমস্যা ও সম্ভাবনার মূল হচ্ছে রাজনীতি। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের শহীদ ও আহতদের আত্মত্যাগকে যথাযথ মর্যাদা দিতে হলে সৎ, যোগ্য ও তরুণদের রাজনীতিতে আত্মনিয়োগ করতে হবে। তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশের অগ্রযাত্রাকে আরও বেগবান করতেই আমি বিএনপির রাজনীতিতে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।”

অনুষ্ঠানে গ্রীন বাংলা ইয়ুথ ক্লাবের প্রধান উপদেষ্টা ও গাজীপুর মহানগর ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মোঃ মাহমুদুল হাসান মিরন সভাপতিত্ব করেন। অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন গাজীপুর মহানগর বিএনপির সাবেক সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক আলহাজ্ব মাহবুবুল আলম শুক্কুর, সাবেক ১ম যুগ্ম আহ্বায়ক রাকিব উদ্দিন সরকার পাপ্পু, টঙ্গী পশ্চিম থানা বিএনপির আহ্বায়ক প্রভাষক বশির উদ্দিন, সদস্য সচিব ভিপি আসাদুজ্জামান নুর, টঙ্গী পূর্ব থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক গাজী সালাউদ্দিন এবং মহানগর যুবদলের আহ্বায়ক এজিএস সাজেদুল ইসলাম প্রমুখ।

অনুষ্ঠান শেষে সংসদ সদস্য মঞ্জুরুল করিম রনি স্থানীয় বাসিন্দাদের নানা দাবি-দাওয়া শোনেন এবং সমাধানের আশ্বাস দেন। এ সময় স্থানীয়রা ১১৪ বছরের পুরনো গুটিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে পর্যায়ক্রমে কলেজে রূপান্তর ও প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নির্মাণ, ৬০ বছর ধরে বসবাসরত গুশুলিয়ার ৫০টি পরিবারের উচ্ছেদ বন্ধ এবং গুটিয়া ব্রিজ থেকে ভাকরাল হয়ে বেরিবাঁধ পর্যন্ত সংযোগ সড়ক নির্মাণের দাবি জানান।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *