
|| নিজস্ব প্রতিবেদক ||
বিশ্বজুড়ে নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে আজ বুধবার (২৯ জুলাই) পালিত হচ্ছে ‘আন্তর্জাতিক বাঘ দিবস’। সুন্দরবনে সার্বিক বাঘের সংখ্যা কিছুটা বাড়লেও খাদ্যসংকট, চোরাশিকারি এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে প্রাণীটির অস্তিত্ব নিয়ে এখনো শঙ্কা কাটেনি।
সর্বশেষ ২০২৪ সালের জরিপ অনুযায়ী, সুন্দরবনে বাঘের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ১২৫টিতে, যা ২০১৮ সালের শুমারিতে ছিল ১১৪টি। এছাড়া জরিপে ২১টি বাঘশাবকের ছবিও পাওয়া গেছে। তবে বনের অভ্যন্তরে বড় নদ-নদী, সীমানা সংকোচন এবং শিকারিদের দৌরাত্ম্যে বাঘের প্রজনন ও স্বাভাবিক জীবনযাত্রা এখনো নানা চ্যালেঞ্জের মুখে। বন বিভাগের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ বছরে সুন্দরবনে ৯১টি বাঘের মৃত্যু হয়েছে এবং বাঘের আক্রমণে প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ৪২৫ জন বনজীবী। তবে আশার কথা হলো, ২০২৪ সালের পর সুন্দরবনে আর কোনো বাঘ মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি।
বাগেরহাটের পূর্ব সুন্দরবন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মো. রেজাউল করিম চৌধুরী জানান, সুন্দরবনের বাঘ রক্ষায় ড্রোনসহ আধুনিক স্মার্ট পেট্রলিং, মাটির উঁচু কেল্লা নির্মাণ, সুপেয় পানির পুকুর খনন এবং লোকালয় ঠেকাত ৭৫ কিলোমিটার দীর্ঘ বেড়া দেওয়া হয়েছে। এছাড়া প্রজনন মৌসুমে পর্যটক ও জেলে-বাওয়ালিদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা কার্যকর রয়েছে।
দিবসটি উপলক্ষে আজ রাজধানীতে কেন্দ্রীয় আয়োজনের পাশাপাশি সুন্দরবনের চারটি রেঞ্জে আলোচনা সভা ও সচেতনতামূলক বিভিন্ন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
