শনিবার, ফেব্রুয়ারি ২৮

অভিমত

আন্তর্জাতিক আরবী ভাষা দিবস: বাস্তবতা ও করণীয়
অভিমত, শিক্ষাঙ্গন, সর্বশেষ

আন্তর্জাতিক আরবী ভাষা দিবস: বাস্তবতা ও করণীয়

|| প্রফেসর ড. আ ব ম সাইফুল ইসলাম সিদ্দিকী ||আজ ১৮ ডিসেম্বর, আন্তর্জাতিক আরবী ভাষা দিবস। আমরা বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা এই দিবসকে সম্ভাব্য যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের চেষ্টা করছি কয়েক বছর থেকে।আমাদের উদ্দেশ্য যদি থাকে আরবি দৈনন্দিন জীবনে নয়; শুধু দিবস পালনে। তাহলে এ দিবস পালনে কোন যথার্থতা বা সার্থকতা নেই।আমাদের দেশে অনেক কামিল মাদ্রাসায় আরবি ভাষা সাহিত্যে অনার্স খোলা হয়েছে। দু/একটি সরকারি কলেজেও আরবি ভাষা সাহিত্যে অনার্স রয়েছে। বাংলাদেশের ছয়টি বিশ্ববিদ্যালয়ে আরবি বিভাগ রয়েছে। ভাষা ইনস্টিটিউটও রয়েছে কয়েকটি।কিন্তু আরবি ভাষা শিখা এবং এর আন্তর্জাতিকতা বিষয়ে আমাদের এ দেশীয় আরবি শিক্ষিতদের তেমন কোন পদক্ষেপ পরিলক্ষিত হয় না। কয়েক বছর থেকে শুধু এ দিবসটি পালন এবং আনুষ্ঠানিকতায় সীমাবদ্ধ রয়েছি আমরা। এর উন্নয়নে দৈনন্দিন জীবনে এর বাস্তবায়ন ...
স্বাধীনতার লক্ষ্য-উদ্দেশ্য পূরণ হয়েছে কতটুকু?
অভিমত, সর্বশেষ

স্বাধীনতার লক্ষ্য-উদ্দেশ্য পূরণ হয়েছে কতটুকু?

|| ডা. আনোয়ার সাদাত ||স্বাধীন বাংলাদেশ এদেশের মানুষের দীর্ঘদিনের সংগ্রাম-সাধনা ও অপরিসীম ত্যাগের ফল। অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতা, ন্যায়বিচার, সুশাসন, বৈষম্যহীন সমাজব্যবস্থা, শোষণ-বঞ্চনার অবসানের লক্ষ্যে স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয় হয়েছিল। অথচ এত বছর পরে এসে এখনো মানুষ এক অনিশ্চয়তার মধ্যে জীবন পার করছে। বাংলাদেশ এখনো দূর্নীতিতে পৃথিবীর শীর্ষ স্হানে অবস্থান করছে, যা অত্যন্ত দুঃখজনক।সাধারণ জনগণের প্রশ্ন- স্বাধীনতার এত বছর পরেও কি স্বাধীনতার মূল লক্ষ্যসহ অন্যান্য লক্ষ্য অর্জিত হয়েছে? স্বাধীনতা যুদ্ধের লক্ষ্য, সামাজিক ন্যায়বিচার, মানবিক মর্যাদা ও সাম্য নির্ধারণ করা হয়েছিল, তার বাস্তবায়ন কি ঘটেছে?বর্তমান বাস্তবতা হচ্ছে, জনগণের রাজনৈতিক ক্ষমতা আর জনগণের কাছে নেই। তা হরণ করা হয়েছে। তাদের ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছে। সামাজিক ন্যায়বিচার, মানবিক মর্যাদা ও সাম্য উধাও।দূর্নীতি, জুলুম অনিয়ম, অবিচার...
মুক্তিযুদ্ধ ও কিছু কথা
অভিমত, সর্বশেষ, সারাদেশ

মুক্তিযুদ্ধ ও কিছু কথা

|| বাপি সাহা ||মুক্তিযুদ্ধ আমার অহংকার। মুক্তিযুদ্ধকে সাথে নিয়ে বেঁচে থাকা এবং স্বপ্ন দেখা। স্বাধীন বাংলাদেশে যখন কোনো মুক্তিযোদ্ধাকে অপমানিত করা হয় অথবা হত্যা করা হয়, তখন ভাবতে অবাক লাগে—এই জন্যই কি আমাদের মুক্তিযুদ্ধ। একটি বিরাট পদক্ষেপ নিয়ে মুক্তিযুদ্ধ হয়েছিল। স্বাধীন ভূখণ্ড, আত্মমর্যাদার সাথে বেঁচে থাকা—এই জন্যই মুক্তিযুদ্ধ হয়েছিল। বাংলা মায়ের দামাল ছেলেরা রণহুঙ্কারে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল মুক্তিযুদ্ধে।বিপ্লব কখনোই একদিনে হয় না। পুঞ্জীভূত ক্ষোভ যুগে যুগে সঞ্চারিত হয়ে একদিন বিপ্লবে পরিণত হয়। মহান মুক্তিযুদ্ধ একদিনে সংগঠিত হয়নি। ১৯৪৭ সালে দেশ বিভক্ত হওয়ার পর থেকে বঞ্চনার শিকার হতে হতে ১৯৫২ সালের মাতৃভাষা আন্দোলনের ফলশ্রুতিতে স্বাধিকারের স্বপ্ন দেখতে শুরু করে পশ্চিম পাকিস্তানের নির্যাতনের শিকার পূর্ব পাকিস্তানের সাধারণ মানুষ, যা এই সংগ্রামকে আরও জোরালো করে তোলে। আন্দোলন তৈরি হয়েছিল, তারই ...
দেশে শান্তি শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা ও জনগণের নিরাপত্তা বিধান সরকারের এখন প্রথম ও প্রধান কর্তব্য হওয়া উচিৎ
অভিমত, সর্বশেষ

দেশে শান্তি শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা ও জনগণের নিরাপত্তা বিধান সরকারের এখন প্রথম ও প্রধান কর্তব্য হওয়া উচিৎ

|| ডা. আনোয়ার সাদাত ||সরকারের দায়িত্ব ও কর্তব্যের মধ্যে অন্যতম হলো দেশের নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। জন নিরাপত্তা কেবল আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার বিষয় নয়, বরং এটি একটি সমাজের শান্তি, স্থিতিশীলতা এবং উন্নয়নের ভিত্তি। বর্তমানে দেশে বিভিন্ন ধরনের অপরাধ বেড়ে যাওয়ায় এই বিষয়টি এখন গুরুত্ব পেয়েছে।বাংলাদেশের জন নিরাপত্তার বিষয়টি যদি আমরা দেখি, তবে দেখা যাবে প্রতিনিয়ত বিভিন্ন ধরনের অপরাধ যেমন খুন, হামলা, ছিনতাই, নারী নির্যাতন, মাদক ব্যবসা এবং সাইবার অপরাধ বেড়ে গেছে। এসব অপরাধের কারণে নাগরিকদের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যহত হচ্ছে এবং নিরাপত্তার বিষয়টি একটি দুঃচিন্তার কারণ হিসাবে দেখা দিয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে প্রশ্ন উঠছে, দেশের মানুষ কি আজ নিরাপদ? জন নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার কি ব্যর্থতার পরিচয় দিচ্ছে?জুলাই আন্দোলনের সম্মুখ সারীর যোদ্ধা ওসমান হাদীর উপর ন্যক্কারজনক হামলার বিষয়টি আরও জনগণকে ভাব...
মৈত্রীর ৫৪ বছর এবং মস্কোর–দিল্লি সফর
অভিমত, আন্তর্জাতিক, সর্বশেষ

মৈত্রীর ৫৪ বছর এবং মস্কোর–দিল্লি সফর

|| বাপি সাহা ||৬ ডিসেম্বর ১৯৭১—ভারতের লোকসভার অধিবেশন চলছে। টানটান উত্তেজনার মধ্যেই ভারতের প্রধানমন্ত্রী শ্রীমতি ইন্দিরা গান্ধী (মিসেস গান্ধী) প্রস্তুতি নিচ্ছেন লোকসভায় বক্তব্য রাখার। করতালি ও উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে বক্তব্য প্রদানের জন্য তিনি লোকসভার ট্রেজারি বেঞ্চের প্রধানমন্ত্রীর আসনে দাঁড়ালেন। স্বভাবসুলভ ভঙ্গিতে চারদিকে তাকিয়ে স্পিকারের দিকে তাকিয়ে তিনি বক্তব্য শুরু করলেন। বক্তব্য শুরু করতেই লোকসভার সব সদস্য টেবিল চাপড়াতে শুরু করেন। চিরাচরিত প্রথা ভেঙে লোকসভার স্পিকারও টেবিল চাপড়ে অভিনন্দন জানান ইন্দিরা গান্ধীকে।দৃঢ় কণ্ঠে ইন্দিরা গান্ধী ঘোষণা করেন—“ভারত সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি প্রদান করার।” তুমুল করতালির মধ্যে ইন্দিরা গান্ধীর ওই ঘোষণার ৬ ডিসেম্বর ২০২৫-এ পূর্ণ হলো ৫৪ বছর। স্বীকৃতির ৫৪ বছর, মৈত্রীর বন্ধনের ৫৪ বছর। বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথের ‘প্রিয়দর্শিনী...
ঐতিহাসিক বাবরি মসজিদ প্রতিষ্ঠা, ধ্বংস, বর্তমান অবস্হা ও নতুন ভিত্তি স্হাপন
অভিমত, ধর্ম ও দর্শন, সর্বশেষ

ঐতিহাসিক বাবরি মসজিদ প্রতিষ্ঠা, ধ্বংস, বর্তমান অবস্হা ও নতুন ভিত্তি স্হাপন

|| ডা. আনোয়ার সাদাত ||বাবরি মসজিদ ভারতের উত্তর প্রদেশে অবস্থিত অযোধ্যার একটি ঐতিহাসিক ধর্মীয় স্থাপনা। মুঘল সম্রাট বাবরের আমলে ১৫২৮ সালে এই মসজিদ নির্মিত হয়।১৯৯২ সালের ৬ ডিসেম্বর হাজার হাজার করসেবকের হাতে প্রায় পাঁচশত বছরের পুরনো ঐতিহাসিক মসজিদটি ভেঙে ফেলা হয়। এতে ভারতের ধর্মীয় সম্প্রীতি ও রাজনীতিতে গভীর প্রভাব ফেলে। ৩২ বছর অতিবাহিত হলেও ঘটনাটি আজও ভারতের রাজনীতি ও সমাজে গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হয়ে রয়েছে।১৯৯২ সালে অযোধ্যার বাবরি মসজিদ ভেঙ্গে ফেলা হয়েছিল। সেই জমিতে রামমন্দির নির্মাণ আর তার বদলে অন্য একটি জমি মসজিদ নির্মাণের জন্য দেওয়ার আদেশ দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট।অযোধ্যার বিতর্কিত ২.৭৭ একর জমি রামমন্দিরের জন্য ছেড়ে দেওয়ার পরিবর্তে ধন্নীপুর গ্রামে মুসলমানদের জন্য পাঁচ একর জমি দেওয়া হয়।সুপ্রিম কোর্টের ২০১৯ সালের সেই রায়ের পরেই খুব দ্রুত গতিতে যখন রামমন্দির গড়ে উঠেছে, তার উ...
রাজনীতি ও কূটনীতি
অভিমত, আন্তর্জাতিক, সর্বশেষ

রাজনীতি ও কূটনীতি

|| বাপি সাহা ||২০২৫ সাল অনেক ঘটনার জন্ম দিয়েছে বিশ্ব রাজনৈতিক অঙ্গনে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প অনেকটা আলোচিত হয়েছেন নিজের বক্তব্য ও সিদ্ধান্তের মাধ্যমে। বিতর্কিত সিদ্ধান্ত দিয়েছেন অনেক, যার ফলে বিশ্বের সাথে সম্পর্ক কিছুটা না—অনেকটাই খারাপ হয়েছে। নিজ রাষ্ট্রে নিজে অনেকটা নিন্দিত হয়েছেন সিদ্ধান্তের জটিলতায়। আফগানিস্তানে অযাচিতভাবে হস্তক্ষেপ করেছেন বাগরাম বিমানঘাঁটি নিয়ে। ইরানের সাথে যে বৈরিতা সৃষ্টি করেছেন তার খেসারত দিতে হয়েছে নানা ভাবে। উপমহাদেশের কূটনীতিতে বিভেদ টানার চেষ্টা করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।মার্কিন শুল্কনীতির ফলশ্রুতিতে অনেক দেশের সাথে সম্পর্ক এতটা খারাপ হয়েছে যে এখন মার্কিন অর্থনীতিতেও এর প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সেটি নিয়ে বেশ চিন্তিত—এটি মার্কিন অর্থনীতির বর্তমান অবস্থা লক্ষ্য করলেই টের পাওয়া যায়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স...
শুধু আবুল বাউলকে নয়: যেকোনো ধর্মানুসারীদের অনুভূতিতে আঘাতকারী দল-গোষ্ঠী নিষিদ্ধকরণ সময়ের দাবি
অভিমত, ধর্ম ও দর্শন, সর্বশেষ

শুধু আবুল বাউলকে নয়: যেকোনো ধর্মানুসারীদের অনুভূতিতে আঘাতকারী দল-গোষ্ঠী নিষিদ্ধকরণ সময়ের দাবি

|| প্রফেসর ড. আ ব ম সাইফুল ইসলাম সিদ্দিকী ||বাউলদের মূল আড্ডাখানা কুষ্টিয়া শহরের সেউরিয়াতে। সরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় তাদের জন্য বেশ কয়েক তলা বিশিষ্ট আস্তানাও তৈরি করে দেওয়া হয়েছে।প্রতিবছর শীতের শুরুতে সারা দেশের বাউলরা এখানে এসে কয়েকদিন ব্যাপী বলতে গেলে অর্ধ উলঙ্গ অবস্থায় নাচ গান ডলাডলি মাখামাখি প্রকাশ্যেই চলে এসব। এবার সরকারের পৃষ্ঠপোষকতায় প্রকাশ্যে গাঁজাসহ বিভিন্ন নিষিদ্ধ দ্রব্যেরও ব্যবহার চলে অবাধে।তারা যদি এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকতো তাও হতো তারা মুসলমানদের ঈমান আকিদা তাদের ধর্মীয় বিষয়াদি নিয়ে প্রকাশ চ্যালেঞ্জগুলো বক্তব্যও দিয়ে থাকে।কোনো দেশ সরকারি নিজস্ব অর্থে পরিচালিত হয় না। হয় সে দেশের জনগোষ্ঠীর টাকায়।এদেশ সংখ্যাগরিষ্ঠ ৯০% মুসলিমদের দেশ। দেশে ৯০% ভাগ মুসলিমদের হালাল অর্থ কর হিসেবে গ্রহণ করে দেশের এসব নিষিদ্ধ কাজে কি করে ব্যয় করে? মুসলিমদের ঈমান আকিদা ধর্ম...
ন্যায় বিচার পাওয়া প্রতিটি মানুষের অধিকার -ইলিয়াস হোসেন মাঝি
অভিমত, সর্বশেষ, সারাদেশ

ন্যায় বিচার পাওয়া প্রতিটি মানুষের অধিকার -ইলিয়াস হোসেন মাঝি

|| নিজস্ব প্রতিবেদক ||ন্যায় বিচার পাওয়া প্রতিটি মানুষের অধিকার বলে মন্তব্য করেছেন নাগরিক কেন্দ্রের সভাপতি মোঃ ইলিয়াস হোসেন মাঝি। আজ রবিবার (৩০ নভেম্বর) এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেছেন।ইলিয়াস হোসেন মাঝি বলেন, সমাজে যত অন্যায় অত্যাচার, এর মূলে রয়েছে ন্যায় বিচারহীনতা। ন্যায় বিচার হলো এমন একটি নৈতিক ও আদর্শগত ধারণা, যা কোনো পক্ষের প্রতি পক্ষপাতিত্ব না করে সঠিক, নিরপেক্ষ এবং আইনসম্মত বিচার করা। এটি সমাজের শান্তি, শৃঙ্খলা এবং স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।সাবেক ছাত্রনেতা ও নাগরিক কেন্দ্রের সভাপতি মোঃ ইলিয়াস হোসেন মাঝি আরো বলেন, দেশ একটা ভীষণ জাতীয় সংকটের মধ্যে রয়েছে। দেশের অর্থনীতি খারাপ অবস্থার মধ্যে আছে। রাষ্ট্র ব্যবস্থা এখনও বিপর্যয় কাটিয়ে উঠতে পারেনি। বর্তমানে স্বজনপ্রীতি মহামারীতে রূপ নিয়েছে। আদালত, প্রশাসন ও সামাজিক সুযোগ-সুবিধার ক্ষেত্রে মানুষ নিজ...
“দক্ষিণ এশিয়ার রাজনৈতিক অস্থিরতা, কূটনৈতিক টানাপোড়েন ও আঞ্চলিক সম্পর্কের বাস্তব চিত্র”
অভিমত, আন্তর্জাতিক, সর্বশেষ

“দক্ষিণ এশিয়ার রাজনৈতিক অস্থিরতা, কূটনৈতিক টানাপোড়েন ও আঞ্চলিক সম্পর্কের বাস্তব চিত্র”

|| বাপি সাহা ||পরিবেশ ও পরিস্থিতির উপর নির্ভর করে রাজনীতি ও কূটনৈতিক অবস্থার পরিবর্তন হয়ে থাকে। রাজনীতি ও কূটনৈতিক ক্ষেত্রে শেষ বলে কোনও বাক্য বা শব্দ নেই। রাজনীতি একটি চলমান প্রক্রিয়া। কূটনীতিও একটি চলমান প্রক্রিয়া। অনেকটা হঠাৎ করে পাকিস্তানের রাজনৈতিক পরিস্থিতি পাল্টে যেতে শুরু করেছে। ধোঁয়াশা সৃষ্টি হয়েছে ইমরান খানকে নিয়ে।বিশ্লেষকদের মতে, পাকিস্তান একটি সংকটের সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে। মূল্যস্ফীতির চরমে অবস্থান করছে পাকিস্তান। সম্প্রতি পাকিস্তানে চিনির মূল্য লাগামহীন ছিল, যা নিয়ে অনেক আলোচনা হয়েছে। পাকিস্তানের ইমরান খানের বর্তমান অবস্থান নিয়ে অনেক ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। ইমরানের পুত্র কিছুটা ক্ষুব্ধ এবং উদ্বেগ প্রকাশ করে কথা বলেছেন গণমাধ্যমে। ইমরান খানকে নিয়ে জল্পনা-কল্পনা থামছে না। অবশেষে মুখ খুলেছেন প্রাক্তন পাক প্রধানমন্ত্রীর কনিষ্ঠ পুত্র এবং বোন।বৃহস্পতিবার পাকিস্তানের আদিয়ালা...