শনিবার, ফেব্রুয়ারি ২৮

অভিমত

নির্বাচনের পূর্বে রাজনৈতিক দলগুলোর অসহিষ্ণু আচরণ, পরিবর্তনের বাংলাদেশ গড়ার আকাঙ্খাবিরোধী
অভিমত, রাজনীতি, সর্বশেষ

নির্বাচনের পূর্বে রাজনৈতিক দলগুলোর অসহিষ্ণু আচরণ, পরিবর্তনের বাংলাদেশ গড়ার আকাঙ্খাবিরোধী

|| ডা. আনোয়ার সাদাত ||দীর্ঘ দিন ধরে বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য অধীর অপেক্ষায়। নির্বাচনের আগে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী বা দল তাদের পক্ষে প্রচারণা চালায় বা জনগনের কাছে তাদের ইশতেহার তুলে ধরে এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু মাঠে যদি সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ে এটা দুঃখ জনক।প্রকাশিত খবরে জানা যায়, বিভিন্ন জেলায় নির্বাচনী পরিবেশ ক্রমে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। কোথাও স্বতন্ত্র ও জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীর ওপর হামলা এবং ব্যানার-ফেস্টুন ভাঙচুর করে আগুনে পুড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। কোথাও বিএনপি-জামায়াতের সংঘর্ষে আহত হয়েছেন দুই দলের নেতাকর্মী। আবার কোথাও হুমকি দিয়ে ভোটারদের ভয় দেখানো হচ্ছে। এগুলো চব্বিশ পরবর্তী খুবই হতাশাজনক।আশঙ্কার বিষয় হলো– আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এ পরিস্থিতি পুরাপুরি নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে না। সব মিলিয়ে কিন্তু সাধারণ মানুষের মধ্যে এক ধরনের আতঙ্ক ও আশংকা থেকেই যাচ্ছে। ভয় আবার ফি...
রামপাল পাওয়ার প্লান্ট ও আমাদের বিদ্যুৎখাত
অভিমত, বাণিজ্য ও অর্থনীতি, সর্বশেষ, সারাদেশ

রামপাল পাওয়ার প্লান্ট ও আমাদের বিদ্যুৎখাত

|| বাপি সাহা ||বিদ্যুৎ উন্নয়নের জন্য একটি অপরিহার্য অংশ। আমাদের স্বাভাবিক জীবনযাত্রার জন্য বিদ্যুৎ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। বাংলাদেশের উন্নয়নে রামপাল পাওয়ার প্লান্ট বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে চলেছে। রামপাল পাওয়ার প্লান্টটি যখন নির্মিত হয়েছিল, তখন অনেক হতাশার বাণী প্রকাশিত হয়েছিল, যদিও পাওয়ার প্লান্টটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলটি সব সময় ছিল অবহেলিত ও উপেক্ষিত, তারপরও কিছু প্রাপ্তি এই অঞ্চলের মানুষকে উদ্দীপ্ত করে তোলে। রামপাল পাওয়ার প্লান্ট প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে বাংলাদেশের উন্নয়নে ভূমিকা রেখে চলেছে। রেকর্ড পরিমাণ বিদ্যুৎ উৎপাদন এবং তা সরবরাহের মাধ্যমে আমাদের উন্নয়নে এক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে চলেছে।একদিকে এই পাওয়ার প্লান্টের মাধ্যমে যেমন জীবন-জীবিকার সংস্থান হয়েছে, ঠিক তেমনিভাবে উন্নয়নের অগ্রযাত্রায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে চলেছে। বাংলাদেশের বিদ...
পরিবর্তনশীল ভূ-রাজনীতির কথা এবং আমরা
অভিমত, আন্তর্জাতিক, সর্বশেষ

পরিবর্তনশীল ভূ-রাজনীতির কথা এবং আমরা

|| বাপি সাহা ||ডোনাল্ড ট্রাম্প ২০২৫ সালে আলোচনার শিরোনাম ছিলেন। আগ্রাসী করনীতির মাধ্যমে অনেক দেশকে নতজানু করার সর্বশেষ চেষ্টাটি তিনি করেছেন। নিজে যেমন বিতর্কে জড়িয়েছেন, তার থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে কল্যাণমূলক রাষ্ট্রের জায়গা থেকে গুটিয়ে নেওয়ার উদ্যোগ ছাড়া আর কিছু নয়। ডোনাল্ড ট্রাম্প অনেকটা প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হয়েছেন যে যেভাবেই হোক নতজানু নীতি নিয়ে তিনি বিশ্বের সকল দেশকে নিজের হাতের মধ্যে নিয়ে আসার চেষ্টার কমতি রাখবেন না।ভেনেজুয়েলার ঘটনা সারা বিশ্বে সাড়া ফেলে দিয়েছে। বিভিন্ন ইস্যুতে মার্কিন সামরিক বাহিনী যে কাজটি সম্পাদন করেছে, সেটি কতটুকু যুক্তিপূর্ণ, তা নিয়ে ভাবতে হবে। মার্কিন জনগণ কিন্তু এই পদক্ষেপ নিয়ে মোটেই সন্তুষ্ট নয়। বিশ্ব বাণিজ্যে অনেকটা চাপ সৃষ্টির লক্ষ্যে ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন ঢাক-ঢোল পিটিয়ে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রশাসন যেভাবে আগ্রাসী ভূমিকায় অবতীর্ণ...
ইরানের বর্তমান পরিস্থিতি কি ইরানের ইসলামী বিপ্লবকে নস্যাত করার ষড়যন্ত্র?
অভিমত, আন্তর্জাতিক, সর্বশেষ

ইরানের বর্তমান পরিস্থিতি কি ইরানের ইসলামী বিপ্লবকে নস্যাত করার ষড়যন্ত্র?

|| ডা. আনোয়ার সাদাত ||ইরানে গত ২৮ ডিসেম্বর, ২০২৫ অর্থনীতি ও জীবনযাত্রার ব্যয় নিয়ে বিক্ষোভ শুরু হয়। ৩ জানুয়ারি থেকে তা দেশব্যাপী ছড়িয়ে পড়ে। দেশটিতে বর্তমানে চরম অস্থিরতা বিরাজ করছে।১৯৭৯ সালে ইসলামি বিপ্লবের পর দেশটিতে পশ্চিমা সমর্থিত শাহ মোহাম্মদ রেজা পাহলভি ক্ষমতাচ্যুত হয়ে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যায়।আয়াতুল্লাহ ইমাম খোমেনির নেতৃত্বে সেই বিপ্লব রাজতন্ত্রের পতন ঘটিয়ে ইসলামি প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করে।ইরানে টানা দুই সপ্তাহের বেশি সময় ধরে চলা বিক্ষোভের মুখে কঠোর অবস্থানের ইঙ্গিত দিয়েছেন দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। তিনি স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, এই পরিস্থিতিতে ইরানের সরকার কোনোভাবেই পিছু হটবে না। বরং বিক্ষোভের জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে দায়ী করে তিনি বলেছেন, দেশের অভ্যন্তরীণ অস্থিরতা উসকে দিতে বিদেশি শক্তি সক্রিয়ভাবে কাজ করছে।শুক্রবার জাতির উদ্দেশে দেওয়া এক ভাষণে আলী খামেনি বলেন, সা...
শান্তিকামী ট্রাম্পের উদ্দেশ্য কি? একটু ভাবতে হবে
অভিমত, আন্তর্জাতিক, সর্বশেষ

শান্তিকামী ট্রাম্পের উদ্দেশ্য কি? একটু ভাবতে হবে

|| বাপি সাহা ||ডোনাল্ড ট্রাম্প নির্বাচিত হবার পর থেকেই অনেক ঘটনার জন্ম দিয়েছেন। বৃহৎ দেশের প্রধান হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করার এক চেষ্টা তো অবশ্যই থাকবে। নৈতিক ও অনৈতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের সিদ্ধহস্ত হিসাবে তিনি নিজেকে প্রতিষ্ঠা করেছেন। শুল্ক আরোপের মাধ্যমে নিজেকে আলোচনায় নিয়ে এসেছেন। ২০২৫-কে স্মরণীয় করে রেখেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প নানা ঘটনার জন্ম দিয়ে। অনেকটা বাজনা বাজিয়ে নিজে আগ্রাসী করনীতির ঘোষণা দিয়ে নিজে আলোচিত হয়েছেন এবং গোটা যুক্তরাষ্ট্রকে আলোচনার মধ্যে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছেন। যদিও আমেরিকার নাগরিকরা কিন্তু সেটা ভালোভাবে নিতে পারেনি। আগ্রাসী করনীতির ফলে অনেক দেশের সঙ্গে সম্পর্ক রীতিমতো করুণ পরিণতির দিকে চলে গেছে। বিশ্ব এখন বিভক্ত হয়েছে দুটি ভাগে। কোন কোন দেশ নিরপেক্ষ থাকার চেষ্টা করছে আবার কেউ হয়তোবা চেষ্টা করছে সমঝোতা করার। যাই হোক, সমঝোতা করলেও নিজের কথা অনেকটা ভুলে যেত...
পরিবর্তনশীল ভূ-রাজনীত ও কিছু কথা
অভিমত, সর্বশেষ

পরিবর্তনশীল ভূ-রাজনীত ও কিছু কথা

|| বাপি সাহা ||বাংলাদেশ এখনও শোকাহত। দীর্ঘদিনে পরিক্ষীত নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যু শোক দেশ এখানো কাটিয়ে উঠতে পারেনি। সর্বস্তরের জনগণের শ্রদ্ধা এবং ভালবাসায় তিনি সিক্ত হয়েছেন। সমাহিত হয়েছেন স্বামী মরহুম প্রেসিডেন্ট শহীদ প্রেসিডেন্ট বীর মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমান-এর পাশে। ঝড়ের মধ্যে দেশ শাসনের ভার নিয়ে ছিলেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান। স্বামীর পাশে ছিলেন মৃত্যুর পরও তিনি স্বামীর পাশে সমাহিত হলেন। সংসার সামলিয়ে রাষ্ট্রনায়কের পাশে থেকে সাহস প্রদান করা এবং দেশ-বিদেশের রাষ্ট্রনায়কদের সাথে মতবিনিময় পর্যায়ে থাকাটা কি কম কথা? বিপথগামীদের হাতে নিহত হবার পর বাংলাদেশের বৃহত্তম রাজনৈতিক দলের হাল ধরাটা কি কম কথা। নেতৃত্ব প্রদান করা কিন্তু কঠিন বিষয়। দলকে শৃঙ্খলাবদ্ধ রাখার যে দায়িত্ব সেটি কিন্তু পরিপূর্ণভাবে পালন করেছেন তিনি। দীর্ঘদিন ক্ষমতার বাইরে থাকার পরেও দল ছিল সংগঠিত। কনিষ্ঠ পুত্র বিয়োগে...
স্বতন্ত্র প্রার্থীর ১% ভোটারের স্বাক্ষর বাধ্যবাধকতা নিয়ে প্রশ্ন: ভোটের গোপনীয়তা কি ঝুঁকিতে?
অভিমত, জাতীয়, সর্বশেষ

স্বতন্ত্র প্রার্থীর ১% ভোটারের স্বাক্ষর বাধ্যবাধকতা নিয়ে প্রশ্ন: ভোটের গোপনীয়তা কি ঝুঁকিতে?

|| জাহিদ খান | কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধি ||স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিতে হলে মোট ভোটারের অন্তত ১ শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষর সংগ্রহ করে জমা দেওয়ার বিধান নিয়ে রাজনৈতিক ও নাগরিক মহলে প্রশ্ন উঠেছে। সমালোচকদের মতে, এই নিয়ম ভোটের গোপনীয়তা ও নাগরিকের স্বাধীন মতপ্রকাশের মৌলিক নীতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক।নির্বাচনী বিধিমালা অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি রাজনৈতিক দলের মনোনয়ন ছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থী হতে চাইলে সংশ্লিষ্ট আসনের মোট ভোটারের ১ শতাংশের সমর্থনসূচক স্বাক্ষর মনোনয়নপত্রের সঙ্গে দাখিল করতে হয়। নির্বাচন কমিশনের ভাষ্য অনুযায়ী, এই শর্তের উদ্দেশ্য হলো ‘অপ্রয়োজনীয় বা অগুরুত্বপূর্ণ প্রার্থীর সংখ্যা নিয়ন্ত্রণ’।তবে নির্বাচন বিশ্লেষক ও সচেতন নাগরিকদের প্রশ্ন—ভোটের আগেই ভোটারদের স্বাক্ষরের মাধ্যমে সমর্থন জানাতে বাধ্য করা কি কার্যত ভোটের আগাম ঘোষণা নয়?গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় ভোটারকে কাকে ভোট দেবে...
কিছু না বলা কথা, যা আগুনে পুড়ে যায়নি
অভিমত, সর্বশেষ

কিছু না বলা কথা, যা আগুনে পুড়ে যায়নি

|| বাপী সাহা ||বছর জুড়ে যে মানুষটি আলোচিত হয়েছেন তিনি হচ্ছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। সমালোচিত হয়েছেন বিভিন্নভাবে বিভিন্ন সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য। বেশ কিছু ইস্যুতে আলোচনার জন্ম দিয়েছেন। বছর শেষে আবারও আলোচনার জন্ম দিয়েছেন অভিবাসী বিষয়ে। অভিবাসীদের ধরে নিয়ে তিনি গুদামঘরে রাখবেন। এর জন্য বড়সড় কিছু গুদামঘর নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। খোদ মার্কিন মূলুকে এই সিদ্ধান্ত ঘিরে বিক্ষোভ তৈরি হয়েছে। মানুষকে গুদামে রাখার সিদ্ধান্ত কতটুকু বাস্তবসম্মত—সেটি ভাবতে হবে। এটি কোন মানবিকতা, সেটিও আমাদের ভাবতে হবে।মানবিকতার প্রশ্ন যখন চলে আসে, তখন ভাবতে হবে দেশের কথা। লক্ষ্মীপুরে বিএনপি নেতার ঘরে তালা দিয়ে আগুন দেওয়ার ঘটনাটি কি মানবাধিকারকে প্রশ্নবিদ্ধ করে, প্রশ্নবিদ্ধ করে একজন মানুষের বেঁচে থাকার অধিকারকে? পোড়া মৃতদেহের গন্ধে আকাশ-বাতাস ভারী হয়ে ওঠে। আমাদের সকলকেই প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। ছোট মেয়েটির...
তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন ও জনগণের প্রত্যাশা
অভিমত, রাজনীতি, সর্বশেষ

তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন ও জনগণের প্রত্যাশা

|| ডা. আনোয়ার সাদাত ||দীর্ঘ সতের বছর পর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান দেশে প্রত্যাবর্তন করেছেন। সতেরো বছর নির্বাসিত জীবন কাটান। ১৭ বছর আগে ২০০৮ সালের ১১ সেপ্টেম্বর রাজনৈতিক কারনে তারেক রহমান পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে লন্ডনে যানএবং দীর্ঘ সতের বছর সেখানে অবস্থান করেন এবং নির্বাসিত জীবন কাটান।এখন তার প্রত্যাবর্তন সম্ভব হয়েছে, হাজারো শহীদের রক্ত, অসংখ্য আহতের ত্যাগ এবং গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে সৃষ্ট নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতার কারণে। এই বাস্তবতা জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত আজাদী লড়াইয়ের মাধ্যমে প্রাপ্ত বাস্তবতা।নতুন রাজনৈতিক অবস্থায় সহাবস্থান, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ এবং সুস্থ রাজনৈতিক চর্চার সংস্কৃতি গড়ে তোলা সবার প্রচেষ্টা হওয়া উচিৎ।দেশের রাজনীতিসহ সকল ক্ষেত্রে এক ধরনের অস্থিরতা বিরাজ করছে। এ অবস্থায় সাধারণ মানুষ দেশের ভবিষ্যৎ পরিস্থিতি নিয়ে দুঃচিন্তাগ্রস্থ। এ ক্ষেত্রে রাজনী...
ওসমান বিন হাদী এক ভিন্নধর্মী রাজনীতির মাধ্যমে কোটি মানুষে হৃদয়ে স্হান করে নিয়েছেন
অভিমত, রাজনীতি, সর্বশেষ

ওসমান বিন হাদী এক ভিন্নধর্মী রাজনীতির মাধ্যমে কোটি মানুষে হৃদয়ে স্হান করে নিয়েছেন

|| ডা. আনোয়ার সাদাত ||জুলাই অভ্যুত্থানের পর ইনকিলাব মঞ্চ নামে একটি রাজনৈতিক-সাংস্কৃতিক প্লাটফর্ম তৈরির মাধ্যমে দেশের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠেন জুলাই সম্মুখ সারীর যোদ্ধা শরীফ ওসমান বিন হাদি।আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে স্বাধীনতা–সার্বভৌমত্ব রক্ষা ও ইনসাফভিত্তিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ইনকিলাব মঞ্চ রাজপথ, ক্যাম্পাস ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে স্পষ্ট রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে আলোচনার কেন্দ্রে উঠে আসে।জুলাই অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারী ছাত্র–জনতার অংশগ্রহনে ওসমান বিন হাদীর নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠিত হয় ইনকিলাব মঞ্চ। সংগঠনটির লক্ষ্য হলো—সব ধরনের আধিপত্যবাদ ও স্বৈরতন্ত্রের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা এবং ইনসাফভিত্তিক রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তোলা।পুরোনো ধারার রাজনীতির উর্ধ্বে ওঠে নতুন ধারার রাজনৈতিক কৌশলের মাধ্যমে জনকল্যাণকর দেশপ্রেমভিত্তিক রাজনীতির...