
|| মির্জাগঞ্জ (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি ||
পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে পারিবারিক বিরোধের জেরে অঞ্জলি রানী দে (৬০) নামে এক বিধবা নারীকে কাঠের বাটাম দিয়ে মাথায় আঘাত করার অভিযোগ উঠেছে তাঁর দেবর মিঠু দের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় গুরুতর আহত অঞ্জলি রানীকে মির্জাগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে উপজেলার সুবিদখালী বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
অঞ্জলি রানীর পরিবারের অভিযোগ, মন্দিরে পূজা দিয়ে বাড়ি ফেরার পথে তাঁর সঙ্গে দেবর মিঠু দের কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে মিঠু দে, তাঁর স্ত্রী মনিকা দে ও তাঁদের দুই ছেলে মিলে অঞ্জলি রানীকে কিল-ঘুষি মারেন বলে অভিযোগ করা হয়। পরে মিঠু দে কাঠের বাটাম দিয়ে তাঁর মাথায় আঘাত করেন বলে পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে। এতে অঞ্জলি রানী আহত হলে পরিবারের সদস্যরা তাঁকে উদ্ধার করে মির্জাগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।
পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ হাসপাতালে গিয়ে আহত নারীকে দেখে গেছে। তবে এ বিষয়ে পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মামলা বা আইনগত পদক্ষেপ নিয়েছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
অঞ্জলি রানী দের ছেলে উৎস দে বলেন, তাঁর মাকে কাঠের বাটাম দিয়ে আঘাত করা হয়েছে। তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে জড়িত ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।
পরিবারের সদস্যদের দাবি, অঞ্জলি রানী দে ও মিঠু দে সম্পর্কে দেবর-ভাবী। তাঁদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধসহ বিভিন্ন পারিবারিক বিষয় নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। সেই বিরোধের জের ধরেই বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে মারধরের ঘটনা ঘটে বলে তাঁদের অভিযোগ।
এদিকে ঘটনার পর এলাকায় বিষয়টি নিয়ে আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের কেউ কেউ পারিবারিক বিরোধ দ্রুত মীমাংসার উদ্যোগ নেওয়ার কথা বললেও, আহত নারীর পরিবার ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও আইনগত প্রতিকার দাবি করেছে।
