বৃহস্পতিবার, এপ্রিল ১৬

রাজিতের সরোদে মিমি’র যুগলবন্দী: রবীন্দ্রনাথের গানে বর্ষবরণ

|| মোহাম্মদ রাজিবুল হাসান | বিনোদন ডেস্ক ||

এবারের বাংলা নতুন বর্ষ ১৪৩৩-কে রবীন্দ্রনাথের গান আর সরোদের যুগলবন্দী দিয়ে স্বাগতম জানালেন শান্তি নিকেতনের সাফিকা নাসরিন মিমি আর সরোদ শিল্পী তানিম হায়াত খান রাজিত। রবীন্দ্রনাথের গান “যদি তারে নাই চিনি গো” আর রাজিতের সরোদের যুগলবন্দী।

সাফিকা নাসরিন মিমি – শান্তি নিকেতন থেকে রবীন্দ্রসংগীতের ওপর স্কলারশিপসহ অনার্স-মাস্টার্স সম্পন্ন করেন। আর সরোদ তো রাজিতের রক্তে, পরিবারে- প্রায় ২০০ বছরের পারিবারিক ঐতিহ্য। মিমি আর রাজিতের রবীন্দ্রনাথের গান আর সরোদের যুগলবন্দীতে বাংলাদেশে ওনারাই পাইওনিয়ার। পশ্চিমবঙ্গে এরকম যুগলবন্দী নিয়মিত হলেও বাংলাদেশে এরকম যুগলবন্দী আগে কখনওই হয়নি, এখনও শুধু মিমি আর রাজিতই করছেন। ২০২১ সাল থেকে মিমি আর রাজিত এই যুগলবন্দী করে আসছেন সম্পূর্ণ প্রফেশনাল আঙ্গিকে। এটা নিয়ে মিমি আর রাজিতের ৭ নাম্বার যুগলবন্দী।

এই যুগলবন্দী সম্পর্কে মিমি বলেন, “শত কাজের ভিড়েও ‘সরোদ রবীন্দ্র যুগলবন্দীর’ এই প্রজেক্টটা করতে কখনও ভুলি না আমরা। সেই লকডাউনের সময় প্রথম শুরু হয়েছিল ঘরোয়াভাবে শুধু সরোদের সাথে। এরপর ধীরে ধীরে এটা অফিসিয়ালি প্রফেশনালি করছি আমরা। রাজিতকে অসংখ্য ধন্যবাদ, কৃতজ্ঞতা জানাই এই প্রজেক্টটা ধারাবাহিকভাবে করার উদ্যোগ নেবার জন্য”।

রাজিত এই প্রজেক্টা সম্পর্কে বলেন, ” আমার দাদু উস্তাদ আয়েত আলী খাঁ কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আমন্ত্রণে ১৯৩৫ সালে শান্তি নিকেতনের যন্ত্র সংগীত বিভাগের প্রধান হিসাবে যোগদান করেন। তাই এই যুগলবন্দীর প্রজেক্টটা আমাকে ভীষন প্রশান্তি দেয়; শেকড়ে ফিরে যাবার প্রশান্তি। আমার দাদু শান্তি নিকেতনের বিভাগীয় প্রধান ছিলেন আর মিমি সেই শান্তি নিকেতনের রবীন্দ্রনাথের গানের স্কলার। পুরো চক্রটা যেন বারবার পূর্ণ হয় এই যুগলবন্দীর মধ্যে দিয়ে।

অসংখ্য কমার্শিয়াল কাজ করি আমি আর মিমি। তারমাঝে এই শেকড়ে ফিরে যাবার মতন প্রজেক্টটা আমাদের নতুন করে সজীবতার নির্যাস দেয়৷ মিমিকে অসংখ্য ধন্যবাদ আর কৃতজ্ঞতা গানটা গাইবার পাশাপাশি ভীষণভাবে মাথা খাটিয়ে প্রজেক্টগুলো এতো সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলার জন্য। আর এই সুবাদে মিমিরও প্রতি বছর একটা অফিশিয়াল রবীন্দ্রনাথের গানও আমরা শুনতে পাই একদম বৈঠকী আয়োজনে।

যুগলবন্দীটার দারুণ সংগীতায়োজন করেছেন দেশবরেণ্য সংগীত পরিচালক সজীব দাস। ভিডিও ডিরেকশনে ইয়াসির আরাফাত, ক্যামেরায় ছিলেন আশফি, টিম কোর্ডিনেটর ইফতেখারুল এহতেশাম লেনিন আর প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্টে সাফিকা নাসরিন মিমি।

ভেন্যু কৃতজ্ঞতা সোমা তাহেরা চৌধুরী। সোমা তাহেরা চৌধুরীর বাংলোতে ধারন করা ভিডিওগ্রাফিটা ভীষন গ্ল্যামারাস হয়েছে যেটা দর্শক শ্রোতাদের রিভিউ থেকে জানা যায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *