
|| সারোয়ার হোসেন অপু | জেলা প্রতিনিধি (নওগাঁ) ||
নওগাঁর মান্দা উপজেলায় নিজের নাম-পরিচয় ও ঠিকানা গোপন করে ভুয়া জন্মনিবন্ধন ব্যবহারে এক তরুণীকে বিয়ের চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে এক যুবকের বিরুদ্ধে। বিয়ের প্রায় চার মাস পর গভীর রাতে ওই তরুণীকে নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার পর থেকে তাঁদের কোনো সন্ধান মিলছে না। ফলে নিখোঁজ তরুণীর সুরক্ষা নিয়ে চরম উদ্বিগ্ন ও আতঙ্কে রয়েছেন তাঁর পরিবারের সদস্যরা।
ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার দক্ষিণ চকবাবুল গ্রামে। নিখোঁজ তরুণীর নাম সুমাইয়া আক্তার। পরিবারের দাবি, চলতি বছরের ২০ মার্চ স্থানীয় একটি কাজী অফিসে খাগড়াছড়ির দীঘিনালার মো. ইমরান পরিচয় দেওয়া এক যুবকের সঙ্গে সুমাইয়ার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে ওই যুবক শ্বশুরবাড়িতেই বসবাস করছিলেন। তবে গত ১৭ জুলাই গভীর রাতে সুমাইয়াকে সঙ্গে নিয়ে তিনি চম্পট দেন।
পরিবার জানায়, গত ২১ জুলাই থেকে সুমাইয়ার মোবাইল বন্ধ রয়েছে এবং তাঁর সঙ্গে সব ধরনের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। পরবর্তীতে খোঁজ নিতে গিয়ে পরিবার জানতে পারে, ‘ইমরান’ ছদ্মনাম ব্যবহার করা ওই যুবকের প্রকৃত নাম দ্বীপ্পো চাকমা। তিনি খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলার বড়দাম গ্রামের গোলক চাকমার ছেলে।
নিখোঁজ তরুণীর মা অভিযোগ করে বলেন, “মেয়েকে মিথ্যে নাম-পরিচয় দিয়ে বিয়ে করা হয়েছিল। রাতের আঁধারে মেয়েকে নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার পর থেকে তাঁর কোনো খোঁজ পাচ্ছি না। মেয়েটা কী অবস্থায় আছে, কিছুই জানি না। আমরা চরম নিরাপত্তাহীনতা ও দুশ্চিন্তায় দিন কাটাচ্ছি।”
এ ঘটনায় ভূয়া জন্মনিবন্ধন তৈরি ও প্রতারণার পেছনে থাকা প্রকৃত রহস্য উদঘাটনসহ মেয়েকে উদ্ধারে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন ভুক্তভোগী পরিবার।
