
|| নিজস্ব প্রতিবেদক ||
ইসলামী ঐক্য আন্দোলনের নিয়মিত সাংগঠনিক কর্মসূচির অংশ হিসেবে সংগঠনের কেন্দ্রীয় দপ্তরে সাপ্তাহিক দারসুল কুরআন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (২০ জুলাই) সন্ধ্যায় রাজধানীর পুরানা পল্টনস্থ সংগঠনের কেন্দ্রীয় কার্যালয় মিলনায়তনে এই কুরআনিক তাত্ত্বিক আলোচনা সভাটি আয়োজিত হয়।
উক্ত অনুষ্ঠানে পবিত্র কুরআনের সূরা আহকাফের ২৯ থেকে ৩৫ নম্বর আয়াতের আলোকে জীবনঘনিষ্ঠ, সমসাময়িক ও হৃদয়স্পর্শী দারস পেশ করেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় জয়েন্ট সেক্রেটারি মাওলানা মুহাম্মদ মুহিব্বুল্লাহ ভূঁঞা।
দারস পেশকালে মাওলানা মুহাম্মদ মুহিব্বুল্লাহ ভূঁঞা সূরা আহকাফের ২৯ থেকে ৩৫ নম্বর আয়াতের উদ্ধৃতি দিয়ে বলেন, এই আয়াতগুলোতে আল্লাহ তাআলা জিন জাতির এক দলের কাছে পবিত্র কুরআনের বাণী পৌঁছানো এবং তাদের ঈমান আনার ঘটনা বর্ণনা করেছেন। রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর পবিত্র মুখ থেকে মায়াবী কুরআন শুনে জিনেরা যেভাবে প্রভাবিত হয়েছিল এবং নিজেদের কওমের কাছে ফিরে গিয়ে যেভাবে তাওহীদের দাওয়াত দিয়েছিল, তা মুমিনদের জন্য এক বিরাট অনুপ্রেরণা।
তিনি বলেন, দুনিয়ার ক্ষণস্থায়ী জীবনের মোহ ছেড়ে আখেরাতের চিরস্থায়ী সাফল্যের জন্য প্রস্তুতি নিতে হবে। বিপদে-আপদে আল্লাহর ওপর অবিচল আস্থা রাখা এবং মহানবী (সা.)-এর প্রদর্শিত ধৈর্য ও ত্যাগের আদর্শ অনুসরণের মাধ্যমেই কেবল ইহকালীন শান্তি ও পরকালীন মুক্তি সম্ভব। বর্তমান বৈরী ও সমসাময়িক পরিস্থিতিতে প্রতিটি মুসলমানকে কুরআনের এই কালজয়ী শিক্ষা ব্যক্তিগত ও সামাজিক জীবনে বাস্তবায়ন করার আহ্বান জানান তিনি।
ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমির জনাব মোস্তফা বশিরুল হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই দারসে কুরআনে সংগঠনের শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন— ইসলামী ঐক্য আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি জেনারেল জনাব মোস্তফা তারেকুল হাসান, কেন্দ্রীয় অফিস সম্পাদক হাফেজ মাওলানা মো. শহিদুল ইসলাম, কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক মো. ওমর ফারুক। এ ছাড়াও মহানগরী পর্যায়ের বিভিন্ন স্তরের দায়িত্বশীল ও কর্মীবৃন্দ স্বতঃস্ফূর্তভাবে এই ধর্মীয় ও সাংগঠনিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।
