
পারিবারিক, সামাজিক, রাষ্ট্রীয় ও অর্থনৈতিক শান্তি প্রতিষ্ঠায় ইসলামি শিক্ষার বিকল্প নেই: লিডিং ইউনিভার্সিটির উপাচার্য
|| নিজস্ব প্রতিবেদক ||
লিডিং ইউনিভার্সিটির ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের আয়োজনে সিলেট বিভাগের বিভিন্ন মাদরাসার অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ ও শিক্ষাবিদদের নিয়ে মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২৫ এপ্রিল) সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের রাগীব আলী ভবনের গ্যালারি-১ এ অনুষ্ঠিত মতবিনিময় অনুষ্ঠানে লিডিং ইউনিভার্সিটির উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ তাজ উদ্দিন ইসলামিক জ্ঞান বিকাশে লিডিং ইউনিভার্সিটির ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে যাচ্ছে উল্লেখ করে বলেন, একাডেমিক বিষয়ের বাইরেও ইসলামিক স্টাডিজ মানবজীবনের নৈতিক, পারিবারিক, সামাজিক এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নের পূর্ণাঙ্গ দিকনির্দেশনা প্রদান করে।
মতবিনিময় অনুষ্ঠানে গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ প্রদান করার জন্য সিলেটের সুপ্রতিষ্ঠিত বিভিন্ন মাদরাসার অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ ও শিক্ষাবিদদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে তিনি আরো বলেন, সবার সহযোগিতা এ বিভাগকে এগিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। স্বতঃস্ফূর্তভাবে পরামর্শ প্রদান এবং সম্মিলিত সহযোগিতার আশ্বাস দেয়ার জন্য তিনি উপস্থিত সবাইকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। নৈতিক শিক্ষার মূল্যায়নে ইসলামি শিক্ষার বিকল্প নেই উল্লেখ করে লিডিং ইউনিভার্সিটিতে ইসলামিক স্টাডিজ বিষয়ে উচ্চতর শিক্ষার সুযোগ করে দেয়ার জন্য তিনি লিডিং ইউনিভার্সিটির প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান দানবীর ড. সৈয়দ রাগীব আলীকে ধন্যবাদ জানান।
বিভাগের পরিচিত তুলে ধরে ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের বিভাগীয় প্রধান সহযোগী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ জিয়াউর রহমান বলেন, সিলেটের প্রথম বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় লিডিং ইউনিভার্সিটির ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগ ২০১৫ সাল থেকে এ পর্যন্ত ৬০০ জন শিক্ষার্থীদেরকে ইসলামি অর্থনীতি ও ব্যাংকিং এর উপর অনার্স এবং মাস্টার্স ডিগ্রি প্রদান করেছে। বিভিন্ন ধর্মের শিক্ষার্থীগণও এখান থেকে কম খরচে ডিগ্রি প্রাপ্ত হয়েছেন। তিনি এ বিভাগের উত্তরোত্তর উন্নতির জন্য আজকের এই মতবিনিময় অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত সকলকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।
পূণ্যভূমি সিলেট ইসলামি উচ্চশিক্ষার প্রসারে লিডিং ইউনিভার্সিটির ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে, অনার্স এবং মাস্টার্স প্রোগ্রামের পাশাপাশি এখানে এমফিল ও পিএইচডি প্রোগ্রাম চালু করা, মেধাবী শিক্ষার্থীদেরকে বিশেষ বৃত্তির ব্যবস্থা এবং আর্থিক সহযোগিতা প্রদান, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে আলিম ও এইচএসসি সমমান পরীক্ষার্থীদেরকে ইসলামিক স্টাডিজ বিষয়ে পড়ার সুযোগ এবং ভবিষ্যতে উন্নত কর্মজীবনে উৎসাহ প্রদান করে সেমিনার আয়োজন ইত্যাদি বিষয়ে পরামর্শমূলক বক্তব্য প্রদান করেন সিলেট সরকারি আলীয়া মাদরাসার প্রিন্সিপাল প্রফেসর মাহমুদুল হাসান, সৎপুর কামিল মাদরাসার প্রিন্সিপাল মাওলানা সালেহ আহমদ, ঝিঙ্গাবাড়ী ফাজিল মাদরাসার প্রিন্সিপাল মাওলানা হাফিজুর রহমান, গোবিন্দগঞ্জ ফাজিল মাদরাসার অবসরপ্রাপ্ত প্রিন্সিপাল আব্দুস সালাম মাদানী। বারহাল ডিগ্রি কলেজের প্রিন্সিপাল মো. শফিকুল ইসলাম, কামাল বাজার ফাজিল মাদরাসার প্রিন্সিপাল মো. কামরুজ্জামান, রাগীব-রাবেয়া ডিগ্রি কলেজের প্রিন্সিপাল অরবিন্দু কুমার দাস, সিলেট আইডিয়াল কলেজের প্রিন্সিপাল আবুল হুসেন, শাহাজালাল জামেয়া ইসলামিয়া কামিল মাদরাসার ভাইস প্রিন্সিপাল মাওলানা ফয়জুল্লাহ বাহার, শাহজাল দারুচ্ছুন্নাহ ইয়াকুবিয়া কামিল মাদরাসার সহকারী অধ্যাপক মাওলানা রেদাউল করীম প্রমুখ।
এতে আরো বক্তব্য রাখেন লিডিং ইউনিভার্সিটির ছাত্রকল্যাণ উপদেষ্টা প্রফেসর ডা. মো. আব্দুল মজিদ মিয়া, ট্রাস্টি বোর্ডের সচিব ইঞ্জিনিয়ার মো. লুৎফর রহমান, পরিচালক অর্থ ও হিসাব মোহাম্মদ কবির আহমেদ, ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফজলে এলাহি মামুন, ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষক আবুল কালাম আজাদ এবং শিক্ষক ও কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
