
|| সেলিম মোল্লা | নিজস্ব প্রতিনিধি (মানিকগঞ্জ) ||
মানিকগঞ্জে মাদ্রাসার ছাত্রী আতিকা হত্যা মামলার প্রধান সন্দেহভাজন নাঈমকে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার (১৮ এপ্রিল) পুলিশ সুপার মোঃ সারোয়ার আলম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, নিহত আতিকার মা বাদী হয়ে পাঁচজনকে আসামি করে থানায় মামলা দায়ের করেছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) বিকেল ৪টার দিকে সদর উপজেলার বনপারিল গ্রামের দুদুল মিয়ার মেয়ে আতিকা নিখোঁজ হয়। নিখোঁজের পরপরই পরিবারের পক্ষ থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি প্রচার করা হয় এবং এলাকায় মাইকিং করে খোঁজাখুঁজি চালানো হয়।
পরে স্থানীয় এক কিশোরের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে রাত আনুমানিক ১০টার দিকে বাড়ির পাশের একটি ভুট্টাক্ষেত থেকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় আতিকার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, স্বর্ণালংকার লুটের উদ্দেশ্যে তাকে হত্যা করা হয়েছে।
ঘটনাটি জানাজানি হলে এলাকায় চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। সন্দেহের ভিত্তিতে প্রতিবেশী নাঈমকে দায়ী করা হলে উত্তেজিত জনতা তার স্বজনদের ওপর হামলা চালায়। এতে নাঈমের পিতা পান্নু মিয়া (৪৫) ও চাচা ফজলু (২৮) নিহত হন। এছাড়া পান্নু মিয়ার ছেলে নাজমুল (২০) গুরুতর আহত হন।
আহত নাজমুলকে উদ্ধার করে মানিকগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে তার অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় পাঠানো হয়। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত নাঈম পলাতক ছিল।
অবশেষে শুক্রবার রাতে তাকে আটক করতে সক্ষম হয় পুলিশ। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
