
|| নিজস্ব প্রতিবেদক ||
মহান মে দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল আয়োজিত শ্রমিক সমাবেশের মঞ্চে উপস্থিত হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেবেন তিনি। আজ শুক্রবার (১ মে) বিকাল ৪টা ২০ মিনিটের দিকে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে সমাবেশস্থলে উপস্থিত হন তারেক রহমান। এর আগে মঞ্চে উপস্থিত হন দলটির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
আজ দুপুর আড়াইটায় নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে এই আয়োজন শুরু হয়। পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত ও দোয়ার মধ্য দিয়ে শুরু হয় শ্রমিক সমাবেশ। এর আগে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক আয়োজনের মধ্য দিয়ে নেতাকর্মীদের একত্রিত করা হয়। বিএনপির শ্রমিক সংগঠন জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের উদ্যোগে আয়োজিত এই সমাবেশে সভাপতিত্ব করছেন সংগঠনটির সভাপতি আনোয়ার হোসেইন।
বিএনপির কার্যালয়ের সামনে এই সমাবেশ উপলক্ষে তৈরি করা হয়েছে বিশাল মঞ্চ। উত্তরমুখী এই মঞ্চের দুই দিকে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান, চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া এবং চেয়ারম্যান তারেক রহমানের প্রতিকৃতি স্থাপন করা হয়েছে। আয়োজকরা জানান, ফকিরাপুল, পল্টন, কাকরাইলসহ আশপাশের এলাকায় দেড় শতাধিক মাইক লাগানো হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয় ও তার আশপাশের এলাকায় সকাল থেকেই কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে এবং নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা অবস্থান নিয়েছেন।
দীর্ঘ দেড় যুগ লন্ডনে নির্বাসিত জীবন শেষে গত বছরের ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফেরার পর এই প্রথম শ্রমিক সমাবেশে তারেক রহমান সশরীরে অংশ নিচ্ছেন। গত বছর তিনি লন্ডন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে বক্তব্য রেখেছিলেন। তারেক রহমানের আগমন ও শ্রমিক সমাবেশকে ঘিরে দলীয় নেতা-কর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে। নেতা-কর্মীরা লাল ক্যাপ, টি-শার্ট, ব্যানার ও ঢোল নিয়ে সমাবেশে উপস্থিত হয়েছেন। সকাল থেকেই খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে নেতা-কর্মীরা নয়াপল্টনে বিএনপির সমাবেশস্থলে আসতে শুরু করেন। হাজার হাজার নেতা-কর্মীর করতালি আর স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো এলাকা। ঢাকা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট নিপুণ রায় চৌধুরী জানান, এই সমাবেশে ঢাকা ও আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে বিপুল সংখ্যক নেতা-কর্মী যোগ দিয়েছেন।
উল্লেখ্য, আজ শুক্রবার ভোর থেকে সকাল পর্যন্ত রাজধানীতে মুষলধারে বৃষ্টি হওয়ায় বিভিন্ন রাস্তায় পানি জমে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছিল। নয়াপল্টন এলাকায়ও সাময়িক জলাবদ্ধতা তৈরি হলেও দুপুরের আগেই পানি নেমে যায় এবং কোনো বিঘ্ন ছাড়াই সমাবেশ শুরু হয়।
