
|| বদরুদ্দোজা বুলু | চিলমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি ||
কৃষিই সমৃদ্ধি এই প্রতিপাদ্য সামনে রেখে উপজেলা প্রশাসন ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, চিলমারীর আয়োজনে ২০২৫-২০২৬ অর্থ বছরের খারিপ-২ মৌসুমে কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় বিনামূল্যে বৃক্ষরোপন কার্যক্রম ও গ্রীষ্মকালীন শাক-সবজির উপকরণ বিতরণ করা হয়েছে।
আজ বুধবার (১৫ জুলাই) সকাল এগারোটায় উপজেলা পরিষদ চত্বরে আয়োজিত অনুষ্ঠানে কৃষি উপকরণ বিতরণের সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মাহমুদুল হাসান, কৃষি কর্মকর্তা কনক চন্দ্র রায়, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব আব্দুল বারী সরকার, জামায়াতের আমির নুরে আলম মুকুল, বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাহেব আলী, সাংবাদিক ও সদস্য বদরুদ্দোজা বুলু, কৃষি প্রশাসনিক কর্মকর্তা সারোয়ার, মাঠ পর্যায়ের উপ কৃষি কর্মকর্তাগণ ও কৃষকগণ।
জানা গেছে, কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় বিনামূল্যে ৩৫০ জন কৃষককে প্রত্যেকে ৫ প্রকার ফল ও ঔষধি গাছের চারা, খুঁটি ও ২৫ কেজি জৈব সার। ৭৫০ জন কৃষককে প্রত্যেকে ৭ প্রকারের ৩০০ গ্রাম গ্রীষ্মকালীন সবজি বীজ, ১৫ কেজি ডিএপি, ১৫ কেজি এমওপি বিতরণ করা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত এই জাতীয় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির সাথে সংহতি প্রকাশ করে শিক্ষা, কৃষি অধিদপ্তরসহ বিভিন্ন সরকারি সংস্থা উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। দেশব্যাপী প্রতিটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ফলজ, বনজ ও ঔষধি এই তিন শ্রেণির সমন্বয়ে ৫টি করে গাছের চারা রোপণের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও দেশের প্রতিটি ইউনিয়ন ও উপজেলা পর্যায়ে চারা বিতরণ কর্মসূচি পরিচালিত হচ্ছে।
কৃষি উপকরণ বিতরণে আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ জানান, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও জলবায়ুর ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবিলায় দেশব্যাপী শুরু হয়েছে “বৃক্ষ রোপণে সাজাই দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ” স্লোগানে জাতীয় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি। পরিবেশ রক্ষায় ৫ বছরের মধ্যে ২৫ কোটি গাছ লাগানোর এই মহতি উদ্যোগে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানসহ সকল স্তরের মানুষকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানান মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
গাছের ধরন পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় ফলদ, বনজ ও ঔষধি—এই তিন ধরনের গাছের চারা রোপণে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
উপযুক্ত সময় বছরের জুন, জুলাই ও আগস্ট—এই তিন মাস গাছ লাগানোর জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত সময়।
