
|| আন্তর্জাতিক ডেস্ক ||
ইরানের বিমান সংস্থাগুলোর ওপর আরোপিত মার্কিন নিষেধাজ্ঞা থেকে ছাড় পেতে ওয়াশিংটনের সঙ্গে সরাসরি আলোচনায় বসেছে ইরাক সরকার। রোগীদের চিকিৎসা, শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা এবং ধর্মীয় তীর্থযাত্রীদের যাতায়াতে চরম ভোগান্তি তৈরি হওয়ায় এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে বাগদাদ।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) ইরাকের প্রধানমন্ত্রীর মিডিয়া অফিস থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে বিষয়টি জানানো হয়। চলতি সপ্তাহে দেশটির সব বিমানবন্দরে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হওয়ার পর বিশেষ করে শিয়া পুণ্যার্থীদের প্রধান গন্তব্য নাজাফ বিমানবন্দরে তৈরি হয় ব্যাপক অনিশ্চয়তা।
ইরাকি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় জানায়, মানবিক দিক বিবেচনায়—বিশেষ করে চিকিৎসা, শিক্ষা, ধর্মীয় সফর ও বেসামরিক নাগরিকদের চলাচলের সুবিধা বজায় রাখতে কিছু বিমানবন্দরকে এই নিষেধাজ্ঞার আওতামুক্ত করার অনুরোধ জানানো হচ্ছে।
প্রতিবেশী দুই দেশ ইরাক ও ইরানের মধ্যে দীর্ঘদিনের ঘনিষ্ঠ রাজনৈতিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে। প্রচুর সংখ্যক ইরাকি নাগরিক চিকিৎসা ও শিক্ষার প্রয়োজনে প্রতিনিয়ত ইরানে যাতায়াত করেন, অন্যদিকে উভয় দেশের বিপুলসংখ্যক ধর্মীয় তীর্থযাত্রী বিমান ফ্লাইটগুলোর ওপর প্রত্যক্ষভাবে নির্ভরশীল। নিষেধাজ্ঞা জারির ফলে অনেকেই বিকল্প পথ হিসেবে দীর্ঘ ও দুর্গম স্থলপথ বেছে নিতে বাধ্য হচ্ছেন।
উল্লেখ্য, সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ বেশ কয়েকটি দেশের ধারাবাহিকতায় ইরাকও ইরানি বিমান সংস্থার ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা কার্যকর শুরু করে। তবে মানবিক সংকট এড়াতে এই নিষেধাজ্ঞায় শিথিলতা পেতে এখন মার্কিন প্রশাসনের দরজায় কড়া নাড়ছে বাগদাদ।
সূত্র: এএফপি।
