তারাবিহের সালাতে কুরআন তিলাওয়াত ও খতম
|| ড. মুহাম্মদ জিয়াউর রহমান, লিডিং ইউনিভার্সিটি, সিলেট ||পবিত্র কুরআনুল কারিম নাযিলের মাস মাহে রমযান। এ ব্যাপারে কুরআনুল কারিমের সুরা বাকারাহ এর ১৮৫ নম্বর আয়াতে আল্লাহ তাআলা ঘোষণা করেন, “রমযান মাস, এ মাসেই কুরআন অবতীর্ণ হয়েছে।” তাই রমযান মাসেই কুরআন তিলাওয়াত ও খতমে সাওয়াব অত্যন্ত বেশি। কুরআন তিলাওয়াত এর ফজিলত সম্পর্কে বিশিষ্ট সাহাবি ইবনু মাসউদ রা. থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, “যে ব্যক্তি কুরআনের একটি বর্ণ পাঠ করবে সে একটি নেকি অর্জন করবে। নেকি দশগুণ বৃদ্ধি করে প্রদান করা হবে। আমি বলছি না যে, (আলিফ-লাম-মিম) একটি বর্ণ। বরং 'আলিফ’ একটি বর্ণ, ‘লাম’ একটি বর্ণ ও ‘মীম’ একটি বর্ণ।” হাদিসটি সহিহ। (জামে তিরমিযি)।মহাগ্রন্থ কুরআন আল্লাহ তাআলার নিকট পাঠকারীর জন্য শাফাআত করবে। এ প্রসঙ্গে আবু উমামা রা. থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন...
