আদর্শ সমাজ গঠনে ইসলামী শিক্ষার গুরুত্ব
|| ডা. আনোয়ার সাদাত ||শিক্ষার উদ্দেশ্যই নৈতিক মূল্যবোধসম্পন্ন মানুষ তৈরি করা। আল্লাহ রব্বুল আলামিনের পক্ষ থেকে মানবজাতিকে সঠিকভাবে জীবন-যাপনের জন্য যেসব নবী-রাসূলগণকে পৃথিবীতে পাঠানো হয়েছিল তাদের কাজ সম্পর্কে তিনি বলেন, "তারা আল্লাহর আয়াত বা নিদর্শন বা সত্য-মিথ্যার পার্থক্য সম্পর্কে মানুষকে পড়ে শোনান। আত্মাকে পরিশুদ্ধ করেন আর শিক্ষা দেন জীবন-যাপনের কৌশল। অথচ এর পূর্বে তারা ছিল সুস্পষ্ট গুমরাহীতে নিমজ্জিত (সূরা: জুমআ, আয়াত- ২)।সাধারণত দেখা যায়, যাদের মধ্যে দ্বীনের শিক্ষা রয়েছে, যেমন- মাদরাসা শিক্ষায় শিক্ষিত লোকেরা বা বিভিন্ন মাধ্যমে যারা কুরআন হাদিসের এলেম অর্জন করেছে, তারা তাহযীব-তমদ্দুন, কৃষ্টি-সভ্যতা, দীন-ঈমান, ইজ্জত-আবরু ইত্যাদি সংরক্ষণে যথেষ্ট ভূমিকা পালন করেন। স্কুল-কলেজে পড়াশোনা করা লোকদের মধ্যেও যারা দ্বীনী শিক্ষায় শিক্ষিত তাদের অনৈতিক কাজ যেমন- চুরি, ডাকাতি, হত্যা, ব্যভিচার...










