রবিবার, জানুয়ারি ১১

অভিমত

সামাজিক শান্তি-শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠায় ধৈর্য ও সহিষ্ণুতার গুরুত্ব
অভিমত, ধর্ম ও দর্শন, সর্বশেষ

সামাজিক শান্তি-শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠায় ধৈর্য ও সহিষ্ণুতার গুরুত্ব

|| ডা. আনোয়ার সাদাত ||সম্প্রতি তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দেশের সর্বোচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংগঠিত ঘটনাটি ধৈর্য ও সহিষ্ণুতার চরম অভাবের বাস্তব উদাহরণ।সাভারে সিটি ইউনিভার্সিটি ও ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনার ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ে ভাচুর, নগদ টাকা লুটপাটসহ কয়েক কোটি টাকার ক্ষতি সাধিত হয়েছে।সহিষ্ণুতা ও ধৈর্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মানবিক গুণ। পবিত্র কুরআনে বহু জায়গায় আল্লাহ রাব্বুল আলামিন নিজেকে ধৈর্যশীল ও পরম সহিষ্ণু হিসেবে পরিচয় দান করেছেন। কুরআন ও হাদিসে ধৈর্য্য ও সহিষ্ণুতার উপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।ধৈর্যের গুরুত্ব সম্পর্কে মহান আল্লাহ পবিত্র কুরআন মজিদে বলেছেন, ‘মহাকালের শপথ, মানুষ অবশ্যই ক্ষতিগ্রস্ত; কিন্তু তারা যারা ইমান আনে ও সৎকর্ম করে এবং পরস্পরকে সত্যের উপদেশ দেয় ও ধৈর্যের উপদেশ দেয়। (স...
জীব সত্তা থেকে মনুষ্যত্বের ঘরে
অভিমত, শিক্ষাঙ্গন, সর্বশেষ

জীব সত্তা থেকে মনুষ্যত্বের ঘরে

|| তানভীর হাসান দিপু ||মানুষ জন্মের মাধ্যমে কেবল জীব নয়, বরং এক সম্ভাবনাময় মনুষ্য সত্তা। কিন্তু সেই সম্ভাবনা বাস্তবে রূপ নিতে হলে জীব সত্তার ঘরকে সাজাতে হয় শৃঙ্খলা, নিরাপত্তা ও প্রয়োজনের পূর্ণতায়। কারণ জীব সত্তার ঘরে যদি বিশৃঙ্খলা থাকে, তবে মনুষ্যত্বের ঘরে পৌঁছানো সম্ভব নয়।জীব সত্তা মানে কেবল দেহের অস্তিত্ব নয়, এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে ক্ষুধা, দারিদ্র্য, বস্ত্রের অভাব, চিকিৎসার সমস্যা এবং টিকে থাকার কঠিন সংগ্রাম। যখন মানুষের জীবন এসব অনিশ্চয়তায় জর্জরিত থাকে, তখন সে নৈতিকতা, জ্ঞান বা মানবতার উচ্চ স্তরে উঠতে পারে না। যে পেটে ক্ষুধা আছে, সে পেটের শব্দের মধ্যেই বন্দি হয়ে পড়ে; মনুষ্যত্বের আহ্বান তার কাছে বিলাসিতা মনে হয়।মনুষ্যত্বে পৌঁছানোর পথ হলো পড়াশোনা ও জ্ঞানচর্চা। শিক্ষা মানুষের চেতনায় আলো জ্বালে, চিন্তার জগৎকে প্রসারিত করে এবং তাকে জীব সত্তার সংকীর্ণ ঘর থেকে বের করে আনে। কিন্তু শিক্ষ...
গুম-খুন, মিথ্যা মামলা তথা বিরোধী মত দমন সভ্য ও উন্নত রাষ্ট্র গঠনের অন্তরায়
অপরাধ, আইন ও আদালত, অভিমত, সর্বশেষ

গুম-খুন, মিথ্যা মামলা তথা বিরোধী মত দমন সভ্য ও উন্নত রাষ্ট্র গঠনের অন্তরায়

|| ডা. আনোয়ার সাদাত ||দেশ জুড়ে বিরোধী মত দমন করতে, ভয়ের পরিবেশ সৃষ্টি করতে নাগরিকদের গুম করা, বিচারবহির্ভূত হত্যা করা, মিথ্যা মামলা দিয়ে আটকে রাখা ক্ষমতাশীনদের অতি পুরোনো কৌশল। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর বিভিন্ন রাষ্ট্র নাগরিকদের গুম করা শুরু করে আইনগত জটিলতা এড়ানোর জন্য। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে গুম, যুদ্ধাপরাধের বিচারের উদ্দেশ্যে নুরেমবার্গ ট্রায়ালসহ মানবাধিকার বিষয়ক একাধিক কনভেনশন ও চুক্তি স্বাক্ষরিত হলে কর্তৃত্ববাদী সরকারগুলো আন্তর্জাতিক আদালতে সাজার ভয়ে নাগরিকদের আটক করে নির্যাতন বা বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের পথ থেকে সরে আসে। কিন্তু এতে রাষ্ট্রের অত্যাচারী চরিত্রের খুব বেশি বদল হয়নি। বরং ভিন্নমত ও চিন্তাকে দমনের নতুন কৌশল অবলম্বন করে।শাসকগোষ্ঠীর ক্ষমতা দখল ও কুক্ষিগত করে রাখার অপরাজনীতির ফলাফল হচ্ছে রাষ্ট্রীয় গুম বা বলপূর্বক নিখোঁজ করা। শাসকেরা ক্ষমতা ধরে রাখার জন্য নিজ দেশের নাগরিকদে...
শিক্ষার্থীদের অকৃতকার্য হওয়ার কারণ ও প্রতিকার
অভিমত, শিক্ষাঙ্গন, সর্বশেষ

শিক্ষার্থীদের অকৃতকার্য হওয়ার কারণ ও প্রতিকার

|| প্রফেসর ড. আ ব ম সাইফুল ইসলাম সিদ্দিকী ||সম্প্রতি বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের প্রতি ইতিবাচক মনোভাব এবং তাদের দাবি-দাওয়া পূরণের জন্য অন্তরের অন্তস্থল থেকে সরকারকে ধন্যবাদ।শ্রদ্ধেয় শিক্ষক ভ্রাতৃগণ। আপনাদের যৌক্তিক দাবি এবং আন্দোলনের পক্ষে আমার মসিযুদ্ধ অব্যাহত ছিল। আপনাদের প্রাপ্তি পর্যন্ত আমি থামিনি। আমি আজকেও থামবো না। তবে সেটা আপনাদের পক্ষে নয়; আমার সন্তানদের পক্ষে। যাদের আপনারা পিতা, অভিভাবক, দায়িত্বশীল, ভবিষ্যৎ নাগরিক গড়ার কারিগর।এবারের উচ্চ মাধ্যমিক/ সমমান পরীক্ষার ফলাফলেযে ধ্বস নেবেছে, তা আমাকে ব্যথিত করেছে। এ ব্যথাটি সকল শিক্ষকের মনে লাগলেই আমরা তাদের পরিত্রাণে ইতিবাচক ভূমিকা পালন করতে পারব, অন্যথায় নয়।একটি বিষয় ধ্রুব সত্য যে, দিন দিন বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থী সংখ্যা যেমন কমে যাচ্ছে তেমনি ক্লাসে তাদের উপস্থিতির হার খুবই নাজুক হচ্ছে। ...
ভারত–আফগান সম্পর্ক ও পরিবর্তিত বিশ্ব বাস্তবতা
অভিমত, আন্তর্জাতিক, সর্বশেষ

ভারত–আফগান সম্পর্ক ও পরিবর্তিত বিশ্ব বাস্তবতা

|| বাপি সাহা ||গাজায় শান্তি ফিরুক। সন্তানহারা অনেক মায়ের অশ্রুবিসর্জনের মাধ্যমে গাজায় শান্তি ফিরে আসুক—এটি আমাদের প্রত্যাশা। অনেক রক্ত ঝরেছে, অনেক শিশু অনাহারে মৃত্যুবরণ করেছে। বিশ্ব দেখেছে মৃত্যুর হাহাকার কাকে বলে। টন টন বোমা পড়েছে গাজায়। অবশেষে হামাস ও ইসরাইলের মধ্যে শান্তি চুক্তি হয়েছে। নতুন দিনের আশায় ঘরে ফিরতে শুরু করেছে ঘরছাড়া মানুষ।নতুন দিনের স্বপ্ন দেখা মানুষের জীবনে এখনও হতাশা কাজ করছে। শান্তি চুক্তি কতটুকু বাস্তবায়িত হবে, সেটি নিয়ে সংশয় রয়ে গেছে। বিশ্ব পররাষ্ট্রনীতি ও ভূ-রাজনীতি পরিবর্তনশীল। মার্কিন শুল্কনীতির মাধ্যমে চীনের ওপর প্রবলভাবে চাপ বৃদ্ধি করা হচ্ছে। সত্যটা হলো—এই বৃদ্ধি প্রক্রিয়া অনেকটা হাস্যকর। যাই হোক, চীন রাশিয়া ও ভারতকে সঙ্গে নিয়ে নতুন করে পথ চলতে শুরু করেছে।পররাষ্ট্রনীতিতে ‘শেষ কথা’ বলে কোনো কথা নেই। দুবাইতে ভারতের পররাষ্ট্র সচিব অমিত মিশ্রি আফগান সরকার...
এইচএসসি পরীক্ষার ফল বিপর্যয় ও জাতির ভবিষ্যত
অভিমত, শিক্ষাঙ্গন, সর্বশেষ

এইচএসসি পরীক্ষার ফল বিপর্যয় ও জাতির ভবিষ্যত

|| ডা. আনোয়ার সাদাত ||এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় এবার ফল বিপর্যয় ঘটেছে। এ বছর ১১টি শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার ৫৮ দশমিক ৮৩ শতাংশ। পর্যালোচনায় দেখা যায়, এ বছর ফেল করেছেন ৪১ দশমিক ১৭ শতাংশ পরীক্ষার্থী। মোট জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৬৯ হাজার ৯৭ জন, যা গত বছরের চেয়ে ৭৬ হাজার ৮১৪ জন কম।দেশের ২০২টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কেউ পাস করেননি। অর্থাৎ এসব প্রতিষ্ঠান থেকে পরীক্ষায় অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের পাসের হার শূন্য। গত বছর শতভাগ ফেল করা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ছিল ৬৫টি। আবার শতভাগ পাস শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যাও কমেছে এক হাজার ৪৩টি। সার্বিক দিক বিবেচনায় এবার ভয়াবহ ফল বিপর্যয় ঘটেছে।আমরা শতকরা পাশ ফেলের হিসাব নিকাশ করেই ক্ষ্যন্ত। অথচ শিক্ষার্থীর এ অবস্হার সাথে জড়িয়ে রয়েছে একটা পরিবার, একটি সমাজ ও রাষ্ট্রের ভবিষ্যত।বিশ্লষকদের মতে, শিক্ষার মান যে অবনতি হয়েছে, অতিরঞ্জিত যে ফলাফল বিগত বছরগুলোতে দেখানো হয়েছিল, তাতে...
লালন তিরোধান দিবস: মানবতার সাধক ফকির লালনের দর্শন আজও প্রাসঙ্গিক
অভিমত, ধর্ম ও দর্শন, বিনোদন, সভ্যতা ও সংস্কৃতি, সর্বশেষ

লালন তিরোধান দিবস: মানবতার সাধক ফকির লালনের দর্শন আজও প্রাসঙ্গিক

|| শেখ শাহরিয়ার ||বাউল সম্রাট লালন (১৭৭৪-১৭ অক্টোবর ১৮৯০) ছিলেন একাধারে আধ্যাত্মিক বাউল সাধক, মানবতাবাদী, সমাজ সংস্কারক এবং দার্শনিক। তিনি ফকির লালন, লালন সাঁই, লালন শাহ, মহাত্মা লালন নামেও পরিচিত। বাউল গানের অগ্রদূতদের অন্যতম এই সাধক অসংখ্য গানের গীতিকার, সুরকার ও গায়ক ছিলেন। উনিশ শতকের বাংলা সমাজে তাঁর গান ও দর্শন এক বিপ্লব এনেছিল।বাংলা সংস্কৃতি ও মানবতার চেতনায় লালন আজও অমর। তিনি সমাজের ভেদাভেদ, ধর্মীয় কুসংস্কার ও জাতপাতের উর্দ্ধে উঠে মানুষকেই শ্রেষ্ঠ ধর্ম হিসেবে দেখেছিলেন। লালনের ভাষায়—“সব লোকে কয় লালন কী জাত সংসারে,লালন বলে জাতের কী রূপ দেখলাম না এই নজরে।”এই পংক্তিতেই প্রকাশ পায় তাঁর গভীর মানবতাবাদী চিন্তাধারা যেখানে মানুষকে বিচার করা হয় না ধর্ম, বর্ণ বা জাত দিয়ে, বরং মানবতার মানদণ্ডে। ফকির লালনের ভাবদর্শন ছিল সমাজে সাম্য, ভালোবাসা ও সহিষ্ণুতার বার্তা। তিনি বিশ্বাস করতেন, মানু...
মিগ-২১ থেকে তেজস যুগে সময়টা এখন বিকল্প চিন্তাভাবনার
অভিমত, আন্তর্জাতিক, সর্বশেষ

মিগ-২১ থেকে তেজস যুগে সময়টা এখন বিকল্প চিন্তাভাবনার

|| বাপি সাহা ||সাধারণ মানুষের অর্থনৈতিক উন্নয়নকে মাথায় রেখে দেশের সার্বিক উন্নয়নের কথা চিন্তা করে বিশ্বের প্রতিটি দেশ এগিয়ে চলেছে। উন্নয়নের প্রথম শর্ত নিজেদের স্বনির্ভরতা। বিশ্ব রাজনীতির পরিবর্তন হচ্ছে ক্ষণে ক্ষণে। মার্কিন শুল্কনীতি ইতিমধ্যে বিশ্ব রাজনীতিতে মেরুকরণ সৃষ্টি করেছে। মার্কিন শুল্কনীতির বিপক্ষে অনেক দেশ তাদের অবস্থান পরিষ্কার করেছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতি এবং ব্যবসায়িক নীতি একসাথে চালাতে গিয়ে মার্কিন অর্থনীতিকে ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। অনেকটা সমস্যার মধ্যে আছে মার্কিন অর্থনীতি।মার্কিন আগ্রাসনের বিরুদ্ধে নিশ্চুপ ভূমিকার ফলে গাজায় হত্যাকাণ্ড এবং ইরানে হামলার ঘটনায় বিশ্ব অনেকটা দ্বিধাবিভক্ত হয়ে পড়েছে। রাশিয়া, চীন ও ভারত কিন্তু সকল প্রকার নৃশংসতার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে এবং একসাথে পথ চলার উদ্যোগ নিয়েছে। সাংবাদিকদেরও ছাড় দেয়নি ইসরায়েলি নৃশংসতা। গাজায় শিশু হত্যাসহ...
গাজায় ইতিহাসের চরম বিপর্যয় ও দুর্বিষহ অবস্হায় মুসলিম বিশ্বের হতাশাজনক ভূমিকা
অভিমত, আন্তর্জাতিক, সর্বশেষ

গাজায় ইতিহাসের চরম বিপর্যয় ও দুর্বিষহ অবস্হায় মুসলিম বিশ্বের হতাশাজনক ভূমিকা

|| ডা. আনোয়ার সাদাত ||গাজায় চলমান ইসরায়েলি হত্যাযজ্ঞ ও ধ্বংসযজ্ঞ একুশ শতকের সবচেয়ে প্রাণঘাতী একটি অধ্যায় এবং সবচেয়ে রক্ত ঝরানো সংঘাতগুলোর অন্যতম। যুদ্ধ শুরুর পর থেকে গাজায় প্রতি মাসে গড়ে প্রায় চার হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন। মাত্র ৩৬৫ বর্গকিলোমিটারের গাজায় ২০ লাখের কিছু বেশি মানুষের বসবাস। ২০০৭ সাল থেকে গাজার ওপর জলে-স্থলে-অন্তরিক্ষে অবরোধ আরোপ করে রেখেছে ইসরায়েল আন্তর্জাতিক আইন ও মানবাধিকারকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে।একদিকে ভূমধ্যসাগর, তিন দিকে ইসরায়েল ও দক্ষিণ দিকে মিসরের সিনাই সীমান্ত। কড়া প্রহরাধীন এবং অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা হিসেবে কঠোর নিরাপত্তাবেষ্টনী দিয়ে ঘেরা গাজাকে বলা হয় পৃথিবীর বৃহত্তম উন্মুক্ত কারাগার। অত্যন্ত ঘনবসতিপূর্ণ এই উপত্যকার বেশিরভাগ অধিবাসীই বাস্তুচ্যুত হয়েছেন, কিন্তু তাঁদের পালিয়ে অন্যত্র আশ্রয় নেওয়ার জায়গাও নেই বললেই চলে। ইসরায়েলি বাহিনী কিছু নিরাপদ অঞ্চল নির্ধারণ...
একটি রাষ্ট্র শিক্ষকদের যেসব সুযোগ-সুবিধা দিতে বাধ্য
অভিমত, শিক্ষাঙ্গন, সর্বশেষ

একটি রাষ্ট্র শিক্ষকদের যেসব সুযোগ-সুবিধা দিতে বাধ্য

|| আব্দুর রহিম ||শিক্ষকতা মহান পেশা সেকথা কে না জানে? কিন্তু যার পেটে ভাত নেই তাকে এই নীতিকথা শুনিয়ে কী লাভ? একজন শিক্ষক হলো একটা আদর্শ জাতি গঠনের কারিগর। আর এই আদর্শ জাতি গঠনের একক দায়িত্ব শুধু শিক্ষকদের নয়।রয়েছে পরিবার ও রাষ্ট্রের। এখন একজন শিক্ষক চিন্তা করে কীভাবে একজন আদর্শ নাগরিক গঠন করা যায়। কিন্তু দুঃখের বিষয় হলো রাষ্ট্র এই শিক্ষকদের নিয়ে মোটেও চিন্তা ভাবনা করে না।এমনকি এই শিক্ষকরা যাদেরকে পড়াশোনা করিয়েছেন, তারা সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করছেন। তারাও তার সেই শিক্ষককে ভুলে যায়। অহংকারী হয়ে শিক্ষককে সম্মান ও তাঁর অধিকারটুকু দিতে নারাজ। তাই মাঝে মাঝে আফসোস করে শিক্ষকরা নিজের অজান্তেই বলে ফেলেন, কাকে এতোদিন মানুষ করলাম। সে সারাজীবন বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পড়াশোনা করে এখন সরকারি জব নিয়ে সরকারি অংশের পরিবর্তে বলে অনুদান!সরকারি প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া...