শনিবার, ফেব্রুয়ারি ২৮

অভিমত

শান্তির নগরী খ্যাত খুলনা কেন অশান্ত ও আতঙ্কের নগরীতে পরিণত!!
অপরাধ, আইন ও আদালত, অভিমত, সর্বশেষ, সারাদেশ

শান্তির নগরী খ্যাত খুলনা কেন অশান্ত ও আতঙ্কের নগরীতে পরিণত!!

|| ডা. আনোয়ার সাদাত ||স্বাধীনতার পর আমাদের এলাকায় কোনো খুনের ইতিহাস পাওয়া যায় না। অথচ জুলাই-আগস্ট বিপ্লবের পর অপ্রত্যাশিতভাবে সে ইতিহাস ভেঙে বাড়ির পাশেই সম্প্রতি এক খুনের ঘটনা ঘটলো।যা খুলনার বর্তমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি যে কোন পর্যায়ে পৌছেছে, তার জ্বলন্ত উদাহরণ।এক সময়ের শান্তি ও শান্ত নগরী হিসেবে খ্যাত খুলনা আজ অশান্ত ও আতঙ্কের নগরীতে পরিণত হচ্ছে। যা নগরবাসীকে ভাবিয়ে তুলেছে।হত্যাকাণ্ড-হামলা যেন খুলনার নিয়মিত ঘটনায় পরিণত হয়েছে।খবরে প্রকাশ, গত বছরের ৫ আগস্টের পর খুলনায় অর্ধশত হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। গুলি ও হামলার ঘটনা ঘটেছে শতাধিক। অনেক ঘটনায় পুলিশ অপরাধীদের গ্রেফতার করলেও থামছে না অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড। হামলা, খুন এবং সন্ত্রাস আতঙ্কে খুলনার রাজনৈতিক মহলেও চলছে অস্থিরতা। নির্বাচনের সময় ঘনিয়ে এলেও খুলনার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এখনো নিয়ন্ত্রণে আসেনি। ফলে নিরাপত্তাহীনতায় দিন কাটছে...
বাংলাদেশ–ভারত নিরাপত্তা উপদেষ্টাদের সাইডলাইন বৈঠক
অভিমত, আন্তর্জাতিক, সর্বশেষ

বাংলাদেশ–ভারত নিরাপত্তা উপদেষ্টাদের সাইডলাইন বৈঠক

|| বাপি সাহা ||বাংলাদেশের নিরাপত্তা উপদেষ্টা ও ভারতের নিরাপত্তা উপদেষ্টার বৈঠক ছিল আলোচিত। বাংলাদেশ–ভারতের সম্পর্কটি হোক বন্ধুত্বের ও একে অপরের সহযোগিতার। কলম্বো সিকিউরিটি (সি এস সি) জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টাদের সপ্তম সম্মেলন হওয়ার আগে সাইড লাইন বৈঠক হিসাবে অনুষ্ঠিত দুই দেশের নিরাপত্তা উপদেষ্টার মধ্যে বৈঠক।খলিল–দোভাল-এর মধ্যে সাইড লাইন বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়ে যাওয়া বৈঠকটি যা সকাল ১১টার দিকে শুরু হয়। ৪৫ মিনিট স্থায়ী বৈঠকটি ছিল অনেক গুরুত্বপূর্ণ। ভারত বাংলাদেশের অকৃত্রিম বন্ধু হলেও সম্পর্কের জায়গাটিতে বেশকিছু অপ্রত্যাশিতভাবে সম্পর্কের জায়গায় জট বেঁধেছে। ভারত বাংলাদেশের পরীক্ষিত বন্ধু রাষ্ট্র সেটি মনে হয় মানতে বা বলতে কোনো দ্বিধা নেই।কলম্বো সিকিউরিটি (সি এস সি) জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টাদের সপ্তম সম্মেলন। এই জোটের সদস্য দেশসমূহকে নিয়ে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টাদের সপ্তম সম্মেলন। আমাদের নিরাপ...
অর্জন, প্রাপ্তি ও প্রশ্নে ইবির ৪৭ তম বছরে পদার্পণ
অভিমত, শিক্ষাঙ্গন, সর্বশেষ, সারাদেশ

অর্জন, প্রাপ্তি ও প্রশ্নে ইবির ৪৭ তম বছরে পদার্পণ

|| ‎মোঃ মোসাদ্দেক হোসেন ||‎হেমন্তের ফসলভেজা সুবাস যখন ধীরে ধীরে ম্লান হতে শুরু করে, ঠিক তখনই শীত তার কোমল সাদা আবছায়ার মাধ্যমে প্রকৃতিতে অস্তিত্বের জানান দেয়। দুই ঋতুর এই মিলনক্ষণে প্রকৃতি যেন অদৃশ্যভাবে নতুন এক আয়োজনে ব্যস্ত হয়ে পড়ে। ম্লান আলো, বাতাসে জমে ওঠা শীতল স্নিগ্ধতা, আর কুয়াশা এসবই যেন নীরব অতিথির মত নেমে আসে সকালের মাঠে, প্রান্তরে। শুকনো পাতার খসখস শব্দ আর শিশিরভেজা ঘাসের আদ্রতা মিলেমিশে তৈরি করে এক অনির্বচনীয় আমেজ, যেন হেমন্তের হাত ধরেই প্রকৃতি মধুর সংবরণে বরণ করে নিচ্ছে শীতকে ।‎‎ঠিক এমনই এক ঋতুসন্ধিক্ষণের দিনে আজ থেকে ৪৭ বছর আগে ১৯৭৯ সালের ২২ নভেম্বর, প্রথম যাত্রা শুরু করে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ। প্রকৃতির এই নীরব পরিবর্তনের মতোই সেদিন উচ্চশিক্ষার বুকে রচিত হয়েছিল এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা, যা আজও টিকে আছে ৪৭ বছরের ধারাবাহিকতায়। জুলাই গণঅভ্যুত্থানে খুনী লীগপন্থী ভিসির...
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়: প্রতিষ্ঠার দর্শন, অর্জনের পথচলা ও আজকের প্রত্যাশা
অভিমত, শিক্ষাঙ্গন, সর্বশেষ, সারাদেশ

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়: প্রতিষ্ঠার দর্শন, অর্জনের পথচলা ও আজকের প্রত্যাশা

|| প্রফেসর ড. মোহাঃ হাছানাত আলী ||বাংলাদেশের স্বাধীনতা-পরবর্তী রাষ্ট্র গঠনের যাত্রায় যে কয়েকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বিশেষ আদর্শিক ভূমিকা বহন করে এসেছে, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (কুষ্টিয়া-ঝিনাইদহ) তাদের অন্যতম। ১৯৭৯ সালের ২২ নভেম্বর কুষ্টিয়ার শান্তিধরা গ্রামের মাটিতে বিশ্ববিদ্যালয়টির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। উদ্দেশ্য ছিল—বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থায় এমন একটি প্রতিষ্ঠান দাঁড় করানো, যেখানে ইসলামি জ্ঞান-চর্চা আধুনিক বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও মানবিক বিদ্যার সঙ্গে সহাবস্থান করবে। পরবর্তীতে ২৭ ডিসেম্বর ১৯৮০ জাতীয় সংসদে “ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ১৯৮০” পাস হওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয়টি পূর্ণ আইনি স্বীকৃতি পায়। প্রথম উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পান এ. এন. এম. মমতাজ উদ্দীন চৌধুরী।এই ইতিহাসই বলে দেয়—ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়; এটি রাষ্ট্রের একটি দর্শন, শিক...
দেশে আরও বড় ধরনের ভূমিকম্পের আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের
অভিমত, আবহাওয়া ও পরিবেশ, জাতীয়, রাজধানী, সর্বশেষ

দেশে আরও বড় ধরনের ভূমিকম্পের আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের

|| মোহাম্মদ রাজিবুল হাসান | নিজস্ব প্রতিনিধি ||২১ তারিখ শুক্রবার বাংলাদের নরসিংদী জেলার মাধবদীতে ভূপৃষ্ঠ থেকে ১০ কিলোমিটার নিচে উৎপাদিত ভূমিকম্পের মাত্রা ছিলো ৫.৭। তাতেই কেঁপে উঠেছিলো ঢাকাসহ সারাদেশ। দেশ জুড়ে ব্যাপক হতাহতের ঘটনাও ঘটেছে। ভবিষ্যতে বাংলাদেশে কত মাত্রার ভূমিকম্প হতে পারে- তা নিয়ে আগাম পূর্বাভাস দিয়েছেন মানারাত ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ভূতত্ত্ব বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক মোহাম্মদ আব্দুর রব।তিনি বলেন, এখন বাংলাদেশে যেকোনো সময় ৮ মাত্রার ভূমিকম্পের সম্মুখীন হতে পারে।শুক্রবার সকাল ১০টা ৩৯ মিনিটে যে ভূমিকম্প হয়। আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৫.৭। অধ‍্যাপক আব্দুর রব বলেন, “আজকে একটা প্রলয়ংকরী ভূমিকম্প হতে বেঁচে গেলাম আমরা, আলহামদুলিল্লাহ”। বাংলাদেশ যে ভূতাত্ত্বিকগত টেকটনিক প্লেটের উপরে রয়েছে সেখানে ৭ বা ৮ রিখটার স্কেলের ভূমিকম্প হওয়া খুব স্বাভাবিক। কারণ ...
ভূ-রাজনীতির পরিবর্তনে বাংলাদেশের পথ চলা
অভিমত, আন্তর্জাতিক, সর্বশেষ

ভূ-রাজনীতির পরিবর্তনে বাংলাদেশের পথ চলা

|| বাপি সাহা ||বছরজুড়ে যে মানুষটি আলোচনায় রয়েছেন তিনি ডোনাল্ড ট্রাম্প। অনেক সিদ্ধান্তের জেরে তিনি দারুণভাবে সমালোচিত হয়েছেন। শুল্কনীতির ফলশ্রুতিতে তিনি যতটুকু লাভবান হতে চেয়েছিলেন, তার চেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বেশি। বাণিজ্যনির্ভর দেশকে শুল্কনীতির ফাঁদে ফেলে নিজের অর্থনীতি ও রাজনৈতিক দর্শন প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করেছিলেন, কিন্তু কতটুকু সফল হতে পেরেছেন—সেটি আমাদের ভাবতে হবে। পরিশেষে তিনি বাধ্য হয়েছেন আলোচনায় বসতে কিংবা নতি স্বীকার করতে। ভারতের সাথে নতুন করে বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষর তার একটি উদাহরণ। বৈষম্য কমাতে চীনের সাথে আলোচনাও চলমান। বর্তমানে বিবিসির সাথে তিনি বেশ কিছু বিতর্কে জড়িয়ে পড়েছেন। বিবিসি তার বক্তব্য সম্পাদনার ক্ষেত্রে ত্রুটির কথা স্বীকার করলেও দুঃখ প্রকাশ করেছেন; কিন্তু কোনোভাবেই অর্থদণ্ড দিতে রাজি নয়।সক্রেটিস মৃত্যুদণ্ড পেয়েও অর্থদণ্ডের বিনিময়ে তা প্রত্যাহারের সুযোগ পেয়েছিলেন,...
নারী নেতৃত্ব সংকটের আশঙ্কায় ব্রাকসু নির্বাচন
অভিমত, শিক্ষাঙ্গন, সর্বশেষ, সারাদেশ

নারী নেতৃত্ব সংকটের আশঙ্কায় ব্রাকসু নির্বাচন

|| রেদওয়ানাতুল জান্নাত ||প্রতিষ্ঠার ১৭ বছর পর প্রথমবারের মতো কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে উত্তরের বিদ্যাপীঠ বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে (বেরোবি)। শিক্ষার্থীদের দীর্ঘ প্রতিক্ষা, অনশন, আন্দোলনে প্রাপ্ত এই নির্বাচনী নীতিমালায় উচ্ছ্বসিত সম্ভাব্য প্রার্থী ও ভোটারগণ।ইতোমধ্যেই সোসাল মিডিয়ায় নিজস্ব প্রোফাইলে সম্ভাব্য প্রার্থীরা নিজ নিজ প্রচারণায় মূখর রয়েছেন। ব্রাকসু নিয়ে ব্যাপক আগ্রহ ও চাঞ্চল্য দেখা যাচ্ছে সাধারণ ভোটারদের মাঝেও। এতকিছুর ভীড়েও প্রশ্ন উঠছে নারী নেতৃত্বের অপ্রতুলতা নিয়ে।গেলো ২৮ অক্টোবর ২০২৫ তারিখে প্রণীত "বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর-এর শিক্ষার্থী সংসদ ও হল শিক্ষার্থী সংসদসমূহের গঠন ও পরিচালনা বিধিমালা, ২০২৫" এর "কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ" এর লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যে উল্লেখ করা হয়, শিক্ষার্থীদের সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলা এবং নেতৃত্বের গুণাবলি বিকাশে ভূমিক...
সামাজিক অবক্ষয়রোধে পরিবার থেকেই নৈতিক শিক্ষা গ্রহণ জরুরী
অভিমত, ধর্ম ও দর্শন, সর্বশেষ

সামাজিক অবক্ষয়রোধে পরিবার থেকেই নৈতিক শিক্ষা গ্রহণ জরুরী

|| ডা. আনোয়ার সাদাত ||অর্থনীতিকে আমাদের দেশের সবচেয়ে বড় সংকট, বা অনেকে আবার জনসংখ্যাকে সবচেয়ে বড় সমস্যা বা সংকট হিসেবে চিহ্নিত করে থাকেন। কিন্তু আপনি যদি বাস্তব অবস্থা পর্যালোচনা করেন, তাহলে এটা আপনার নিকট স্পষ্ট হয়ে উঠবে যে, আমাদের দেশে দুর্নীতি, বৈষম্য, অর্থপাচারসহ সকল ক্ষেত্রে চরম অনিয়ম অব্যবস্হাপনাই অর্থাৎ নৈতিক অবক্ষয়জনিত কর্মকাণ্ডই অশান্তি ও সংকটের মূল কারণ।এক্ষেত্রে ব্যক্তি হিসেবে সর্বপ্রথম নিজেকে পরিশুদ্ধ করতে হবে। এরপর পরিবার ও সমাজকে সঠিক পথে পরিচালনা করার জন্য প্রচেষ্টা চালাতে হবে। কোন ব্যক্তি আদর্শের কথা বলবেন অথচ তার জীবনে ভালো কোন আদর্শ প্রতিফলিত হবে না, তাহলে তার এ কথা সমাজে কোনো প্রভাব ফেলবে না। যে ব্যক্তি নিজের কথায় নিজেই আস্থা রাখে না, তার কথায় মানুষ আকৃষ্ট হতে পারে না। এ ধরনের স্ববিরোধীদেরই কঠোর ভাষায় পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে, হে ঈমানদার লোকেরা, তোমরা কেন সে...
কেন ভেস্তে গেল পাক-আফগান শান্তি আলোচনা
অভিমত, আন্তর্জাতিক, সর্বশেষ

কেন ভেস্তে গেল পাক-আফগান শান্তি আলোচনা

|| বাপি সাহা ||অনেকটা আশা জাগিয়ে ভেস্তে গেল পাক-আফগান শান্তি আলোচনা। কার কতটুকু লাভ হলো সেই হিসাব দুই দেশের রাজনীতিবিদদের। শান্তি আলোচনার মাধ্যমে যুদ্ধ বিরতির সুযোগে হয়তো নোবেল পুরস্কারও ফোকাসে যেতে পারে রাষ্ট্রনায়কদের।যুদ্ধ আমাদের কাম্য নয়, কারণ যুদ্ধ সবসময় ধ্বংস ডেকে আনে। গাঁজায় ক্ষুধার্ত শিশুর আর্তনাদ আর মায়ের কান্না দূরদেশ থেকে এখনও ভেসে আসে। গাঁজা কিন্তু শান্ত হয়নি। শোকার্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা ছাড়া আর কী দিতে পারব আমরা? যুদ্ধ আমরা চাইনি, কিন্তু যুদ্ধ চাপিয়ে দিলে নিজের অস্তিত্ব রক্ষায় নিজেকে লড়তে হয়।যাই হোক, রাতের শুকতারার মতো জ্বলে উঠে আবার নিভে গেল পাক-আফগান শান্তি আলোচনা। তুরস্কের ইস্তাম্বুলে অনুষ্ঠিত এই আলোচনা শেষ পর্যন্ত আলোর মুখ দেখেনি। আফগানরা পাকিস্তানকে দোষারোপ করলেও পাকিস্তান তা মানতে রাজি নয়। সীমান্তে আবারও বিমান হামলা শুরু হয়েছে। আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত এই যু...
সেকুলারিজম কি? মুসলমানরা কি আদর্শ হিসেবে এ মতবাদ গ্রহন করতে পারে?
অভিমত, ধর্ম ও দর্শন, সর্বশেষ

সেকুলারিজম কি? মুসলমানরা কি আদর্শ হিসেবে এ মতবাদ গ্রহন করতে পারে?

|| ডা. আনোয়ার সাদাত ||সেকুলারিজম নিয়ে বিভিন্ন বিতর্ক রয়েছে। সেকুলারিজমকে ধর্ম নিরপেক্ষ মতবাদ হিসেবে বলা হয়ে থাকে। মুসলিম সমাজেও বিষয়টি নিয়ে অস্পষ্টতা ও বিভিন্ন বিতর্ক রয়েছে।অভিধানে secularism শব্দের নিম্নরূপ অর্থ এসেছে:পার্থিববাদী অথবা বস্তুবাদী,ধর্মভিত্তিক বা আধ্যাত্মিক নয়,দ্বীনপালনকারী নয়।একই অভিধানে secularism শব্দের সংজ্ঞায় এসেছে:“secularism এমন একটি দর্শন, যার বক্তব্য হচ্ছে, চরিত্র-নৈতিকতা ও শিক্ষা ধর্মীয় নীতির উপর প্রতিষ্ঠিত হতে পারবে না”। এ দর্শনের লক্ষ্য দুনিয়াকে দ্বীনের প্রভাবমুক্ত করা। সেকুলারিজম একটি মতবাদ, তার কাজ হচ্ছে পার্থিব জগতের সকল বিষয়কে ধর্মীয় বিধি-নিষেধ থেকে মুক্ত রেখে রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সামাজিক, আদর্শিক ও পারস্পরিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে তার নিজের তৈরি বিধান দেওয়া ও সকল স্তরে নেতৃত্ব প্রদান করা। পাশ্চাত্য দেশে এই মতবাদ ব্যাপকভাবে ঠিক তখনই প্রচলিত হয়েছিল, যখ...