বিশ্ব দুগ্ধ দিবসঃ “মেধাবী জাতি এবং স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে দুধের ভূমিকা”
|| প্রফেসর ড. মোঃ নূরুল ইসলাম ||১ জুন, বিশ্ব দুগ্ধ দিবস। জাতিসংঘের অঙ্গসংগঠন খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (FAO) সর্বপ্রথম ২০০১ সালের ১ জুনকে বিশ্ব দুগ্ধ দিবস হিসেবে উদযাপনের ঘোষণা দেন। তার পর হতে বিশ্বের প্রায় ৪০টিরও বেশী দেশে এই দিবসটি উদযাপিত হয়ে আসছে। তবে ১ জুন কোন কারণে উদযাপন করতে না পারলে জুনের প্রথম সপ্তাহে (১—৭) যে কোন দিন দিবসটি উদযাপন করা যায়। দিবসটি উদযাপনের উদ্দেশ্য হলো বৈশ্বিক খাদ্য হিসেবে দুধের গুরুত্ব তুলে ধরা এবং জনগণের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করে ডেয়রী শিল্পের বিকাশ ঘটানো।দুধ প্রকৃতির শ্রেষ্ঠ খাবার। জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত জীবনের প্রতিটি স্তরেই রয়েছে দুধের প্রয়োজনীয়তা। খাদ্যের ছয়টি উপাদান (পানি, আমিষ, চর্বি, শর্করা, মিনারেল ও ভিটামিন) সুষম ভাবে দুধে উপস্থিত থাকায় এটিকে শুধু মাত্র পানীয় না বলে আদর্শ খাদ্যও বলা হয়। স্বাভাবিক গাভীর দুধে প্রায় ৮৭.৫% পানি, ৩.৫% আমিষ, ৩...
