
|| সেলিম মোল্লা | নিজস্ব প্রতিনিধি (মানিকগঞ্জ) ||
মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলার নালী ইউনিয়নের রামদিয়া কবরস্থানের উন্নয়নকাজ ও সরকারি বরাদ্দের অর্থ নিয়ে একটি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছেন স্থানীয় মুসল্লি ও এলাকাবাসী।
শুক্রবার (জুমার নামাজের পর) রামদিয়া জামে মসজিদের সামনে এ মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে স্থানীয় মুসল্লি ও এলাকাবাসী অংশগ্রহণ করেন।
মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা বলেন, রামদিয়া কবরস্থানের উন্নয়নকাজ ও সরকারি বরাদ্দের অর্থ নিয়ে প্রকাশিত সংবাদে মোশাররফ হোসেন ও শহিদুল ইসলাম ভুট্টকে জড়িয়ে যেসব অভিযোগ করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও ষড়যন্ত্রমূলক। সঠিক তথ্য যাচাই না করে এ ধরনের সংবাদ প্রকাশ করায় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সামাজিক মর্যাদা ক্ষুণ্ন হয়েছে।
রামদিয়া কবরস্থানের সাধারণ সম্পাদক মো. শহিদুল ইসলাম ভুট্ট বলেন, “মোশাররফ হোসেন কবরস্থান পরিচালনা কমিটির কোনো সদস্য নন। অথচ তাকে জড়িয়ে আমার নামেও মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক অভিযোগ তুলে সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে। প্রকাশিত সংবাদের অভিযোগগুলো সম্পূর্ণ মিথ্যা।”
মোশাররফ হোসেন বলেন, “আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক। বিষয়টি জানার পর রামদিয়া জামে মসজিদের মুসল্লিরা জুমার নামাজের পর মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশের আয়োজন করেছেন।”
এলাকাবাসী বলেন, প্রকাশিত সংবাদে কবরস্থানের কোনো উন্নয়নকাজ না করেই পাঁচ লাখ টাকা উত্তোলনের চেষ্টা এবং সরকারি অর্থ আত্মসাতের যে অভিযোগ আনা হয়েছে, তা অত্যন্ত নিন্দনীয়। যথাযথ নথিপত্র ও তথ্য যাচাই না করে এমন অভিযোগ প্রকাশ করা দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার পরিচয় বহন করে না।
তারা আরও বলেন, সরকারি প্রকল্পের অর্থ আত্মসাৎ কিংবা কোনো ধরনের অনিয়মের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ তারা প্রত্যাখ্যান করছেন। একটি জনকল্যাণমূলক ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নকাজ নিয়ে বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রকাশের ফলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের সুনাম ক্ষুণ্ন হয়েছে এবং এলাকাবাসীর মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছে।
মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ থেকে সংশ্লিষ্ট সংবাদমাধ্যম ও প্রতিবেদকের কাছে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিটি অভিযোগের পক্ষে তথ্য-প্রমাণ উপস্থাপনের আহ্বান জানানো হয়। পাশাপাশি প্রকাশিত সংবাদের বিষয়ে লিখিত প্রতিবাদ গ্রহণ করে অভিযোগগুলোর জবাব ও প্রয়োজনীয় সংশোধনী প্রকাশের দাবি জানান এলাকাবাসী।
তাদের দাবি, অনতিবিলম্বে প্রকাশিত সংবাদের অসত্য ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রত্যাহার করে প্রকৃত ঘটনা তুলে ধরতে হবে।
