
|| খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি ||
খাগড়াছড়ির পানছড়িতে খোলা বাজারে বিক্রি করা (ওএমএস) চাল ও আটা ওজনে কম দেওয়ার মারাত্মক অভিযোগ উঠেছে ডিলার মেসার্স জামান এন্টারপ্রাইজের বিরুদ্ধে।
সোমবার (১৭ আগস্ট ২০২৬) সকালে চাল ও আটা বিতরণের সময় সরেজমিনে দেখা যায়, প্রতি ৫ কেজির চাল ও আটার বরাদ্দে ২০০ গ্রাম থেকে ৫০০ গ্রাম পর্যন্ত কম দেওয়া হচ্ছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন ক্রেতা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “আমরা গরিব মানুষ, তাই কম দামে চাল-আটা কিনতে আসি। কিন্তু এখানে এসে দেখি প্রতি ৫ কেজিতে ২০০ থেকে ৫০০ গ্রাম পর্যন্ত কম দেয়। এ বিষয়ে কথা বললে বলা হয় গুদাম থেকেই নাকি কম এসেছে। এভাবে চাল কম পেলে আমাদের সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়ে। আমরা প্রশাসনের কাছে বিষয়টি দ্রুত তদন্ত করে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।”
ওজনে কম দেওয়ার বিষয়টি স্বীকার করে ডিলার মেসার্স জামান এন্টারপ্রাইজের মালিক নুরুজ্জামান বলেন, খাদ্যগুদাম থেকেই তাদের প্রতি বস্তায় ১ থেকে ৩ কেজি পর্যন্ত চাল কম দেওয়া হয়। তাই বাধ্য হয়েই তারা গ্রাহকদের ওজনে কম দিচ্ছেন।
তবে এই অভিযোগ অস্বীকার করে উপজেলা খাদ্যগুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি এলএসডি) গোলাম মোস্তফা জানান, গুদাম থেকে বস্তায় চাল কম দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। তবে কিছু পুরাতন চালের বস্তায় ২০০ থেকে ৫০০ গ্রাম পর্যন্ত শুকিয়ে কম থাকতে পারে।
