Wednesday, August 12

এবার নাসিরউদ্দিন শাহকে ‘শিয়াল’ বলে কটাক্ষ কঙ্গনার

|| বিনোদন ডেস্ক ||

শিক্ষার্থীদের আন্দোলন ও বলিউডের নীরবতা নিয়ে বর্ষীয়ান অভিনেতা নাসিরউদ্দিন শাহের বিতর্কিত মন্তব্যের জল বহুদূর গড়িয়েছে। সম্প্রতি অভিনেতা-সংগীতশিল্পী পিয়ূষ মিশ্রর তীব্র সমালোচনার পর এবার প্রবীণ এই অভিনেতাকে সরাসরি নিশানা করেছেন বিজেপি সাংসদ ও অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাওয়াত। নাসিরউদ্দিন শাহকে ‘চতুর শিয়াল’ আখ্যা দিয়ে কঙ্গনা খোঁচা মেরে বলেন, তিনি ভারতের অন্ন খেলেও লড়াই করেন প্রতিবেশী দেশের স্বার্থে।

বিতর্কের সূত্রপাত দিল্লির যন্তর মন্তরে শিক্ষার্থীদের সিএএ-বিরোধী আন্দোলনের সময়। তখন হিন্দি চলচ্চিত্রশিল্পের নীরব ভূমিকা নিয়ে কটাক্ষ করে নাসিরউদ্দিন শাহ মন্তব্য করেছিলেন, বলিউড ইন্ডাস্ট্রি এমন এক কুকুরের মতো যার মুখে হাড় গোঁজা রয়েছে, তাই সে ডাকতে পারছে না। দীর্ঘদিন পর সম্প্রতি ঝাড়খণ্ডের রাঁচিতে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে নাসিরউদ্দিনের সেই মন্তব্যের কড়া জবাব দেন পিয়ূষ মিশ্র। তিনি প্রশ্ন তোলেন, শ্রদ্ধার সঙ্গেই বলছি—আজ ঝাড়খণ্ডের শিক্ষার্থীদের এই আন্দোলনের সময় বাকিরা কোথায়? একই সঙ্গে নিট প্রশ্নফাঁস নিয়ে আন্দোলনকারীদের আরাম-আয়েশ কেন্দ্রিক মানসিকতা নিয়েও সমালোচনা করেন পিয়ূষ।

পিয়ূষ মিশ্রর এই বক্তব্যে একাত্মতা প্রকাশ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তোপ দাগেন কঙ্গনা রানাওয়াত। তিনি লেখেন, সবাই কারও না কারও অনুগত, তবে যে দেশের অন্ন গ্রহণ করেন, তার প্রতি বিশ্বস্ত থাকতে পেরে তিনি গর্বিত। কিন্তু নাসির সাহেব এ দেশের খেয়ে লড়াই করেন প্রতিবেশী দেশের হয়ে। আনুগত্যের দিক থেকে বিশ্বস্ত কুকুরের সঙ্গে তুলনা করাকে প্রশংসনীয় উল্লেখ করে কঙ্গনা যোগ করেন, নাসিরউদ্দিন শাহের মতো চতুর ‘শিয়াল’ হওয়ার চেয়ে তিনি বরং বিশ্বস্ত কুকুর হওয়াকেই বেছে নেবেন।

তারকাদের এই পাল্টাপাল্টি আক্রমণের সঙ্গে ক্ষমতাসীন দলের সাংসদ কঙ্গনা যুক্ত হওয়ায় বিষয়টিতে নতুন করে রাজনৈতিক মাত্রা যোগ হয়েছে। প্রসঙ্গত, এর আগে নিট প্রশ্নফাঁস নিয়ে ‘জেন-জি’ প্রজন্মকে ‘নর্দমার প্রজন্ম’ বলে তোপের মুখে পড়েছিলেন কঙ্গনা, যদিও পরে বক্তব্য পরিবর্তন করেছিলেন তিনি। এবার বর্ষীয়ান অভিনেতা নাসিরউদ্দিন শাহকে নিয়ে তাঁর এই মন্তব্য বিনোদন জগতে নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।

সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *