বুধবার, ফেব্রুয়ারি ২৫

পিলখানায় শহীদ সেনাদের প্রতি রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর গভীর শ্রদ্ধা

|| মোহাম্মদ রাজিবুল হাসান | নিজস্ব প্রতিবেদক ||

পিলখানায় বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ডে শহীদ সেনাসদস্যদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টায় রাজধানীর বনানী সামরিক কবরস্থানে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে তারা এই শ্রদ্ধা জানান। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তারা শহীদদের স্মৃতির প্রতি সম্মান জানিয়ে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন এবং বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাতে অংশ নেন।

এ উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পিলখানা ট্র্যাজেডির নেপথ্য কারণ উদঘাটনের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। তিনি বলেন, নাগরিক হিসেবে বিষয়টি সবার উপলব্ধিতে থাকা জরুরি। ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশে জনগণের কাছে পিলখানার হত্যাকাণ্ডের নেপথ্য কারণ এখন বোধগম্য।

এ হত্যাকাণ্ডের পর নানা ধরনের মিথ্যা ও অপতথ্য ছড়িয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করা হয়েছিল।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, সশস্ত্র বাহিনী একটি স্বাধীন দেশের মর্যাদা, বীরত্ব ও গৌরবের প্রতীক। ভবিষ্যতে যেন কেউ সশস্ত্র বাহিনীর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হতে না পারে, সে জন্য পুনরায় শপথে বলীয়ান হওয়ার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।

সবশেষে তারেক রহমান বলেন, ‘দেশ এবং জনগণের স্বার্থের বিপরীতে যেকোনো ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে রুখে দাঁড়াবো—এই হোক শহীদ সেনা দিবসের প্রত্যয়।

বনানীতে শ্রদ্ধা নিবেদনকালে তিন বাহিনীর প্রধানগণসহ সরকারের উচ্চপদস্থ সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, ২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি বিডিআরের (বর্তমানে বিজিবি) ঢাকার পিলখানা সদরদপ্তরে বিদ্রোহের নামে তৎকালীন বিডিআর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল শাকিল আহমেদসহ ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তাসহ মোট ৭৪ নিহত হন। গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর গত বছর বাংলাদেশের ইতিহাসে বিভীষিকাময় ও শোকাবহ এ দিনটি জাতীয় ‘শহীদ সেনা দিবস’ হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত হয়।

আজ পিলখানা ট্র্যাজেডির ১৭ বছর পূর্ণ হলো। এই দিনে জাতি গভীর শোক ও শ্রদ্ধার সঙ্গে সেই বীর সন্তানদের স্মরণ করছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *