সোমবার, মার্চ ৩০

খুলনার ক্রীড়াঙ্গন পুনর্জীবিত করতে প্রশাসকের উদ্যোগ

|| এস এম শাহরিয়ার | জেলা প্রতিনিধি (খুলনা) ||

খুলনা সিটি কর্পোরেশনের (কেসিসি) প্রশাসক জানিয়েছেন, খুলনার ক্রীড়াঙ্গন বর্তমানে স্থবির। শহরে খেলাধুলার পরিবেশ নেই বললেই চলে। তবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ইতিমধ্যেই ক্রীড়াঙ্গনের সব সমস্যার সমাধানে পদক্ষেপ শুরু করেছেন। প্রশাসক বলেন, “আমাদের সন্তানরা যেন ক্রীড়াচর্চার মাধ্যমে সুশৃঙ্খল জীবন গড়ে তুলতে পারে, সেই লক্ষ্য নিয়েই এগোতে হবে।”

সোমবার (৩০ মার্চ) সকালে মহিলা ক্রীড়া কমপ্লেক্সে বাংলাদেশ কারাতে ফেডারেশনের আয়োজিত প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত রেফারি, কোচ ও অ্যাথলেটদের মাঝে সার্টিফিকেট ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন। অংশগ্রহণকারীদের হাতে সরাসরি সার্টিফিকেট ও পুরস্কার তুলে দিয়ে প্রশাসক ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে এ ধরনের আয়োজনের প্রত্যাশা প্রকাশ করেন।

প্রশাসক ক্রীড়াঙ্গনের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের সক্রিয় অংশগ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, “নতুন এই যাত্রায় তরুণদের নতুন কিছু করার আগ্রহ কাজে লাগালে ক্রীড়াঙ্গনকে গতিশীল করা সম্ভব।” ক্রীড়া সেক্টরে বিদ্যমান সমস্যাগুলো সমাধানের জন্য প্রয়োজনে ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলেও তিনি জানান।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন খুলনা জেলা ক্রীড়া সংস্থার সভাপতি আলিমুজ্জামান খান। বিশেষ অতিথি ছিলেন কেসিসি’র প্রধান প্রকৌশলী মশিউজ্জামান খান। অনুষ্ঠানের সঞ্চালনা করেন খুলনা বিভাগের কারাতে সংশ্লিষ্ট সংগঠক ‘সোতো কান’-এর চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলী। কেসিসি’র প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোল্লা মারুফ রশীদসহ ক্রীড়াঙ্গনের বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিবর্গও উপস্থিত ছিলেন।

পরবর্তী কর্মসূচিতে প্রশাসক সোনাডাঙ্গা মেইন রোডের ‘রেনু’ (রিহ্যাবিলিটেশন ফর এক্সট্রাঅডিনারি চিলড্রেন এন্ড নিউরোডাইভার্স আন্ডারস্ট্যান্ডিং) সেন্টার পরিদর্শন করেন। সভায় তিনি অটিজম শিশুদের নিয়ে কাজ করা ব্যক্তিদের মানবতাবাদী হিসেবে স্বীকৃতি দেন এবং প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে সব ধরনের সহযোগিতা প্রদানের আশ্বাস দেন। তিনি আরও জানান, বিভিন্ন দাতা ও সহযোগী সংস্থাকে এর সঙ্গে যুক্ত করার চেষ্টা করা হবে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান দিবেন্দু দ্বীপ, সমাজসেবক আসাদুজ্জামান মুরাদসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

এর আগে প্রশাসক ট্রাক টার্মিনালের দক্ষিণ পাশের খাল এবং গল্লামারী কসাইখানা সরেজমিন পরিদর্শন করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রধান প্রকৌশলী মশিউজ্জামান খান, কঞ্জারভেন্সী অফিসার প্রকৌশলী মো: আনিসুর রহমান, আর্কিটেক্ট রেজবিনা খানম, ভেটেরিনারী সার্জন ড. পেরু গোপাল বিশ্বাস, প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোল্লা মারুফ রশীদ, এস্টেট অফিসার গাজী সালাউদ্দীন এবং সাবেক কাউন্সিলর মো: হাফিজুর রহমান মনিসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *