
|| শেখ শাহরিয়ার | খুলনা প্রতিনিধি ||
খুলনা ধান চাল বণিক সমিতির “বিশেষ সাধারণ সভা” সমিতির সভাপতি ও খুলনা চেম্বারের সাবেক সভাপতি মোঃ মুনীর আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার (১৭ জুলাই) সকাল সাড়ে ১০ টায় সমিতির কার্যালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত এই সভা পরিচালনা করেন সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোঃ আঃ মোহামেন কালু।
বিশেষ সাধারণ সভায় সমিতির নেতৃবৃন্দ বলেন, বর্তমানে এই অঞ্চলে ব্যবসা-বাণিজ্যে চরম মন্দা বিরাজ করছে। তদুপরি চাঁদাবাজদের দ্বৈরাত্ব বৃদ্ধি পাচ্ছে। এহেন পরিস্থিতিতে রেলভূমি ব্যবহারে খাজনা বৃদ্ধি ব্যবসায়ীদের ব্যবসা বন্ধ হয়ে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে। ব্যবসায়ীরা তাদের জীবন-জীবিকা নির্বাহে চরম আশংকা ও দুঃচিন্তার মধ্যে পড়েছে।
বক্তারা আরও বলেন, খুলনা সিটি কর্পোরেশনের আওতাধীন খুলনা ও দৌলতপুর অঞ্চল খাজনা বৈষম্যমুলকভাবে খুলনার রেলওয়ের খাজনা দৌলতপুর অঞ্চল থেকে বেশি ধার্য্য করা হয়েছে। সরকারের রেল মন্ত্রালয়ের ভূ-সম্পত্তি বিভাগের নিকট অবিলম্বে বর্ধিত রেলভূমির বৈষম্যমুলক খাজনা প্রত্যাহারের জোর দাবি জানাচ্ছে। রেলভূমি ব্যবহারকারী ব্যবসায়ীরা লীজপ্রাপ্ত ভাড়াটিয়া মাত্র। সেখানে খুলনা সিটি কর্পোরেশন হোল্ডিং ট্যাক্স এর নামে ব্যবসায়ীদের হয়রাণী করে চলছে। অবিলম্বে হয়রানী বন্ধ করতে হবে।
খুলনা চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রিজ বাণিজ্য মন্ত্রালয়াধীন ডাইরেক্টর অব ট্রেড অর্গানাইজেশনের অধীন চেম্বারের সদস্য নবায়ন ফি হঠাৎ করে ৫ গুণ বৃদ্ধির ফলে ব্যবসায়ীদের মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশার সৃষ্টি হয়েছে। কারণ, সাধারণ ব্যবসায়ীদের বর্ধিত ফি পরিশোধের সক্ষমতা নেই। যার ফলে চেম্বারের নেতৃত্বে সাধারণ ব্যবসায়ীদের নেতৃত্ব দেওয়ার সুযোগ থাকবে না। যার ফলে সাধারণ ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্থ হবেন। তাই বর্ধিত সদস্য নবায়ন ফি প্রত্যাহারের জোর দাবি জানাচ্ছে।
সাধারণ সভায় খুলনায় চাউল ব্যবসায়ে বিশেষ অবদান রাখায় বিশেষ করে খুলনা বড় বাজারের চাউল সরবরাহ বজায় রাখার ক্ষেত্রে ধান চাল বণিক সমিতিভূক্ত ৭ জন সম্মানিত সভ্যকে সম্মাননা স্মারক ও ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়।
সভার সভাপতি মোঃ মুনীর আহমেদ তার বক্তব্যে বলেন, ব্যবসায়ীদের ঐক্য গড়ে তুলতে হবে এবং ব্যবসায়ীদের যাবতীয় অসুবিধা দূর করনের স্বার্থে প্রত্যেক ব্যবসায়ী সমিতিকে জাতি, ধর্ম ও দল মতের উর্দ্ধে ঐক্য বদ্ধভাবে প্রচেষ্ঠা চালাতে হবে তাহলেই সফলতা আসবে।
সংবর্ধিত অতিথিবৃন্দ যথাক্রমে- মোঃ ফারুক শেখ, বিদ্যুৎ কুমার দাস, গোবিন্দ কুমার কুন্ডু, সৈকত আহমেত রাজু, বাসুদেব কুন্ডু, শংকর কুমার সরকার ও মোঃ জালাল উদ্দিন।
