শুক্রবার, জানুয়ারি ৯

এলপি গ্যাসের ভ্যাট কমানোর সুপারিশ মন্ত্রণালয়ের

|| নিজস্ব প্রতিবেদক | আলোকিত দৈনিক ||

বাজারে এলপি গ্যাসের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে এবং চলমান সংকট নিরসনে আমদানি ও উৎপাদন পর্যায়ে ভ্যাট ও আগাম কর প্রত্যাহারের সুপারিশ করেছে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়। বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে (এনবিআর) পাঠানো এক চিঠিতে এই সুপারিশ জানানো হয়।

চিঠিতে এলপিজি আমদানিতে বিদ্যমান ১৫ শতাংশ ভ্যাট কমিয়ে ১০ শতাংশের নিচে নামানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে স্থানীয় উৎপাদন পর্যায়ে আরোপিত সাড়ে ৭ শতাংশ ভ্যাট, ব্যবসায়ী পর্যায়ের ভ্যাট এবং আগাম কর (এটিএ) সম্পূর্ণ প্রত্যাহারের অনুরোধ জানিয়েছে মন্ত্রণালয়।

জ্বালানি মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, দেশের এলপিজি চাহিদার প্রায় ৯৮ শতাংশই বেসরকারি খাতের মাধ্যমে আমদানিকৃত গ্যাসের ওপর নির্ভরশীল। শীত মৌসুমে বিশ্ববাজারে সরবরাহ ঘাটতি এবং দেশে পাইপলাইনের গ্যাসের চাপ কমে যাওয়ায় এলপিজির চাহিদা বহুগুণ বেড়ে যায়। এই বাড়তি চাপের সুযোগে বাজারে তীব্র সংকট তৈরি হয়েছে, যা সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

মন্ত্রণালয় আরও জানায়, গত ১৮ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের এক সভার সিদ্ধান্ত এবং এলপিজি অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (লোয়াব) নেতাদের সঙ্গে আলোচনার প্রেক্ষিতে এনবিআর-কে এই সুপারিশ পাঠানো হয়েছে। কর কাঠামোতে এই পরিবর্তন আনা সম্ভব হলে এলপিজির উৎপাদন ও আমদানিতে খরচ কমবে, যা সরাসরি ভোক্তা পর্যায়ে দাম নিয়ন্ত্রণে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *