শনিবার, ফেব্রুয়ারি ২৮

অভিমত

বিশ্ব রাজনীতি, নির্বাচন ও বাংলাদেশের অর্থনীতি : ভাবনার সময় এখনই
অভিমত, আন্তর্জাতিক, সর্বশেষ

বিশ্ব রাজনীতি, নির্বাচন ও বাংলাদেশের অর্থনীতি : ভাবনার সময় এখনই

|| বাপি সাহা ||দেশ এখন নির্বাচনী ট্রেনে। নির্বাচন নিয়ে আর কোনো কথা নয়। নির্বাচন এখন জনগণ প্রত্যাশা করে। ঘোষিত সময়ের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে— সেটি এখন সকলের প্রত্যাশা। একটি দেশের জন্য নির্বাচন অনেক গুরুত্ব বহন করে। দেশের ব্যবসা-বাণিজ্যসহ সবকিছু নির্ভর করে নির্বাচনের উপর। দেশ এগিয়ে যাক— এটি আমার মতো সকলের প্রত্যাশা। আমার মতো কোটি কোটি নাগরিক তাকিয়ে রয়েছে নির্বাচনের দিকে। অর্থনীতির চাকাকে সচল রাখার জন্য রাজনীতিবিদদের ভূমিকা কিন্তু কম নয়।বাংলাদেশের চট্টগ্রাম বন্দরসহ মোংলা বন্দর লিজ বা ইজারা দেওয়ার কথা উঠেছে। বিষয়টি নিয়ে গভীরভাবে ভাবতে হবে। জানামতে, চট্টগ্রাম বন্দর একটি লাভজনক বন্দর— এ বিষয়ে কোনো দ্বিমত নেই। মোংলা বন্দরের প্রতিও বিদেশিদের আগ্রহ কম নয়। লাভজনক বন্দরটি ঘিরে বিদেশিদের আগ্রহ দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। তবে বন্দরগুলো বিদেশিদের হাতে তুলে দেওয়া সাধারণ জনগণের মধ্যে বির...
জোহরান মামদানির জয় মার্কিন প্রেসিডেন্ট-এর কি বার্তা বহন করে!
অভিমত, আন্তর্জাতিক, সর্বশেষ

জোহরান মামদানির জয় মার্কিন প্রেসিডেন্ট-এর কি বার্তা বহন করে!

|| বাপি সাহা ||শুরুটা একটু ভিন্ন আঙ্গিকে করা যাক অনেকটা প্রত্যাশিতভাবে মার্কিন প্রেসিডেন্টের কড়া বার্তার মধ্যে নির্বাচিত হয়েছেন জোহরান মামদানি। মার্কিন ইতিহাসে নবধারার সূচনা করেছেন তিনি। মার্কিন প্রেসিডেন্ট-এর চ্যালেঞ্জ-এর মুখে অনেকটা তিনি জয়যুক্ত হয়েছেন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট শুরু থেকে অনেকটা হুমকির সুরে কথা বলে তার বাণিজ্য শুল্ক নীতির মাধ্যমে অনেকটা চাপের মুখে রাখতে চেয়েছেন বিশ্বকে যদিও বিশ্বের বিভিন্ন চৌকষ নেতারা তার বিরোধীতা করেছেন। আমাদের উৎপাদিত পণ্যের উপর চাপিয়ে দেওয়া শুল্কের ফলে আমাদের অনেক দেন দরবার করতে হয়েছে, যা ছিল আমাদের জন্য দুঃচিন্তার কারণ। যদিও কিছু হলেও কাটিয়ে উঠতে চেষ্টা করছে আমাদের পোশাক শিল্পের ব্যবসায়ীরা। কতটুকু ঘুরে দাঁড়াতে পারবে, সেটি এখন ভাবার বিষয়।এশিয়া সফরের মাধ্যমে মার্কিন প্রেসিডেন্ট যে বার্তা দিতে চেয়েছেন সেটি আমাদের জন্য উৎকন্ঠার কারণ হিসেবে বলা যেতে পার...
দক্ষ যুবসমাজ গড়তে বেলকুচিতে টিটিসি স্থাপন সময়ের দাবি
অভিমত, সর্বশেষ, সারাদেশ

দক্ষ যুবসমাজ গড়তে বেলকুচিতে টিটিসি স্থাপন সময়ের দাবি

|| রাশিদুল ইসলাম (রাসেল) ||আমরা বহির্বিশ্বের দিকে তাকালে দেখতে পাই বিভিন্ন উন্নয়নের পিছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে কারিগড়ি দক্ষতাসম্পন্ন জনশক্তি। এজন্য উন্নত দেশ গড়তে কারিগরি শিক্ষার কোনো বিকল্প নেই। একজন কারিগরি শিক্ষায় শিক্ষিত বা দক্ষ নাগরিক দেশের সম্পদ। আর টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টার (টিটিসি), যা হাতে কলমে শিক্ষার একমাত্র কেন্দ্র।সিরাজগঞ্জের বেলকুচি উপজেলায় তাঁতশিল্পের করুণদশার ফলে যুবসমাজের অনেক তরুণ-তরুণী কর্মহীন দিনাতিপাত করছে। আমাদের এই কর্মহীন ভাই-বোনদের কথা ভেবেই বলতে হচ্ছে, বেলকুচিতে একটি (টিটিসি)-এর ভিষণ প্রয়োজন। যা আমাদের যুবসমাজ এবং কর্মহীন ভাই-বোনদের দক্ষ হয়ে উঠার মূল কারণ হতে পারে। যেখানে সুইং মেশিন অপারেট, কম্পিউটার ট্রেনিং, ড্রাইভিং এবং জাপানিজ, কোরিয়া ও চাইনিজ এবং বিভিন্ন শর্ট কোর্সের মাধ্যমে দেশের বেকারত্ব ঘোচাতে সক্ষম হবে।লেখক পরিচিতি: শিক্ষার্থী, বিএসস...
ছাত্রীদের জন্য শালীন ইউনিফর্ম বিশ্ববিদ্যালয়ের কোড অব কন্ডাক্টে অন্তর্ভুক্তি সময়ের দাবি
অভিমত, শিক্ষা ও সাহিত্য (প্রবন্ধ, গল্প, কবিতা, জীবনী), শিক্ষাঙ্গন, সর্বশেষ

ছাত্রীদের জন্য শালীন ইউনিফর্ম বিশ্ববিদ্যালয়ের কোড অব কন্ডাক্টে অন্তর্ভুক্তি সময়ের দাবি

|| প্রফেসর ড. আ ব ম সাইফুল ইসলাম সিদ্দিকী ||বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার ৯২% মুসলিম। এদেশের মানুষ নিঃসন্দেহে ধর্মপ্রাণ। কিন্তু এটাও সত্য যে ধর্মের প্রকৃত মর্ম সম্পর্কেও সিংহভাগ ধর্মালম্বীর ধারণা একেবারেই সীমিত।তারা আল-কুরআনের reading পড়াকে কুরআনের পন্ডিত, দুই একটা হাদিস বাংলায় বলতে পারলেই মুহাদ্দিস, ছোটখাটো দু একটা ফতোয়া সম্পর্কে ধারণা থাকলেই মুফতী, কোন আয়াতের নিজের মত করে মনগড়া দু একটা কথা বলতে পারলে মুফাসসির বলে দাবি করতে দেখা যায়।আসলে আমরা ধর্মকে যত সহজ মনে করি, ধর্মীয় জ্ঞান আহরণ এবং তদনুযায়ী তা জীবনে বাস্তবায়ন অনেক কঠিন।অধুনা যুগে বিশ্ববিদ্যালয়ের উচ্চশিক্ষিত আমাদের অনেক ছেলে-মেয়েকেই ধর্মের বিভিন্ন সাইড নিয়ে কথা বলতে দেখি। তারা ধর্মের বিধি-বিধানের মর্ম না জেনেই সে সম্পর্কে অনেক নেতিবাচক মন্তব্য করে থাকেন। যেটা ধর্মদ্রোহিতারই নামান্তর।যেমন সম্প্রতি আমার বিশ্ববিদ্য...
সামাজিক শান্তি-শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠায় ধৈর্য ও সহিষ্ণুতার গুরুত্ব
অভিমত, ধর্ম ও দর্শন, সর্বশেষ

সামাজিক শান্তি-শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠায় ধৈর্য ও সহিষ্ণুতার গুরুত্ব

|| ডা. আনোয়ার সাদাত ||সম্প্রতি তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দেশের সর্বোচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংগঠিত ঘটনাটি ধৈর্য ও সহিষ্ণুতার চরম অভাবের বাস্তব উদাহরণ।সাভারে সিটি ইউনিভার্সিটি ও ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনার ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ে ভাচুর, নগদ টাকা লুটপাটসহ কয়েক কোটি টাকার ক্ষতি সাধিত হয়েছে।সহিষ্ণুতা ও ধৈর্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মানবিক গুণ। পবিত্র কুরআনে বহু জায়গায় আল্লাহ রাব্বুল আলামিন নিজেকে ধৈর্যশীল ও পরম সহিষ্ণু হিসেবে পরিচয় দান করেছেন। কুরআন ও হাদিসে ধৈর্য্য ও সহিষ্ণুতার উপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।ধৈর্যের গুরুত্ব সম্পর্কে মহান আল্লাহ পবিত্র কুরআন মজিদে বলেছেন, ‘মহাকালের শপথ, মানুষ অবশ্যই ক্ষতিগ্রস্ত; কিন্তু তারা যারা ইমান আনে ও সৎকর্ম করে এবং পরস্পরকে সত্যের উপদেশ দেয় ও ধৈর্যের উপদেশ দেয়। (স...
জীব সত্তা থেকে মনুষ্যত্বের ঘরে
অভিমত, শিক্ষাঙ্গন, সর্বশেষ

জীব সত্তা থেকে মনুষ্যত্বের ঘরে

|| তানভীর হাসান দিপু ||মানুষ জন্মের মাধ্যমে কেবল জীব নয়, বরং এক সম্ভাবনাময় মনুষ্য সত্তা। কিন্তু সেই সম্ভাবনা বাস্তবে রূপ নিতে হলে জীব সত্তার ঘরকে সাজাতে হয় শৃঙ্খলা, নিরাপত্তা ও প্রয়োজনের পূর্ণতায়। কারণ জীব সত্তার ঘরে যদি বিশৃঙ্খলা থাকে, তবে মনুষ্যত্বের ঘরে পৌঁছানো সম্ভব নয়।জীব সত্তা মানে কেবল দেহের অস্তিত্ব নয়, এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে ক্ষুধা, দারিদ্র্য, বস্ত্রের অভাব, চিকিৎসার সমস্যা এবং টিকে থাকার কঠিন সংগ্রাম। যখন মানুষের জীবন এসব অনিশ্চয়তায় জর্জরিত থাকে, তখন সে নৈতিকতা, জ্ঞান বা মানবতার উচ্চ স্তরে উঠতে পারে না। যে পেটে ক্ষুধা আছে, সে পেটের শব্দের মধ্যেই বন্দি হয়ে পড়ে; মনুষ্যত্বের আহ্বান তার কাছে বিলাসিতা মনে হয়।মনুষ্যত্বে পৌঁছানোর পথ হলো পড়াশোনা ও জ্ঞানচর্চা। শিক্ষা মানুষের চেতনায় আলো জ্বালে, চিন্তার জগৎকে প্রসারিত করে এবং তাকে জীব সত্তার সংকীর্ণ ঘর থেকে বের করে আনে। কিন্তু শিক্ষ...
গুম-খুন, মিথ্যা মামলা তথা বিরোধী মত দমন সভ্য ও উন্নত রাষ্ট্র গঠনের অন্তরায়
অপরাধ, আইন ও আদালত, অভিমত, সর্বশেষ

গুম-খুন, মিথ্যা মামলা তথা বিরোধী মত দমন সভ্য ও উন্নত রাষ্ট্র গঠনের অন্তরায়

|| ডা. আনোয়ার সাদাত ||দেশ জুড়ে বিরোধী মত দমন করতে, ভয়ের পরিবেশ সৃষ্টি করতে নাগরিকদের গুম করা, বিচারবহির্ভূত হত্যা করা, মিথ্যা মামলা দিয়ে আটকে রাখা ক্ষমতাশীনদের অতি পুরোনো কৌশল। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর বিভিন্ন রাষ্ট্র নাগরিকদের গুম করা শুরু করে আইনগত জটিলতা এড়ানোর জন্য। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে গুম, যুদ্ধাপরাধের বিচারের উদ্দেশ্যে নুরেমবার্গ ট্রায়ালসহ মানবাধিকার বিষয়ক একাধিক কনভেনশন ও চুক্তি স্বাক্ষরিত হলে কর্তৃত্ববাদী সরকারগুলো আন্তর্জাতিক আদালতে সাজার ভয়ে নাগরিকদের আটক করে নির্যাতন বা বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের পথ থেকে সরে আসে। কিন্তু এতে রাষ্ট্রের অত্যাচারী চরিত্রের খুব বেশি বদল হয়নি। বরং ভিন্নমত ও চিন্তাকে দমনের নতুন কৌশল অবলম্বন করে।শাসকগোষ্ঠীর ক্ষমতা দখল ও কুক্ষিগত করে রাখার অপরাজনীতির ফলাফল হচ্ছে রাষ্ট্রীয় গুম বা বলপূর্বক নিখোঁজ করা। শাসকেরা ক্ষমতা ধরে রাখার জন্য নিজ দেশের নাগরিকদে...
শিক্ষার্থীদের অকৃতকার্য হওয়ার কারণ ও প্রতিকার
অভিমত, শিক্ষাঙ্গন, সর্বশেষ

শিক্ষার্থীদের অকৃতকার্য হওয়ার কারণ ও প্রতিকার

|| প্রফেসর ড. আ ব ম সাইফুল ইসলাম সিদ্দিকী ||সম্প্রতি বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের প্রতি ইতিবাচক মনোভাব এবং তাদের দাবি-দাওয়া পূরণের জন্য অন্তরের অন্তস্থল থেকে সরকারকে ধন্যবাদ।শ্রদ্ধেয় শিক্ষক ভ্রাতৃগণ। আপনাদের যৌক্তিক দাবি এবং আন্দোলনের পক্ষে আমার মসিযুদ্ধ অব্যাহত ছিল। আপনাদের প্রাপ্তি পর্যন্ত আমি থামিনি। আমি আজকেও থামবো না। তবে সেটা আপনাদের পক্ষে নয়; আমার সন্তানদের পক্ষে। যাদের আপনারা পিতা, অভিভাবক, দায়িত্বশীল, ভবিষ্যৎ নাগরিক গড়ার কারিগর।এবারের উচ্চ মাধ্যমিক/ সমমান পরীক্ষার ফলাফলেযে ধ্বস নেবেছে, তা আমাকে ব্যথিত করেছে। এ ব্যথাটি সকল শিক্ষকের মনে লাগলেই আমরা তাদের পরিত্রাণে ইতিবাচক ভূমিকা পালন করতে পারব, অন্যথায় নয়।একটি বিষয় ধ্রুব সত্য যে, দিন দিন বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থী সংখ্যা যেমন কমে যাচ্ছে তেমনি ক্লাসে তাদের উপস্থিতির হার খুবই নাজুক হচ্ছে। ...
ভারত–আফগান সম্পর্ক ও পরিবর্তিত বিশ্ব বাস্তবতা
অভিমত, আন্তর্জাতিক, সর্বশেষ

ভারত–আফগান সম্পর্ক ও পরিবর্তিত বিশ্ব বাস্তবতা

|| বাপি সাহা ||গাজায় শান্তি ফিরুক। সন্তানহারা অনেক মায়ের অশ্রুবিসর্জনের মাধ্যমে গাজায় শান্তি ফিরে আসুক—এটি আমাদের প্রত্যাশা। অনেক রক্ত ঝরেছে, অনেক শিশু অনাহারে মৃত্যুবরণ করেছে। বিশ্ব দেখেছে মৃত্যুর হাহাকার কাকে বলে। টন টন বোমা পড়েছে গাজায়। অবশেষে হামাস ও ইসরাইলের মধ্যে শান্তি চুক্তি হয়েছে। নতুন দিনের আশায় ঘরে ফিরতে শুরু করেছে ঘরছাড়া মানুষ।নতুন দিনের স্বপ্ন দেখা মানুষের জীবনে এখনও হতাশা কাজ করছে। শান্তি চুক্তি কতটুকু বাস্তবায়িত হবে, সেটি নিয়ে সংশয় রয়ে গেছে। বিশ্ব পররাষ্ট্রনীতি ও ভূ-রাজনীতি পরিবর্তনশীল। মার্কিন শুল্কনীতির মাধ্যমে চীনের ওপর প্রবলভাবে চাপ বৃদ্ধি করা হচ্ছে। সত্যটা হলো—এই বৃদ্ধি প্রক্রিয়া অনেকটা হাস্যকর। যাই হোক, চীন রাশিয়া ও ভারতকে সঙ্গে নিয়ে নতুন করে পথ চলতে শুরু করেছে।পররাষ্ট্রনীতিতে ‘শেষ কথা’ বলে কোনো কথা নেই। দুবাইতে ভারতের পররাষ্ট্র সচিব অমিত মিশ্রি আফগান সরকার...
এইচএসসি পরীক্ষার ফল বিপর্যয় ও জাতির ভবিষ্যত
অভিমত, শিক্ষাঙ্গন, সর্বশেষ

এইচএসসি পরীক্ষার ফল বিপর্যয় ও জাতির ভবিষ্যত

|| ডা. আনোয়ার সাদাত ||এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় এবার ফল বিপর্যয় ঘটেছে। এ বছর ১১টি শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার ৫৮ দশমিক ৮৩ শতাংশ। পর্যালোচনায় দেখা যায়, এ বছর ফেল করেছেন ৪১ দশমিক ১৭ শতাংশ পরীক্ষার্থী। মোট জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৬৯ হাজার ৯৭ জন, যা গত বছরের চেয়ে ৭৬ হাজার ৮১৪ জন কম।দেশের ২০২টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কেউ পাস করেননি। অর্থাৎ এসব প্রতিষ্ঠান থেকে পরীক্ষায় অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের পাসের হার শূন্য। গত বছর শতভাগ ফেল করা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ছিল ৬৫টি। আবার শতভাগ পাস শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যাও কমেছে এক হাজার ৪৩টি। সার্বিক দিক বিবেচনায় এবার ভয়াবহ ফল বিপর্যয় ঘটেছে।আমরা শতকরা পাশ ফেলের হিসাব নিকাশ করেই ক্ষ্যন্ত। অথচ শিক্ষার্থীর এ অবস্হার সাথে জড়িয়ে রয়েছে একটা পরিবার, একটি সমাজ ও রাষ্ট্রের ভবিষ্যত।বিশ্লষকদের মতে, শিক্ষার মান যে অবনতি হয়েছে, অতিরঞ্জিত যে ফলাফল বিগত বছরগুলোতে দেখানো হয়েছিল, তাতে...