মঙ্গলবার, এপ্রিল ১৪

অভিমত

ছাত্রজনতার গণঅভ্যুত্থান আমাদের কিছুকথা (৬)
অভিমত, জাতীয়

ছাত্রজনতার গণঅভ্যুত্থান আমাদের কিছুকথা (৬)

|| ড. মুহাম্মদ ঈসা শাহেদী ||নেতৃত্বের বিচক্ষণতা ও মুক্তির অন্বেষাশেখ হাসিনার পতন ও পলায়নের পেছনে আগাগোড়া কৃতিত্ব ছাত্রনেতৃত্বের। কারণ, আন্দোলনের শুরু থেকে একেবারে শেষ পর্যায় পর্যন্ত চেনাজানা রাজনৈতিক দলগুলো মাঠে নামেনি। কেউ কেউ পত্রিকায় বিবৃতি দিয়ে দায়িত্ব শেষ করেছেন।জাতির বিবেক বলে দাবিদার কতিপয় সাংবাদিক নেতাকেও দেখা গেছে হালওয়া রুটির নেশায় বিবেক বন্ধক দিয়েছিলেন। সরকারের দমননীতির পক্ষে ওকালতি করেছেন। তবে শিল্প ও সংস্কৃতি জগতের অনেক সাহসী কলাকুশলি, বিবেকের কাছে দায়বদ্ধ বুদ্ধিজীবি, যাদের এতদিন আওয়ামী ঘরানার মনে করা হত, তাদের অনেকে মাঠে নেমেছিলেন। চরমোনাইর পীর ছাহেবের লোকজন ছাড়া ইসলামী ঘরণার কোনো দল বা মহল মাঠে নেমেছিলেন কিনা জানার সুযোগ আমাদের হয়নি। শেষ দিকে প্রাক্তন সামরিক অফিসাররা ছাত্রদের দাবির প্রতি সংহতি প্রকাশ নির্বিচার গুলির প্রতিবাদে মিছিল করলে এ বিজয় ত্বরান্বিত হয়।দৃশমা...
ছাত্রজনতার গণঅভ্যুত্থান আমাদের কিছুকথা (৫)
অভিমত, জাতীয়, সর্বশেষ

ছাত্রজনতার গণঅভ্যুত্থান আমাদের কিছুকথা (৫)

|| ড. মুহাম্মদ ঈসা শাহেদী ||‘বখতিয়ার খিলজির পুনরাগমন’শেখ হাসিনা চার দিনের চীন সফর সংক্ষিপ্ত করে ব্যর্থতা মাথায় নিয়ে তৃতীয় দিন ফিরে আসেন। ১৪ জুলাই২০২৪ এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি তাচ্ছিল্যের ভঙ্গিতে আন্দোলনরত ছাত্রদের ‘রাজাকারের বাচ্চা’ বলে ব্যঙ্গ করলেন। এর প্রতিক্রিয়ায় সারাদেশে আন্দোলনের দাবানল দাউ দাউ করে জ্বলে উঠল। ছাত্ররা অভিনব এক শ্লোগান দিল ‘আমি কে তুমি কে রাজাকার রাজাকার’ ‘তিনি কে উনি কে স্বৈরাচার স্বৈরাচার’।বছরের পর বছর ছাত্রলীগের ক্যাডাররা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রাবাসগুলো দখলে রেখে চাঁদাবাজি, মাস্তানী আর ছাত্রছাত্রী নিপীড়নের আদিম উৎপাত চালাত। সাধারণ ছাত্ররা সেই জিঞ্জির ভেঙে ছাত্রলীগকে তাড়িয়ে দিল, যা ছিল অবিশ্বাস্য। এ পর্যায়ে সরকার আরো ক্ষিপ্ত হয়ে বিরোধী দলীয় নেতাদের ব্যাপক ধরপাকড় শুরু করল, সর্বত্র কারফিউ জারি করল। ১৬ জুলাই সংহিসতা আরো ছড়িয়ে পড়ল। পুলিশের গুলিতে প্রাণ হারাল ...
ছাত্রজনতার গণঅভ্যুত্থান আমাদের কিছুকথা (৪)
অভিমত, জাতীয়, সর্বশেষ

ছাত্রজনতার গণঅভ্যুত্থান আমাদের কিছুকথা (৪)

|| ড. মুহাম্মদ ঈসা শাহেদী ||নিজের নাক কেটে পরের যাত্রা ভঙ্গের চেষ্টাছাত্রজনতার গণঅভ্যুত্থান ও শেখ হাসিনার পতনের পেছনে আমেরিকার ষড়যন্ত্র কাজ করছে বলে শেখ হাসিনা যে দাবি করেছেন, তা যে মিথ্যার বেসাতি তার প্রমাণ, ছাত্রদের আন্দোলনের শুরুতে কোনো রাজনৈতিক ইস্যু ছিল না বা তারা সরকার পতনের ডাক দেয়নি। শেখ হাসিনাই চাকরিতে কোটা ব্যবস্থা সংস্কারের মতো একটি ছোট্ট দাবিকে দমাতে গিয়ে একের পর এক ভুল করে নিজের পতন ঘটিয়েছেন। মওলানা রূমী (র) বলেছেন, আসমানের ফয়সালা যখন এসে যায়, তখন চোখ থাকতে অন্ধ, জ্ঞানী বুদ্ধিমানও আহম্মক হয়ে যায়। এ বারের আন্দোলনের গতিপ্রকৃতি পর্যালোচনা করলে বুঝা যাবে, জনগণের উপর জুলুম নির্যাতন, রাষ্ট্রীয় অর্থচুরি, বিশেষ করে আয়নাঘরের পাপের বোঝাই আসমানী অভিশাপ হয়ে নেমে এসেছে।আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসে কোটা ব্যবস্থা প্রবর্তন করেছিল। সরকারী চাকরির ৩০% মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের জন্য, ৫% উপজাত...
ছাত্রজনতার গণঅভ্যুত্থান আমাদের কিছুকথা (৩)
অভিমত, জাতীয়

ছাত্রজনতার গণঅভ্যুত্থান আমাদের কিছুকথা (৩)

|| ড. মুহাম্মদ ঈসা শাহেদী ||‘আল্লাহ ছাড় দেন ছেড়ে দেন না’এখন একটি নতুন তত্ত্ব হাজির করে বলা হচ্ছে আমেরিকা ষড়যন্ত্র করে এই অভ্যুত্থান ঘটিয়েছে। ভারতের গোপন আস্তানা থেকে শেখ হাসিনা ভিডিওতে বলেছেন, বঙ্গোপসাগরে সেন্ট মার্টিনের কর্তৃত্ব এবং গভীর সমুদ্র বন্দর করার সুযোগ দিতে রাজি না হওয়ায় আমেরিকা তাকে ক্ষমতাচ্যুত করেছে। এই তত্ত্ব হাজির করে তিনি একদিকে ছাত্রজনতার গণঅভ্যুত্থানকে অস্বীকার করেছেন, অন্যদিকে তার সরকারের অবর্ণনীয় জুলুম নির্যাতনের প্রতিক্রিয়ায় গণবিস্ফোরণের সত্যটি গোপন করে দলীয় লোকদের চাঙ্গা করার চেষ্টা করছেন। সব মিলিয়ে দেশের সাধারণ মানুষকে ভবিষ্যত সম্পর্কে হতাশ করার জন্য শেখ হাসিনার মিথ্যাচার ও কৌশল।মার্কিন ষড়যন্ত্র বা চক্রান্ত নয়, বরং ছাত্রসমাজের ডাকে সমগ্র জাতি গণবিস্ফোরণে ফেটে পড়েছে, শেখ হাসিনার জগদ্দল পাথর থেকে জাতি মুক্তি পেয়েছে। নতুন প্রজন্ম ১৯৭৪, ১৯৭৫ সালের ইতিহাস জীবন্...
ছাত্রজনতার গণঅভ্যুত্থান আমাদের কিছুকথা (২)
অভিমত, জাতীয়

ছাত্রজনতার গণঅভ্যুত্থান আমাদের কিছুকথা (২)

|| ড. মুহাম্মদ ঈসা শাহেদী ||বুড়িগঙ্গায় নিরাপত্তা জালে ধরা পড়লেন দরবেশক্ষমতাচ্যুত মন্ত্রীরা, আওয়ামী লীগের নেতারা এখন গোপনে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। কেউ কেউ ধরাও পড়ছেন। সবচে করুণ একটি দৃশ্যপট ছিল, আইনমন্ত্রী আনিসুল হক নৌকা যোগে পালিয়ে যাওয়ার সময় বুড়িগঙ্গায় নিরাপত্তা জালে ধরা পড়েন। একই সময়ে একই অবস্থায় গ্রেফতার হয়েছেন সালমান এফ রহমান। বিশাল অর্থবিত্ত ও ব্যবসা বাণিজ্যের একচেটিয়া অধিপতি সালমান এফ রহমান ছিলেন মন্ত্রীর মর্যাদায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপদেষ্টা। ভরাট চেহারায় দাঁড়িশোভিত সালমান এফ রহমানকে আহলে হাদীসের মাহফিলে বয়ান করতে দেখলে মনে হত বড় কোনো হুজুর। বয়ানে তিনি এমনসব কথা বলতেন, যার জন্য তার ঈমান সম্পর্কেও জনমনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছিল। তিনি পবিত্র হাদীসের নির্ভরযোগ্যতাকে অস্বীকার করে বলতেন, হাদীসের মধ্যে অনেক সমস্যা আছে। কুরআনেও সমস্যা আছে, তবে হাদিসের তুলনায় কম। নাউজুবিল্লাহ।এতকিছুর...
ছাত্রজনতার গণঅভ্যুত্থান আমাদের কিছুকথা (১)
অভিমত, জাতীয়

ছাত্রজনতার গণঅভ্যুত্থান আমাদের কিছুকথা (১)

|| ড. মুহাম্মদ ঈসা শাহেদী ||অকল্পনীয় অবিস্মরণীয় গণঅভ্যুত্থানএক অকল্পনীয় অবিস্মরণীয় দিন ৫ আগস্ট ২০২৪। এই দিনে বাংলাদেশে ছাত্রজনতার গণঅভ্যুত্থান বিশ্ব রাজনীতির ইতিহাসে মাইলফলক হয়ে থাকবে। ছাত্রজনতার উত্তাল তরঙ্গমালা পতন ঘটায় দক্ষিণ এশিয়ার লৌহ মানবীখ্যাত বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দুই মেয়াদে ২১ বছরের রাজত্ব। একটানা ১৫ বছরের অধিককাল দোর্দণ্ড প্রতাপে ক্ষমতাচর্চার পর শেখ হাসিনা এই দিন চোখের পলকে পালিয়ে যান ভারতে।প্রথম দফা জুন ১৯৯৬-জুলাই ২০০১; দ্বিতীয় মেয়াদে ১ জানুয়ারী ২০০৯ -৫ আগস্ট ২০২৪ মোট ২১ বছর আওয়ামী লীগের শাসনকাল ছিল অপ্রতিরোধ্য। কেউ কল্পনাও করতে পারেনি একদিন শেখ হাসিনার পতন হবে, আওয়ামী লীগ ক্ষমতার মসনদ ছাড়বে। প্রশাসনযন্ত্র থেকে নিয়ে পার্লামেন্ট, বিচার ব্যবস্থা, সামরিক বাহিনী, পুলিশসহ নিরাপত্তা বাহিনী ও মিডিয়াজগত হাতের মুঠোয় নিয়ে সবখানে নিজস্ব লোক বসিয়ে নিশ্চিন্ত ছিলেন ...
বিশ্ববিদ্যালয়সমূহে ভাইস-চ্যান্সেলর নিয়োগ: কিছু প্রস্তাবনা
অভিমত, শিক্ষাঙ্গন

বিশ্ববিদ্যালয়সমূহে ভাইস-চ্যান্সেলর নিয়োগ: কিছু প্রস্তাবনা

|| প্রফেসর ড. আ ব ম সাইফুল ইসলাম সিদ্দিকী, ইবি, কুষ্টিয়া ||বিশ্ববিদ্যালয়ে সর্বোচ্চ নিয়মিত পদ হলো প্রফেসর পদ। অতীতে এ পদে অধিষ্ঠিত হতে আন্তর্জাতিক মানের অনেক বাঘা বাঘা শিক্ষকও ব্যর্থ হয়েছেন, এর প্রমাণ আমাদের সামনে অহরহ। যেমন- ড. মোঃ শহিদুল্লাহ।বর্তমানে আপগ্রেডেশনের কারণে পিএইচডি এবং আর্টিকেল থাকলে ১০ থেকে ১২ বছরের মধ্যেই এ পদে অধিষ্ঠিত হওয়া যাচ্ছে।বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের পরিচালনার জন্য এ প্রফেসরদের থেকে যে কোনো একজন শিক্ষাবিদকে চ্যান্সেলর মহোদয় ভাইস-চ্যান্সেলর হিসেবে নিয়োগ দিয়ে থাকেন।যদিও গত তিন দশক থেকে দু চারজন ছাড়া আমরা কোনো বিশ্ববিদ্যালয়েই সেই মানের কোনো ভাইস চ্যান্সেলর পাইনি।দলীয় সরকারের আমলে দলীয় প্রফেসর ছাড়া ভাইস চ্যান্সেলর হয়েছেন এমন রেকর্ড সম্ভবত পাওয়া যাবে না। তাই আমাদের কেউ কেউ এ পদে অধিষ্ঠিত হতে লাইন ধরে দাঁড়িয়ে থাকেন। সামর্থ্যানুযায়ী উচ্চ পর্যায়ে...
বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সাথে দূর হোক বৈষম্য
অভিমত, জাতীয়, শিক্ষাঙ্গন

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সাথে দূর হোক বৈষম্য

কারোরই অস্বীকার করার সুযোগ নেই যে, দেশের অধিকাংশ মানুষের চিন্তা-চেতনায় জাগরণ তৈরি হয়েছিল বলেই আজকের এই ক্ষমতার পরিবর্তন। এই পটপরিবর্তনের মূল ভূমিকায় ছিল দেশজুড়ে কোটি কোটি শিক্ষার্থীদের বৈষম্যবিরোধী সাহসী আন্দোলন। বিনিময়ে ঝরেছে অনেক প্রাণ, আহত হয়েছেন হাজার হাজার মানুষ। দেশের সর্বস্তরে বৈষম্য বিরাজমান ছিল বলেই অর্জন হয়েছে ছাত্র-জনতার বিজয়ের প্রথম ধাপ। এখন প্রয়োজন এই বৈষম্য দূর করা।বৈষম্যবিরোধী এই আন্দোলনে সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সাথে কাধে কাধ মিলিয়ে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাও রাজপথে নিঃস্বার্থভাবে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছে। আহত-নিহত হয়েছে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের অনেক শিক্ষার্থী। বিজয়োত্তর ভেঙে পড়া দেশের ট্রাফিক ব্যবস্থাপনাসহ পুড়ে যাওয়া থানা ও সরকারি স্থাপনা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযানেও অংশ নিয়েছে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী।অথচ এদেশের শিক্ষা...
শিক্ষার সকল স্তরে বৈষম্য বিদূরীত হোক
অভিমত, শিক্ষাঙ্গন

শিক্ষার সকল স্তরে বৈষম্য বিদূরীত হোক

|| প্রফেসর ড. আ ব ম সাইফুল ইসলাম সিদ্দিকী, ইবি, কুষ্টিয়া ||বাংলাদেশে দু'ধরনের শিক্ষা ব্যবস্থা বিদ্যমান- সাধারণ শিক্ষা ও ইসলামী শিক্ষা। আবার ইসলামী শিক্ষায় দুটি ধারা আলিয়া ধারা ও কওমি ধারা।সাধারণ শিক্ষার প্রাথমিক থেকে কলেজ পর্যন্ত সকল স্তরেই বহু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ করেছে প্রতিটি সরকার। কিন্তু ইসলামী শিক্ষা ব্যবস্থায় বিমাতা সুলভ আচরণের কারণে সেটা নেই বললেই চলে।সাধারণ শিক্ষায় যেখানে সাড়ে ৬৫ হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয় সরকারি করা হয়েছে, সেখানে মাত্র স্বতন্ত্র চার হাজার ইবতেদায়ী মাদ্রাসার একটিও সরকারি নয়।মাধ্যমিক স্তরে প্রতিটি উপজেলায় বর্তমানে কমপক্ষে তিন চারটি করে স্কুল সরকারিকরণ করা হয়েছে যার সংখ্যা ৬২৮টি। কিন্তু সারা বাংলাদেশে কোনো একটি সরকারি দাখিল মাদ্রাসা নেই।স্কুল এন্ড কলেজ পর্যায়ের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সরকারি ৬৩টি এবং উচ্চমাধ্যমিক কলেজ সরকারি ৫৪টি। কিন্...
ত্রুটিপূর্ণ কারিকুলাম : ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে পঙ্গু করার বড় হাতিয়ার
অভিমত, শিক্ষাঙ্গন

ত্রুটিপূর্ণ কারিকুলাম : ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে পঙ্গু করার বড় হাতিয়ার

|| প্রফেসর ড. আ ব ম সাইফুল ইসলাম সিদ্দিকী, ইবি, কুষ্টিয়া ||বাংলাদেশ বৃহত্তর মুসলিম রাষ্ট্র। এদেশের কারিকুলাম, শিক্ষা ব্যবস্থা ও শিক্ষা পদ্ধতিতে ইসলামী প্রভাব থাকবে এটাই স্বাভাবিক। এটাই দেশ-জাতির আকাঙ্ক্ষা। কিন্তু সদ্য বিদায়ী স্বৈরসরকার এবং কারিকুলাম বাস্তবায়নে পদক্ষেপ গ্রহণ করে, যা এ দেশের শিক্ষার্থীদেরকে পঙ্গুত্ববরণ করতে আর কোনো কিছুর প্রয়োজন নেই।এ কারিকুলাম স্থগিত নয় শুধু প্রত্যাহার করে নেওয়া অত্যাবশ্যক। গত ১৫ বছরে শিক্ষা ব্যবস্থায় যে ধস নেমেছে, এতে কারিকুলাম এবং সিলেবাস এর ভূমিকা অগ্রগণ্য ভূমিকা পালন করেছে।এসব কারিকুলাম এবং সিলেবাস থেকে ইসলামী শিক্ষাকে ঝেটিয়ে বিদায় করা হয়েছে, যা আছে নামকে ওয়াস্তে ঐচ্ছিক সাবজেক্ট হিসেবে। যেটা দিয়ে কেন কোন পরীক্ষা হবে না?দেশের শিক্ষিতদের মধ্যে নৈতিকতার অভাব এত তলানিতে পৌঁছেছে যে, এই সিলেবাস এবং কারিকুলাম বাস্তবায়িত হলে ভবিষ্যৎ...