শনিবার, জানুয়ারি ১০

অভিমত

শান্তিকামী ট্রাম্পের উদ্দেশ্য কি? একটু ভাবতে হবে
অভিমত, আন্তর্জাতিক, সর্বশেষ

শান্তিকামী ট্রাম্পের উদ্দেশ্য কি? একটু ভাবতে হবে

|| বাপি সাহা ||ডোনাল্ড ট্রাম্প নির্বাচিত হবার পর থেকেই অনেক ঘটনার জন্ম দিয়েছেন। বৃহৎ দেশের প্রধান হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করার এক চেষ্টা তো অবশ্যই থাকবে। নৈতিক ও অনৈতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের সিদ্ধহস্ত হিসাবে তিনি নিজেকে প্রতিষ্ঠা করেছেন। শুল্ক আরোপের মাধ্যমে নিজেকে আলোচনায় নিয়ে এসেছেন। ২০২৫-কে স্মরণীয় করে রেখেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প নানা ঘটনার জন্ম দিয়ে। অনেকটা বাজনা বাজিয়ে নিজে আগ্রাসী করনীতির ঘোষণা দিয়ে নিজে আলোচিত হয়েছেন এবং গোটা যুক্তরাষ্ট্রকে আলোচনার মধ্যে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছেন। যদিও আমেরিকার নাগরিকরা কিন্তু সেটা ভালোভাবে নিতে পারেনি। আগ্রাসী করনীতির ফলে অনেক দেশের সঙ্গে সম্পর্ক রীতিমতো করুণ পরিণতির দিকে চলে গেছে। বিশ্ব এখন বিভক্ত হয়েছে দুটি ভাগে। কোন কোন দেশ নিরপেক্ষ থাকার চেষ্টা করছে আবার কেউ হয়তোবা চেষ্টা করছে সমঝোতা করার। যাই হোক, সমঝোতা করলেও নিজের কথা অনেকটা ভুলে যেত...
পরিবর্তনশীল ভূ-রাজনীত ও কিছু কথা
অভিমত, সর্বশেষ

পরিবর্তনশীল ভূ-রাজনীত ও কিছু কথা

|| বাপি সাহা ||বাংলাদেশ এখনও শোকাহত। দীর্ঘদিনে পরিক্ষীত নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যু শোক দেশ এখানো কাটিয়ে উঠতে পারেনি। সর্বস্তরের জনগণের শ্রদ্ধা এবং ভালবাসায় তিনি সিক্ত হয়েছেন। সমাহিত হয়েছেন স্বামী মরহুম প্রেসিডেন্ট শহীদ প্রেসিডেন্ট বীর মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমান-এর পাশে। ঝড়ের মধ্যে দেশ শাসনের ভার নিয়ে ছিলেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান। স্বামীর পাশে ছিলেন মৃত্যুর পরও তিনি স্বামীর পাশে সমাহিত হলেন। সংসার সামলিয়ে রাষ্ট্রনায়কের পাশে থেকে সাহস প্রদান করা এবং দেশ-বিদেশের রাষ্ট্রনায়কদের সাথে মতবিনিময় পর্যায়ে থাকাটা কি কম কথা? বিপথগামীদের হাতে নিহত হবার পর বাংলাদেশের বৃহত্তম রাজনৈতিক দলের হাল ধরাটা কি কম কথা। নেতৃত্ব প্রদান করা কিন্তু কঠিন বিষয়। দলকে শৃঙ্খলাবদ্ধ রাখার যে দায়িত্ব সেটি কিন্তু পরিপূর্ণভাবে পালন করেছেন তিনি। দীর্ঘদিন ক্ষমতার বাইরে থাকার পরেও দল ছিল সংগঠিত। কনিষ্ঠ পুত্র বিয়োগে...
স্বতন্ত্র প্রার্থীর ১% ভোটারের স্বাক্ষর বাধ্যবাধকতা নিয়ে প্রশ্ন: ভোটের গোপনীয়তা কি ঝুঁকিতে?
অভিমত, জাতীয়, সর্বশেষ

স্বতন্ত্র প্রার্থীর ১% ভোটারের স্বাক্ষর বাধ্যবাধকতা নিয়ে প্রশ্ন: ভোটের গোপনীয়তা কি ঝুঁকিতে?

|| জাহিদ খান | কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধি ||স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিতে হলে মোট ভোটারের অন্তত ১ শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষর সংগ্রহ করে জমা দেওয়ার বিধান নিয়ে রাজনৈতিক ও নাগরিক মহলে প্রশ্ন উঠেছে। সমালোচকদের মতে, এই নিয়ম ভোটের গোপনীয়তা ও নাগরিকের স্বাধীন মতপ্রকাশের মৌলিক নীতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক।নির্বাচনী বিধিমালা অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি রাজনৈতিক দলের মনোনয়ন ছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থী হতে চাইলে সংশ্লিষ্ট আসনের মোট ভোটারের ১ শতাংশের সমর্থনসূচক স্বাক্ষর মনোনয়নপত্রের সঙ্গে দাখিল করতে হয়। নির্বাচন কমিশনের ভাষ্য অনুযায়ী, এই শর্তের উদ্দেশ্য হলো ‘অপ্রয়োজনীয় বা অগুরুত্বপূর্ণ প্রার্থীর সংখ্যা নিয়ন্ত্রণ’।তবে নির্বাচন বিশ্লেষক ও সচেতন নাগরিকদের প্রশ্ন—ভোটের আগেই ভোটারদের স্বাক্ষরের মাধ্যমে সমর্থন জানাতে বাধ্য করা কি কার্যত ভোটের আগাম ঘোষণা নয়?গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় ভোটারকে কাকে ভোট দেবে...
কিছু না বলা কথা, যা আগুনে পুড়ে যায়নি
অভিমত, সর্বশেষ

কিছু না বলা কথা, যা আগুনে পুড়ে যায়নি

|| বাপী সাহা ||বছর জুড়ে যে মানুষটি আলোচিত হয়েছেন তিনি হচ্ছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। সমালোচিত হয়েছেন বিভিন্নভাবে বিভিন্ন সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য। বেশ কিছু ইস্যুতে আলোচনার জন্ম দিয়েছেন। বছর শেষে আবারও আলোচনার জন্ম দিয়েছেন অভিবাসী বিষয়ে। অভিবাসীদের ধরে নিয়ে তিনি গুদামঘরে রাখবেন। এর জন্য বড়সড় কিছু গুদামঘর নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। খোদ মার্কিন মূলুকে এই সিদ্ধান্ত ঘিরে বিক্ষোভ তৈরি হয়েছে। মানুষকে গুদামে রাখার সিদ্ধান্ত কতটুকু বাস্তবসম্মত—সেটি ভাবতে হবে। এটি কোন মানবিকতা, সেটিও আমাদের ভাবতে হবে।মানবিকতার প্রশ্ন যখন চলে আসে, তখন ভাবতে হবে দেশের কথা। লক্ষ্মীপুরে বিএনপি নেতার ঘরে তালা দিয়ে আগুন দেওয়ার ঘটনাটি কি মানবাধিকারকে প্রশ্নবিদ্ধ করে, প্রশ্নবিদ্ধ করে একজন মানুষের বেঁচে থাকার অধিকারকে? পোড়া মৃতদেহের গন্ধে আকাশ-বাতাস ভারী হয়ে ওঠে। আমাদের সকলকেই প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। ছোট মেয়েটির...
তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন ও জনগণের প্রত্যাশা
অভিমত, রাজনীতি, সর্বশেষ

তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন ও জনগণের প্রত্যাশা

|| ডা. আনোয়ার সাদাত ||দীর্ঘ সতের বছর পর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান দেশে প্রত্যাবর্তন করেছেন। সতেরো বছর নির্বাসিত জীবন কাটান। ১৭ বছর আগে ২০০৮ সালের ১১ সেপ্টেম্বর রাজনৈতিক কারনে তারেক রহমান পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে লন্ডনে যানএবং দীর্ঘ সতের বছর সেখানে অবস্থান করেন এবং নির্বাসিত জীবন কাটান।এখন তার প্রত্যাবর্তন সম্ভব হয়েছে, হাজারো শহীদের রক্ত, অসংখ্য আহতের ত্যাগ এবং গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে সৃষ্ট নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতার কারণে। এই বাস্তবতা জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত আজাদী লড়াইয়ের মাধ্যমে প্রাপ্ত বাস্তবতা।নতুন রাজনৈতিক অবস্থায় সহাবস্থান, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ এবং সুস্থ রাজনৈতিক চর্চার সংস্কৃতি গড়ে তোলা সবার প্রচেষ্টা হওয়া উচিৎ।দেশের রাজনীতিসহ সকল ক্ষেত্রে এক ধরনের অস্থিরতা বিরাজ করছে। এ অবস্থায় সাধারণ মানুষ দেশের ভবিষ্যৎ পরিস্থিতি নিয়ে দুঃচিন্তাগ্রস্থ। এ ক্ষেত্রে রাজনী...
ওসমান বিন হাদী এক ভিন্নধর্মী রাজনীতির মাধ্যমে কোটি মানুষে হৃদয়ে স্হান করে নিয়েছেন
অভিমত, রাজনীতি, সর্বশেষ

ওসমান বিন হাদী এক ভিন্নধর্মী রাজনীতির মাধ্যমে কোটি মানুষে হৃদয়ে স্হান করে নিয়েছেন

|| ডা. আনোয়ার সাদাত ||জুলাই অভ্যুত্থানের পর ইনকিলাব মঞ্চ নামে একটি রাজনৈতিক-সাংস্কৃতিক প্লাটফর্ম তৈরির মাধ্যমে দেশের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠেন জুলাই সম্মুখ সারীর যোদ্ধা শরীফ ওসমান বিন হাদি।আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে স্বাধীনতা–সার্বভৌমত্ব রক্ষা ও ইনসাফভিত্তিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ইনকিলাব মঞ্চ রাজপথ, ক্যাম্পাস ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে স্পষ্ট রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে আলোচনার কেন্দ্রে উঠে আসে।জুলাই অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারী ছাত্র–জনতার অংশগ্রহনে ওসমান বিন হাদীর নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠিত হয় ইনকিলাব মঞ্চ। সংগঠনটির লক্ষ্য হলো—সব ধরনের আধিপত্যবাদ ও স্বৈরতন্ত্রের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা এবং ইনসাফভিত্তিক রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তোলা।পুরোনো ধারার রাজনীতির উর্ধ্বে ওঠে নতুন ধারার রাজনৈতিক কৌশলের মাধ্যমে জনকল্যাণকর দেশপ্রেমভিত্তিক রাজনীতির...
আন্তর্জাতিক আরবী ভাষা দিবস: বাস্তবতা ও করণীয়
অভিমত, শিক্ষাঙ্গন, সর্বশেষ

আন্তর্জাতিক আরবী ভাষা দিবস: বাস্তবতা ও করণীয়

|| প্রফেসর ড. আ ব ম সাইফুল ইসলাম সিদ্দিকী ||আজ ১৮ ডিসেম্বর, আন্তর্জাতিক আরবী ভাষা দিবস। আমরা বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা এই দিবসকে সম্ভাব্য যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের চেষ্টা করছি কয়েক বছর থেকে।আমাদের উদ্দেশ্য যদি থাকে আরবি দৈনন্দিন জীবনে নয়; শুধু দিবস পালনে। তাহলে এ দিবস পালনে কোন যথার্থতা বা সার্থকতা নেই।আমাদের দেশে অনেক কামিল মাদ্রাসায় আরবি ভাষা সাহিত্যে অনার্স খোলা হয়েছে। দু/একটি সরকারি কলেজেও আরবি ভাষা সাহিত্যে অনার্স রয়েছে। বাংলাদেশের ছয়টি বিশ্ববিদ্যালয়ে আরবি বিভাগ রয়েছে। ভাষা ইনস্টিটিউটও রয়েছে কয়েকটি।কিন্তু আরবি ভাষা শিখা এবং এর আন্তর্জাতিকতা বিষয়ে আমাদের এ দেশীয় আরবি শিক্ষিতদের তেমন কোন পদক্ষেপ পরিলক্ষিত হয় না। কয়েক বছর থেকে শুধু এ দিবসটি পালন এবং আনুষ্ঠানিকতায় সীমাবদ্ধ রয়েছি আমরা। এর উন্নয়নে দৈনন্দিন জীবনে এর বাস্তবায়ন ...
স্বাধীনতার লক্ষ্য-উদ্দেশ্য পূরণ হয়েছে কতটুকু?
অভিমত, সর্বশেষ

স্বাধীনতার লক্ষ্য-উদ্দেশ্য পূরণ হয়েছে কতটুকু?

|| ডা. আনোয়ার সাদাত ||স্বাধীন বাংলাদেশ এদেশের মানুষের দীর্ঘদিনের সংগ্রাম-সাধনা ও অপরিসীম ত্যাগের ফল। অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতা, ন্যায়বিচার, সুশাসন, বৈষম্যহীন সমাজব্যবস্থা, শোষণ-বঞ্চনার অবসানের লক্ষ্যে স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয় হয়েছিল। অথচ এত বছর পরে এসে এখনো মানুষ এক অনিশ্চয়তার মধ্যে জীবন পার করছে। বাংলাদেশ এখনো দূর্নীতিতে পৃথিবীর শীর্ষ স্হানে অবস্থান করছে, যা অত্যন্ত দুঃখজনক।সাধারণ জনগণের প্রশ্ন- স্বাধীনতার এত বছর পরেও কি স্বাধীনতার মূল লক্ষ্যসহ অন্যান্য লক্ষ্য অর্জিত হয়েছে? স্বাধীনতা যুদ্ধের লক্ষ্য, সামাজিক ন্যায়বিচার, মানবিক মর্যাদা ও সাম্য নির্ধারণ করা হয়েছিল, তার বাস্তবায়ন কি ঘটেছে?বর্তমান বাস্তবতা হচ্ছে, জনগণের রাজনৈতিক ক্ষমতা আর জনগণের কাছে নেই। তা হরণ করা হয়েছে। তাদের ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছে। সামাজিক ন্যায়বিচার, মানবিক মর্যাদা ও সাম্য উধাও।দূর্নীতি, জুলুম অনিয়ম, অবিচার...
মুক্তিযুদ্ধ ও কিছু কথা
অভিমত, সর্বশেষ, সারাদেশ

মুক্তিযুদ্ধ ও কিছু কথা

|| বাপি সাহা ||মুক্তিযুদ্ধ আমার অহংকার। মুক্তিযুদ্ধকে সাথে নিয়ে বেঁচে থাকা এবং স্বপ্ন দেখা। স্বাধীন বাংলাদেশে যখন কোনো মুক্তিযোদ্ধাকে অপমানিত করা হয় অথবা হত্যা করা হয়, তখন ভাবতে অবাক লাগে—এই জন্যই কি আমাদের মুক্তিযুদ্ধ। একটি বিরাট পদক্ষেপ নিয়ে মুক্তিযুদ্ধ হয়েছিল। স্বাধীন ভূখণ্ড, আত্মমর্যাদার সাথে বেঁচে থাকা—এই জন্যই মুক্তিযুদ্ধ হয়েছিল। বাংলা মায়ের দামাল ছেলেরা রণহুঙ্কারে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল মুক্তিযুদ্ধে।বিপ্লব কখনোই একদিনে হয় না। পুঞ্জীভূত ক্ষোভ যুগে যুগে সঞ্চারিত হয়ে একদিন বিপ্লবে পরিণত হয়। মহান মুক্তিযুদ্ধ একদিনে সংগঠিত হয়নি। ১৯৪৭ সালে দেশ বিভক্ত হওয়ার পর থেকে বঞ্চনার শিকার হতে হতে ১৯৫২ সালের মাতৃভাষা আন্দোলনের ফলশ্রুতিতে স্বাধিকারের স্বপ্ন দেখতে শুরু করে পশ্চিম পাকিস্তানের নির্যাতনের শিকার পূর্ব পাকিস্তানের সাধারণ মানুষ, যা এই সংগ্রামকে আরও জোরালো করে তোলে। আন্দোলন তৈরি হয়েছিল, তারই ...
দেশে শান্তি শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা ও জনগণের নিরাপত্তা বিধান সরকারের এখন প্রথম ও প্রধান কর্তব্য হওয়া উচিৎ
অভিমত, সর্বশেষ

দেশে শান্তি শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা ও জনগণের নিরাপত্তা বিধান সরকারের এখন প্রথম ও প্রধান কর্তব্য হওয়া উচিৎ

|| ডা. আনোয়ার সাদাত ||সরকারের দায়িত্ব ও কর্তব্যের মধ্যে অন্যতম হলো দেশের নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। জন নিরাপত্তা কেবল আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার বিষয় নয়, বরং এটি একটি সমাজের শান্তি, স্থিতিশীলতা এবং উন্নয়নের ভিত্তি। বর্তমানে দেশে বিভিন্ন ধরনের অপরাধ বেড়ে যাওয়ায় এই বিষয়টি এখন গুরুত্ব পেয়েছে।বাংলাদেশের জন নিরাপত্তার বিষয়টি যদি আমরা দেখি, তবে দেখা যাবে প্রতিনিয়ত বিভিন্ন ধরনের অপরাধ যেমন খুন, হামলা, ছিনতাই, নারী নির্যাতন, মাদক ব্যবসা এবং সাইবার অপরাধ বেড়ে গেছে। এসব অপরাধের কারণে নাগরিকদের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যহত হচ্ছে এবং নিরাপত্তার বিষয়টি একটি দুঃচিন্তার কারণ হিসাবে দেখা দিয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে প্রশ্ন উঠছে, দেশের মানুষ কি আজ নিরাপদ? জন নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার কি ব্যর্থতার পরিচয় দিচ্ছে?জুলাই আন্দোলনের সম্মুখ সারীর যোদ্ধা ওসমান হাদীর উপর ন্যক্কারজনক হামলার বিষয়টি আরও জনগণকে ভাব...