সোমবার, ফেব্রুয়ারি ২৩

অভিমত

মুসলমানরা (যারা প্রকৃত দ্বীন চর্চা করেন) নেতৃত্ব থেকে কেন বঞ্চিত!
অভিমত, ধর্ম ও দর্শন, সর্বশেষ

মুসলমানরা (যারা প্রকৃত দ্বীন চর্চা করেন) নেতৃত্ব থেকে কেন বঞ্চিত!

|| ডা. আনোয়ার সাদাত ||রাসুলে করিম (স.) দীর্ঘ সংগ্রাম ও প্রচেষ্টার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন ইসলামি রাষ্ট্র ও সমাজ ব্যবস্হা। যা ছিল ইতিহাসের স্বর্ণযুগ। তিনি তার নেতৃত্ব দিয়েছেন। খুলাফায়ে রাশেদার আমলেও মুসলমানদের নেতৃত্বের ধারা অব্যহত থাকে।মূলত মুসলিম উম্মাহর নেতৃত্ব গড়ে ওঠে কুরআন ও সুন্নাহর ওপর ভিত্তি করে। সে নেতৃত্বের বৈশিষ্ট্য ছিল, মুসলমানরা যেমন রাষ্ট্র শাসন করবে, তেমনি দ্বীনি ইলমেরও শিক্ষা দিবে।খুলাফায়ে রাশেদার পর এই নীতিকে তেমন আর অনুসরণ করা হয়নি। ফলে মুসলিম উম্মাহর নেতৃত্ব দেওয়ার মানদণ্ড আর বজায় থাকলো না। ফলে মুসলমানরা ধীরে ধীরে নেতৃত্ব ও কর্তৃত্ব হারাতে থাকলো।মুসলমানদের জন্য যে নেতৃত্ব হবে, তা হবে আল্লাহর কুরআন ও রাসুলের সুন্নাহর ওপর ভিত্তি করে। কিন্তু মুসলমানরা যখন কুরআন ও সুন্নাহ থেকে দূরে সরে গেল, তখনই তারা নেতৃত্ব ও কর্তৃত্ব হারানো শুরু করলো।বর্তমানে অধিকাংশ ...
সকল ইবতেদায়ী ও প্রতি উপজেলায় অন্তত একটি করে দাখিল আলিম ফাজিল কামিল মাদ্রাসা জাতীয়করণ সময়ের দাবি
অভিমত, শিক্ষাঙ্গন, সর্বশেষ

সকল ইবতেদায়ী ও প্রতি উপজেলায় অন্তত একটি করে দাখিল আলিম ফাজিল কামিল মাদ্রাসা জাতীয়করণ সময়ের দাবি

|| প্রফেসর ড. আ ব ম সাইফুল ইসলাম সিদ্দিকী ||বর্তমান সরকারের অর্ধশত মন্ত্রিপরিষদের কারো ব্যাপারে কারো জন্য কোন মন্তব্য থাকলে থাকতে পারে একমাত্র শিক্ষামন্ত্রী ছাড়া।বর্তমান শিক্ষামন্ত্রী ইতিপূর্বে শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শিক্ষার সংস্কারে বিশেষত: নকল প্রতিরোধে যে কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করেন, তা অবিস্মরণীয় হয়ে রয়েছে এদেশের সকলের হৃদয়ে। সেটার উপর ভিত্তি করেই বর্তমান সরকার তাকে শিক্ষামন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত করেছেন। এজন্য সরকারকে ধন্যবাদ।কিন্তু ৯০% মুসলিম দেশে শিক্ষা ক্ষেত্রে বরাবর যে বিষয়গুলো অবহেলিত থাকছে, সে বিষয়ে এবার কি হবে? সেটাই দেখার বিষয়।আওয়ামী সরকার যখন ক্ষমতায় আসে, তখন তারা শিক্ষাক্ষেত্রে শুধু সংস্কার নয় তাদের দীর্ঘ মেয়াদি পরিকল্পনা অনুযায়ী ডারউইনবাদ, ধর্ম নিরপেক্ষবাদ বাস্তবায়ন করে এদেশের মুসলিম শিক্ষা সংস্কৃতিকে ধ্বংস করতে কখনো তারা পিছুপা ছিল না।আ...
নতুন সরকারের কাছে জনগণের প্রত্যাশা
অভিমত, সর্বশেষ

নতুন সরকারের কাছে জনগণের প্রত্যাশা

|| ডা. আনোয়ার সাদাত ||গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হয়ে গেল ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন; যেখানে স্বতঃস্ফূর্তভাবে, কিছু বিশৃঙ্খলা ছাড়া জনগণ নির্বিঘ্নে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছে।যদিও ফলাফল নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে।১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের ফল অনুযায়ী বিএনপি বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে। অন্যদিকে, প্রধান বিরোধী দল হিসেবে এই প্রথমবারের মতো সংসদে যাচ্ছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। তারাও ভালো ফল করেছে। এ ছাড়া ’২৪-এর জুলাই আন্দোলনে সম্মুখসারির নেতৃত্বদানকারী ছাত্রদের দল এনসিপিও ভালো করেছে। ছয়জন বিজয়ী তরুণ রাষ্ট্র সংস্কারের দাবি নিয়ে সংসদে যাচ্ছেন, যা সংস্কারপ্রত্যাশী তরুণদের জন্য খুবই আশাপ্রদ একটি বিষয়।জনগণ নতুন সরকারের প্রতি যে আস্থা রেখেছে, সেই আস্থার প্রতি সন্মান দেওয়ার জন্য তাদের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি করা এবং নিত্যপণ্যের দাম সহনীয় পর্যায়ে নাম...
নির্বাচনোত্তর সহিংসতা নয়: নির্বাচন হোক ভ্রাতৃত্বের এক অপূর্ব মাইলফলক
অভিমত, জাতীয়, সর্বশেষ, সারাদেশ

নির্বাচনোত্তর সহিংসতা নয়: নির্বাচন হোক ভ্রাতৃত্বের এক অপূর্ব মাইলফলক

|| প্রফেসর ড. আ ব ম সাইফুল ইসলাম সিদ্দিকী ||আগামীকাল ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন। নির্বাচনটি যেমনি আনন্দের তেমনি এ দেশ জাতির ভাগ্য পরিবর্তনের এক অপূর্ব নিদর্শন।যেখানে প্রতিযোগিতা সেখানেই জয় পরাজয়। সেটা খেলাধুলা বা নির্বাচন যাই হোক না কেন সেখানে হার-জিত থাকবেই।এবারই দেশে প্রথম নির্বাচন নয়। এর আগে আরো বারোটি জাতীয় নির্বাচন হয়েছে। সব দেশেই নির্বাচন হয়। দু একটি দেশ ছাড়া এ নির্বাচনগুলোর ফলাফল মোটেই সুখকর হয় না।জয়ীরা যেমন বিজিতদের প্রতি অসহনশীল হয় বিজিতরাও জয়ীদেরকে অন্তর থেকে মেনে নিতে পারে না। সমস্যা হয়ে যায় এখানেই।তার মানে নির্বাচনে রাজনীতির প্রতিযোগিতা কোনোটিই দেশ জাতির জন্য নয়; একান্তই রাজনীতিবিদদের ব্যক্তিগত ও দলীয় বিষয় হয়ে দাঁড়ায়। আর জয়ী হওয়াটা ক্ষমতার উৎস হিসেবে গণ্য করা হয়।নির্বাচনে কে কাকে ভোট দিয়েছে নির্বাচনের পূর্বে কে কার পক্ষে ছিল কে কার ব...
কারাগার হোক শিক্ষাগার
অপরাধ, আইন ও আদালত, অভিমত, জাতীয়, সর্বশেষ

কারাগার হোক শিক্ষাগার

|| প্রফেসর ড. আ ব ম সাইফুল ইসলাম সিদ্দিকী ||জেল, কারাগার বা ডিটেনশন সেন্টার—বিভিন্ন নামে এটি পরিচিত।বাংলাদেশের কারা অধিদপ্তরের অধীনে বর্তমানে ১৫টি কেন্দ্রীয় কারাগার ও ৫৯টি জেলা কারাগারসহ মোট ৭৪টি কারাগার রয়েছে। এগুলোর মোট ধারণক্ষমতা ৪২,৪৫০ জন হলেও, ৭০হাজার বেশি বন্দি রয়েছে।কারাগার বা জেলখানা হলো এমন একটি বিশেষ স্থান বা প্রতিষ্ঠান, যেখানে বিচার বিভাগীয় আদেশে অপরাধী বা বিচারাধীন ব্যক্তিদের স্বাধীনতা হরণ করে বন্দি রাখা হয়। এটি অপরাধীদের সংশোধনের মাধ্যমে সমাজে পুনর্বাসনের সুযোগ তৈরি করে।প্রধান কার্যাবলী: বন্দিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, আইনি সহায়তা প্রদান, চিকিৎসা এবং বিভিন্ন বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তাদের সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলা।এই উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করেন যা সত্যিই প্রশংসনী...
মাদ্রাসা শিক্ষার প্রতি বিমাতাসুলভ আচরণ নয়: দেশ জাতির প্রত্যাশা সদাচরণ
অভিমত, শিক্ষাঙ্গন, সর্বশেষ

মাদ্রাসা শিক্ষার প্রতি বিমাতাসুলভ আচরণ নয়: দেশ জাতির প্রত্যাশা সদাচরণ

|| প্রফেসর ড. আ ব ম সাইফুল ইসলাম সিদ্দিকী ||দেশের সরকার পরিবর্তন হয়। নীতি পরিবর্তন হয়। হয় স্কুল কলেজ সরকারি। কিন্তু মাদ্রাসা শিক্ষার সাথে যে বিমাতা সুলভ আচরণ প্রতিটি সরকারের আমলেই ছিল তা বর্তমান নিরপেক্ষ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারও এর থেকে পিছিয়ে নেই, বরং আরো দু দশ হাত এগিয়ে রয়েছে।গত ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ মাদ্রাসা শিক্ষার জনবল কাঠামোর এক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। ২০১৮ সালে জারিকৃত প্রজ্ঞাপনে যেখানে ফাজিল কামিল মাদ্রাসা জনবল কাঠামোতে প্রতি বিষয়ে ২/৩ জন করে শিক্ষক ছিল, সেখানে প্রতি বিষয়ে এবং কর্ম কর্মকর্তা-কর্মচারী সকল স্তরে একজন করে নির্ধারণ করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।এটা অতীত সরকারের ধারাবাহিকতা না বর্তমান সরকারের নতুন কোন নীতিমালা নাকি মাদ্রাসা শিক্ষা ধ্বংসের পাঁয়তারার সর্বশেষ প্যারেক তা জাতির কাছে স্পষ্ট?বর্তমানে দেশের কামিল মাদ্রাসা তিন শতাধিক, ফাজিল মাদ্রাসা দেড় ...
পরিবর্তনশীল ভূ—রাজনীতি, ইউরোপের সাথে ভারতের চুক্তি, মার্কিন শুল্ক হ্রাস অতপরঃ আমাদের অবস্থান
অভিমত, সর্বশেষ

পরিবর্তনশীল ভূ—রাজনীতি, ইউরোপের সাথে ভারতের চুক্তি, মার্কিন শুল্ক হ্রাস অতপরঃ আমাদের অবস্থান

|| বাপি সাহা ||বাংলাদেশের অর্থনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছে বাংলাদেশের গার্মেন্টস শিল্প। অর্থনীতিকে চাঙ্গা রাখার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের গার্মেন্টস অনেক ভূমিকা রেখে চলেছে। দেশের অর্থনীতিকে চাঙ্গা রাখার ক্ষেত্রে গার্মেন্টস-এর বিকল্প নেই। প্রবাসীদের আয়ের উৎস থেকে যে রেমিট্যান্স দেশের ঘরে ঢোকে সেই অর্থে আমাদের বিলাসবহুল জীবনযাপন চলে। বাংলাদেশের পোশাক শিল্প বাংলাদেশের অর্থনীতিতে যে অবদান রেখেছে সেটি কিন্তু কোনো অংশে কম নয়। বাংলাদেশ এখন নির্বাচনী ট্রেনে—এ কথা যেমন সত্য ঠিক তেমনিভাবে সত্য একটি কঠিনতম সময়ের মধ্য দিয়ে দেশ চলেছে। যাই বলি না কেন দেশবাসী একটি নির্বাচিত সরকার দেখতে আগ্রহী। দেশের উন্নয়নে ভিন্ন দেশের বিনিয়োগ—এর বিকল্প নেই। বিনিয়োগের বিকল্প কোনো কিছু ভাবার অবকাশ নেই। বিনিয়োগ ছাড়া অর্থনীতিকে চাঙ্গা করা একটি কঠিন বিষয়। বৈদেশিক বিনিয়োগ ছাড়া কোনোভাবেই জাতীয় উন্নয়ন স...
ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাতে চাই
অভিমত, সর্বশেষ

ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাতে চাই

|| বাপি সাহা ||রাজনীতি ও কূটনীতিতে মতের বিরোধ হতে পারে। কিন্তু মৃত ব্যক্তির সঙ্গে রাজনীতি ও কূটনীতির কোনো সম্পর্ক থাকে না। বাংলাদেশ এখন নির্বাচনী ট্রেনে। বেশ উৎসাহ-উদ্দীপনা নিয়ে নির্বাচনী কার্যক্রম চলছে। জাতি ভবিষ্যতের জন্য আশা করে আছে। আমরা যারা সাধারণ জনগণ, আমাদের প্রত্যাশা একটি ভালো নির্বাচনের মাধ্যমে একটি স্থায়ী সরকার বাংলাদেশে মানুষের জন্য কাজ করবে। সেটিই আমাদের প্রত্যাশা। আমাদের প্রত্যাশা খুব বেশি নয়। দুমুঠো ভাত আর নিজের বেঁচে থাকার জন্য যে টুকু প্রয়োজন, সেটুকু হলেই যথেষ্ট। এই আমাদের প্রত্যাশা।বৃদ্ধ বাবা-মা চান, তাঁদের সন্তান যেন তাঁদের পাশে থাকে। পড়াশোনা শেষ করে প্রিয় সন্তান যেন একটি ছোট চাকরি পায়—এটিই তাঁর বাবা-মায়ের প্রত্যাশা। বাংলাদেশে ভোট আর ভাতের জন্য রাজপথে অনেক আন্দোলন হয়েছে। অনেক ফোঁটা রক্তে রাজপথ রঞ্জিত হয়েছে। সুফল কতটুকু পাওয়া গেছে, সেটি নিয়ে এখনও অনেক ...
ড্রাগন, হাতি একসঙ্গে নাচছে
অভিমত, সর্বশেষ

ড্রাগন, হাতি একসঙ্গে নাচছে

|| বাপি সাহা ||এশিয়ার রাজনীতিতে পরিবর্তনের আভাস পাওয়া যাচ্ছে। বাংলাদেশের রাজনীতিতে এখন অনেক উত্তেজনা চলছে। সামনে নির্বাচন সমাগত। দেশ এখন নির্বাচনী জোয়ারে ভাসছে। প্রত্যাশা একটি ভালো নির্বাচন। গত ২৬ জানুয়ারি ভারত তার ৭৭তম প্রজাতন্ত্র দিবস পালন করল। এককথায় বলা যেতে পারে, ভারতবর্ষের জন্য ২৬ জানুয়ারি একটি অন্যতম দিন। জাতীয় দিবসগুলো প্রত্যেক জাতির জন্য একটি অন্যতম দিন—এ কথা নিয়ে মনে হয় কোনো দ্বিমত নেই। শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় এই দিনগুলো পালন করা হয়ে থাকে।আজকের লেখাটির মূল বিষয় হচ্ছে ভারতের কূটনীতি। ভারতে কূটনীতি অনেকটা অগ্রসরমান। ভারতের পররাষ্ট্র সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন অমিত মিশ্রি এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন রণধীর জয়সোয়াল। রণধীর জয়সোয়াল ১৯৮৮ সালের ফরেন সার্ভিস অফিসার হিসেবে যোগদান করেন। বিভিন্ন মিশনে তিনি কাজ করেছেন। বর্তমানে তিনি ...
কূটনীতি হবে দেশের উন্নয়নে
অভিমত, জাতীয়, সর্বশেষ

কূটনীতি হবে দেশের উন্নয়নে

|| বাপি সাহা ||আমি উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষ। নদীর পাড়ে বসবাস। ভৈরব নদে জোয়ার–ভাটার মধ্যে আমার বসবাস। স্বপ্ন দেখি এবং স্বপ্ন দেখতে ভালোবাসি। কূটনীতি নিয়ে ভাবতে ভালো লাগে বলেই এটা নিয়ে নিজে একটু ভাবতে চেষ্টা করি।ভৈরবে জোয়ার–ভাটা প্রবাহমান। দেশ এখন নির্বাচনী ট্রেনে। এরই মধ্যে ঢাকায় এসেছেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত। বেশ প্রতিভাসম্পন্ন এই মানুষটির নাম হচ্ছে বেন্ট্র টি. ক্রিস্টেনসেন। মার্কিন মুলুক থেকে দায়িত্ব নিয়ে ঢাকায় এসেছেন মান্যবর রাষ্ট্রদূত হিসেবে। ক্রিস্টেনসেন নতুন কেউ নন। তিনি এর আগেও দায়িত্ব পালন করেছেন ঢাকায়। এই আবহাওয়ার সাথে তিনি বেশ পরিচিত। তিনি এ দেশের সংস্কৃতি বোঝেন। দায়িত্ব নেওয়ার সাথে সাথে কথা বলেছেন স্থানীয় পর্যায়ে। মার্কিন সিনেটের তাঁর মনোনয়ন শুনানিতে তিনি বাংলাদেশকে “দশকের মধ্যে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচন”-এর মুখোমুখি দেশ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। এ বাক্যটি কোনো ...