
|| নিজস্ব প্রতিবেদক ||
কাদিয়ানী (আহমদিয়া), বাহাই, হেযবুত তওহীদ এবং কথিত ‘আহলে কোরআন’ ফেরকার ভণ্ডামি, বিভ্রান্তিকর আকিদা ও ঈমানবিধ্বংসী অপতৎপরতার বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে অবিলম্বে বাংলাদেশে এদের সকল কার্যক্রম নিষিদ্ধের দাবি জানিয়েছেন ইসলামী ঐক্য আন্দোলনের আমীর অধ্যাপক মাওলানা মুহাম্মাদ এরশাদ উল্যাহ ভূঁইয়া ও সেক্রেটারি জেনারেল জনাব মোস্তফা তারেকুল হাসান। আজ সোমবার (১৭ আগস্ট) দেওয়া এক যৌথ বিবৃতিতে তারা এই দাবি জানান।
বিবৃতিতে শীর্ষ দুই নেতা বলেন, “কাদিয়ানী, বাহাই, হেযবুত তওহীদ ও তথাকথিত ‘আহলে কোরআন’—এই গোষ্ঠীগুলো বহুরূপে ও সুসংগঠিতভাবে এ দেশের সাধারণ মুসলমানদের ঈমান-আকিদা বিনষ্ট করার পাঁয়তারা চালিয়ে আসছে। কাদিয়ানীরা শেষ নবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)-এর ‘খাতামুন্নাবিয়্যীন’ আকিদাকে অস্বীকার করে স্পষ্টত কাফের ও অমুসলিম হয়েছে। একই সাথে বাহাই, হেযবুত তওহীদ এবং সুন্নাহকে অস্বীকারকারী ‘আহলে কোরআন’-এর মতো বিভ্রান্তিকর দলগুলো ধর্মের দোহাই দিয়ে ইসলামের বিকৃত ও খণ্ডিত ব্যাখ্যা ছড়াচ্ছে, যা তৌহিদী জনতা কোনোভাবেই বরদাশত করবে না।”
নেতৃদ্বয় আরও বলেন, “এসব অপশক্তি ভিনদেশ ও ভিন্ন ধর্মের সহযোগিতায় এ দেশের মানুষের মাঝে ইসলামের ভুল ব্যাখ্যা ছড়িয়ে ধর্মীয় অনৈক্য সৃষ্টির চক্রান্ত করছে। এর মাধ্যমে তারা সমাজকে বিভক্ত করে আমাদের পারস্পরিক ঐক্য ও সামাজিক ভ্রাতৃত্বের বন্ধন ধ্বংস করার গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। অতীতের সব সরকারই এই স্পর্শকাতর বিষয়টি এড়িয়ে গেছে। বর্তমান সরকার যদি এদের লাগাম টানতে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে, তবে এ দেশের তৌহিদী জনতা সরকারকে সাধুবাদ জানাবে।”
দীর্ঘদিন ধরে দেশের সর্বস্তরের তৌহিদী জনতা ও উলামায়ে কেরাম এদের বিরুদ্ধে সোচ্চার রয়েছেন উল্লেখ করে তারা আরও বলেন, “ইসলাম ও মুসলমানদের সুরক্ষায় রাষ্ট্রকে অবিলম্বে কঠোর অবস্থান নিতে হবে। অবিলম্বে কাদিয়ানীদের রাষ্ট্রীয়ভাবে অমুসলিম ঘোষণা করতে হবে এবং হেযবুত তওহীদ, বাহাই ও ‘আহলে কোরআন’ ফেরকার দেশবিরোধী ও ঈমানবিধ্বংসী যাবতীয় অপপ্রচার ও সাংগঠনিক কার্যক্রম আইন প্রয়োগ করে চিরতরে বন্ধ করতে হবে।”
