বৃহস্পতিবার, জুলাই ২

বদলগাছীতে শিক্ষক আসাদুজ্জামানের বিরুদ্ধে মিথ্যা সংবাদের প্রতিবাদ

|| নওগাঁ প্রতিনিধি ||

নওগাঁর বদলগাছী সরকারি মডেল পাইলট হাইস্কুলের সহকারী শিক্ষক আসাদুজ্জামান মামুন তাঁর বিরুদ্ধে প্রকাশিত একটি সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন। সম্প্রতি কিছু প্রিন্ট ও অনলাইন নিউজ পোর্টালে তাঁকে জড়িয়ে ‘বদলগাছীতে সরকারি হাইস্কুলে ভর্তি বাণিজ্যের অভিযোগ’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন তিনি।

এক বিবৃতিতে শিক্ষক আসাদুজ্জামান মামুন জানান, প্রকাশিত সংবাদে আব্দুল মাজেদ নামের এক অভিভাবক ও তাঁর মেয়ে মোহনাকে জড়িয়ে যে অভিযোগ তোলা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ অসত্য। মূলত, শিক্ষার্থী মোহনা পার্শ্ববর্তী জয়পুরহাট জেলার একটি বিদ্যালয়ে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা করেছে। গত জানুয়ারি মাসে ওই শিক্ষার্থী ও তাঁর অভিভাবক আব্দুল মাজেদ বদলগাছী সরকারি মডেল পাইলট হাইস্কুলে নবম শ্রেণিতে ভর্তির ব্যাপারে তাঁর সহযোগিতা চান। তখন তিনি তাঁদের জানান, অন্য জেলা থেকে ট্রান্সফারের (টিসি) মাধ্যমে ভর্তি হতে হলে বোর্ড ট্রান্সফার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। এই প্রক্রিয়ায় বোর্ডের ব্যাংক ড্রাফট এবং যাতায়াত বাবদ যে অফিশিয়াল খরচ হবে, তা বহনে অভিভাবক সম্মত হন।

তিনি আরও জানান, নিয়ম অনুযায়ী উভয় প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষকের স্বাক্ষরের প্রয়োজন থাকায় তিনি মোহনার বাবাকে পূর্বের বিদ্যালয় থেকে স্বাক্ষর নিয়ে আসতে বলেন। তবে পরবর্তীতে বদলগাছী সরকারি মডেল পাইলট হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষকের সাথে আলোচনা করা হলে, তিনি কিছু প্রাতিষ্ঠানিক জটিলতার কারণে স্বাক্ষর করতে অপরাগতা প্রকাশ করেন। ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন করা সম্ভব না হওয়ায় শিক্ষক আসাদুজ্জামান মামুন তখনই ওই অভিভাবককে তাঁর দেওয়া সমুদয় টাকা ফেরত দেন।

বিবৃতিতে শিক্ষক আসাদুজ্জামান মামুন আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, মেয়েকে ভর্তি করাতে না পেরে হিংসার বশবর্তী হয়ে এবং তাঁর ব্যক্তিগত ও সামাজিক সম্মানহানি করার উদ্দেশ্যে ওই অভিভাবক স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীদের বিভ্রান্ত তথ্য দিয়েছেন। তিনি এই সাজানো ও মিথ্যা সংবাদের তীব্র নিন্দা জানিয়ে সংশ্লিষ্ট সকলকে এ ধরনের বিভ্রান্তিকর সংবাদে কান না দেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *