বুধবার, মে ২০

ইউআইইউ’তে টেকসই পরিবেশ উন্নয়ন বিষয়ক ইয়ুথ সিম্পোজিয়াম অনুষ্ঠিত

|| নিজস্ব প্রতিবেদক ||

ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি’র (ইউআইইউ) এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ (ইডিএস) বিভাগ এবং ইউআইইউ ইডিএস ক্লাব’র যৌথ উদ্যোগে “ইয়ুথ সিম্পোজিয়াম অন এনভায়রনমেন্ট, ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড সাসটেইনেবিলিটি” শীর্ষক একটি অনুষ্ঠান গতকাল ইউআইইউ ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে অবস্থিত জার্মান দূতাবাসের ডেভেলপমেন্ট কোঅপারেশন বিভাগের প্রধান জনাব উলরিখ ক্লেপম্যান। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইউএনডিপি, বাংলাদেশ’র কমিউনিকেশন বিভাগের প্রধান জনাব মো: আব্দুল কাইয়ুম এবং ইউনিভার্সিটি অফ লিবারেল আর্টস বাংলাদেশ’র সেন্টার ফর সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট’র (সিএসডি) ভিজিটিং রিসার্চ ফেলো ড. হাসিব মো: ইরফানুল্লাহ। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন ইউআইইউ এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ (ইডিএস) বিভাগের প্রধান ড. শান্তনু সাহা এবং ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন ইউআইইউ’র স্কুল অব হিউম্যানিটিস অ্যান্ড সোস্যাল সায়েন্সেস’র ডিন প্রফেসর ড. হামিদুল হক।

সিম্পোজিয়ামে ডেভেলপমেন্ট সেক্টরে ক্যারিয়ার বিষয়ক একটি সেশন এবং পলিসি এন্ড গভর্ন্যান্স বিষয়ক একটি কর্মশালা পরিচালনা করেন ফ্রেন্ডশিপ’র ইয়ুথ পোর্টফোলিও লিড মিস কিংবাদান্তি সাবির, আইসিসিসিএডি’র ইয়ুথ অ্যান্ড জেন্ডার প্রোগ্রাম ম্যানেজার মিস সুমাইয়া বিনতে সেলিম সুধা, ফুটস্টেপস এনজিও’র প্রতিষ্ঠাতা ও ফোর্বস ৩০ আন্ডার ৩০ জনাব শাহ রাফায়াত চৌধুরী, জিওক্যাল’র কান্ট্রি ডিরেক্টর জনাব শাহ আদনান মাহমুদ, বহ্নিশিখা-আনলার্ন জেন্ডার’র ক্লাইমেট চেঞ্জ প্রোগ্রাম ডিরেক্টর মিস আনিকা করিম, ওয়াটারকিপার্স বাংলাদেশ’র কো-অর্ডিনেটর জনাব শরীফ জামিল, এবং আমাল ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক মিস ইসরাত করিম।

টেকসই উন্নয়ন, জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ এবং নীতিনির্ধারণী বিষয়ে যুবসমাজের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে দিনব্যাপী এই সিম্পোজিয়ামের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে তরুণদের অ্যাকাডেমিক শিক্ষা ও উন্নয়ন খাতের বাস্তব অভিজ্ঞতার মধ্যে কার্যকর সেতুবন্ধন গড়ে তুলতে বিভিন্ন ইন্টারেক্টিভ কর্মশালা, প্যানেল আলোচনা, নেটওয়ার্কিং সেশন এবং উন্মুক্ত সংলাপের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বর্তমান পরিবেশগত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা, পরিবেশ সুরক্ষা এবং উন্নয়ন খাতসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে যুবকদের দায়িত্ব ও ভূমিকার গুরুত্ব বিস্তারিত তুলে ধরেন। তাঁরা টেকসই ভবিষ্যৎ নির্মাণে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং ইতিবাচক ও অর্থবহ পরিবর্তন আনতে তরুণ প্রজন্ম ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যকর ভূমিকার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।

উক্ত অনুষ্ঠানে শিক্ষক-শিক্ষিকা, কর্মকর্তাবৃন্দ, পরিবেশ বিশেষজ্ঞ, ছাত্র-ছাত্রী এবং অন্যান্য বিশিষ্ট অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *