
|| লিটন হোসেন | নিজস্ব প্রতিনিধি (নওগাঁ ও জয়পুরহাট) ||
নিয়ম না মেনে উপজেলা স্বাস্থ্য প্রকৌশলী অফিসের গাছ কাটার অভিযোগ উঠেছে নওগাঁর বদলগাছি উপজেলা উপ-প্রকৌশলী মোঃ মনজুরুল আলমের বিরুদ্ধে। তার একক সিদ্ধান্তে সম্প্রতি গাছটি কাটা হয়। উপ প্রকৌশলী বন বিভাগের অনুমতি ছাড়াই গাছ কাটার কথা স্বীকার করেছেন।
নাম না প্রকাশ করার শর্তে বন বিভাগের এক কর্মকর্তা আলোকিত দৈনিককে বলেন, নিয়ম অনুযায়ী সরকারি কার্যালয়ের কোনো গাছ কাটতে হলে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার কাছ থেকে অনুমোদন নিতে হবে। এরপর একটি নির্ধারিত ফরমে বন বিভাগে আবেদন করতে হয়। ওই আবেদনের পর বন বিভাগ অনুমতি দিলে গাছ কাটা যায়।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, অফিসের চতুর্দিকে কৃষ্ণচূড়া, আম, কড়ই, নারকেল, ইউক্যালিপটাস গাছসহ বিভিন্ন প্রজাতির বেশ কয়েকটি গাছ রয়েছে। এর মধ্যে বিশালাকৃতির ইউক্যালিপটাস গাছ ৮ ও ৯ মে সরকারি বন্ধের সুযোগে কাটা হয়েছে। উপ- প্রকৌশলী মোঃ মনজুরুল আলমের পক্ষে এক ব্যক্তির নেতৃত্বে শ্রমিকেরা গাছ কাটেন।
১৩ মে সরেজমিনে সেখানে দেখা গেছে, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অফিসের দক্ষিণ দিকে একটি বাউন্ডারি ওয়াল রয়েছে। ওয়ালের এ বিষয়ে জনস্বাস্থ্য উপ- প্রকৌশলী মোঃ মনজুরুল আলম বলেন, ‘সেখানে ঝুঁকিপূর্একটি গাছ রয়েছে যেকোনো সময় আমাদের স্থাপনা ও সীমানাপ্রচীরের ওপর পড়ে তা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মৌখিক নির্দেশে গাছটি কাটা হয়েছে।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইসরাত জাহান ছনি কাছেদদ জানতে চাওয়া হলে তিনি জানান, তিনি গাছ কাটার বিষয়ে কিছুই জানেন না। যদি এ ধরনের কোনো অভিযোগ আসে তাহলে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।
