শুক্রবার, এপ্রিল ৩

ভর্তি পরীক্ষার্থীদের সহায়তায় ইবিতে জমিয়তে তালাবায়ে আরাবিয়ার হেল্প ডেস্ক

|| মোসাদ্দেক হোসেন | ইবি প্রতিনিধি ||

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) গুচ্ছ (জিএসটি) ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিতে আসা শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকদের ভোগান্তি লাঘবে হেল্প ডেস্ক স্থাপন করেছে শাখা বাংলাদেশ জমিয়তে তালাবায়ে আরাবিয়া।

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে স্থাপিত এই হেল্প ডেস্কের মাধ্যমে পরীক্ষার্থীদের কেন্দ্র চেনানো, সুপেয় পানি, চিকিৎসা সেবাসহ বিভিন্ন সহযোগিতা প্রদান করা হয়।

সরেজমিনে দেখা যায়, তীব্র গরম উপেক্ষা করে সংগঠনটির নেতাকর্মীরা ফুল, সুপেয় পানি, কলম, খাবার স্যালাইন ও ফাইলসহ বিভিন্ন উপকরণ দিয়ে পরীক্ষার্থীদের সহায়তা করছেন। পাশাপাশি পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা কেন্দ্র ও কক্ষ চিহ্নিত করে দেওয়া এবং প্রয়োজনীয় তথ্য প্রদান করে ভোগান্তি কমাতে তারা সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন। এসময় সার্বিক কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন শাখা জমিয়তে তালাবায়ে আরাবিয়ার সভাপতি ও সেক্রেটারিসহ সংগঠনের অন্যান্য নেতাকর্মীরা। এদিকে ভর্তি পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে ক্যাম্পাসের অন্যান্য ছাত্রসংগঠনকেও নিজ নিজ উদ্যোগে সহায়তা কার্যক্রম চালাতে দেখা গেছে।

শিক্ষার্থীদের এমন জনকল্যাণমূলক উদ্যোগকে ইতিবাচকভাবে দেখছেন ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা। দূরদূরান্ত থেকে আসা এক অভিভাবক সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, “আমরা তো এখানকার কিছু চিনি না। হেল্প ডেস্কের মাধ্যমে এখানের শিক্ষার্থীরা আমাদের যথেষ্ট সহযোগিতা করছেন। আমাদের বসার জায়গা করে দিয়েছেন। কিছু প্রয়োজন হলেই বলার সঙ্গে সঙ্গে সেটা পাচ্ছি। প্রচণ্ড গরমে খাবার স্যালাইনসহ সুপেয় পানির যে ব্যবস্থা করা হয়েছে, এজন্য তাদের ধন্যবাদ জানাই। এটা সত্যিই খুব ভালো একটি উদ্যোগ।”

হেল্প ডেস্কের সার্বিক কার্যক্রম নিয়ে শাখা জমিয়তে তালাবায়ে আরাবিয়ার নেতৃবৃন্দ বলেন, “সংগঠনের পক্ষ থেকে ভর্তি পরীক্ষার্থীদের জন্য আমরা বেশ কিছু আয়োজন করেছি। বিশেষ করে পরীক্ষার্থীদের রুম ও ভবন চিনিয়ে দেওয়া এবং প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া তাদের জন্য খাবার, পানির ব্যবস্থা, টিস্যু এবং কলম রাখা হয়েছে। প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য আমাদের অভিজ্ঞ শিক্ষার্থীদের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ওষুধ ও স্যালাইন সরবরাহ করা হচ্ছে।”

তারা আরও জানান, “অভিভাবকদের জন্য বসার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে, যাতে তারা স্বাচ্ছন্দ্যে সময় কাটাতে পারেন। এছাড়া মোবাইল ও ব্যাগ নিরাপদে রাখার জন্যও ব্যবস্থা রয়েছে। শিক্ষার্থীরা এমন উদ্যোগে বেশ সন্তুষ্ট এবং তাদের মধ্যে আমরা উৎসাহ দেখতে পেয়েছি। আমরা আশা করি, আমাদের এই ক্ষুদ্র সহযোগিতার মাধ্যমে সবাই উপকৃত হবেন।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *