
|| ইবি প্রতিনিধি ||
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) সামনের কুষ্টিয়া-খুলনা মহাসড়কের জরাজীর্ণ অবস্থা এবং ক্যাম্পাসের প্রসাশন ভবনের সামনে পুরনো, বিবর্ণ জাতীয় পতাকা উড্ডয়নের কারণে অভিভাবকদের মাঝে তীব্র হতাশার সৃষ্টি হয়েছে।
শুক্রবার (২৭ মার্চ) সকালে ভর্তি পরীক্ষা চলাকালীন প্রশাসনের এই অবহেলার চিত্র অভিভাবকদের কাছে স্পষ্ট হয়ে ওঠে।
এদিন সকালে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত ভর্তি পরীক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকরা এই পথ পাড়ি দিতে গিয়ে অবর্ণনীয় দুর্ভোগের শিকার হন। রাস্তার ভগ্নদশার কারণে ঘণ্টার পর ঘণ্টা যানজট ও শারীরিক ক্লান্তিতে তাদের নাভিশ্বাস ওঠে।
এর পাশাপাশি ক্যাম্পাসের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে উড্ডীয়মান জাতীয় পতাকার জরাজীর্ণ ও ফ্যাকাসে রূপ উপস্থিত সকলের মনে গভীর হতাশা জাগিয়েছে। জাতীয় পতাকা একটি দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গৌরবের প্রতীক। অথচ দীর্ঘদিন ধরে পরিবর্তন না করায় রোদ-বৃষ্টিতে পতাকার লাল-সবুজ রং সম্পূর্ণ ফ্যাকাসে হয়ে গেছে, যা চরম অবহেলার শামিল।
এ সময় ভর্তি পরীক্ষার্থীর একজন অভিভাবক বলেন, “আমার মেয়ের পরীক্ষার কারণে অভিভাবক হিসেবে আমি ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে এসেছি। ক্যাম্পাসে এসে প্রথমেই আমার চোখে পড়ে এখানকার জাতীয় পতাকাটি। সেটির সবুজ রং বিবর্ণ হয়ে কলাপাতা বা হলদেটে আকার ধারণ করেছে, অথচ এটি হওয়ার কথা গাঢ় সবুজের মাঝে লাল। একটি জাতীয় পতাকার এমন বেহাল দশা দেখে সত্যিই আমার খুব খারাপ লেগেছে। এ বিষয়ে আমি তত্ত্বাবধায়নের দায়িত্বে থাকা একজনকে জানালে তিনি বলেন, পতাকাটি নাকি দেড় বছর আগে বদলানো হয়েছে। কিন্তু পতাকার এমন জীর্ণ ও বিবর্ণ অবস্থা দেখে মনে হচ্ছে, এর বয়স আমার চেয়েও বেশি! এটি এতই ফ্যাকাশে হয়ে গেছে যে দূর থেকেই দৃষ্টিকটুভাবে চোখে পড়ছে।”
পরীক্ষায় সন্তানদের নিয়ে আসা আরেক অভিভাবক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “ভোরবেলা রওনা দিয়ে রাস্তার যে ভগ্নদশা দেখেছি, তা এককথায় ভয়াবহ। সরকারের উচিত দ্রুত এই মহাসড়ক সংস্কার করা।
