শনিবার, ফেব্রুয়ারি ২৮

সপ্তসুরের বিশতম নিবেদন: হেমন্ত-সন্ধ্যা

|| মোহাম্মদ রাজিবুল হাসান | নিজস্ব প্রতিনিধি | বিনোদন ডেস্ক ||

১৪ নভেম্বর শুক্রবার ২০২৫ ধানমন্ডি ক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে হল ভর্তি গুণমুগ্ধ শ্রোতাদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি ও উচ্ছ্বাসে সার্থক হয়ে উঠে সপ্তসুরের ২০ তম আয়োজন হেমন্ত-সন্ধ্যা।

সত্যিকার অর্থে এটা হেমন্ত ঋতু বা প্রকৃতি পর্যায়ের গান নির্ভর কোন অনুষ্ঠান ছিল না। ছিল কালজয়ী দুই শিল্পী হেমন্ত মুখপাধ্যায় ও সন্ধ্যা মুখপাধ্যায়ের জন্য সহানুভব শ্রদ্ধাঞ্জলি।

অনুষ্ঠানের টাইটেলটাই বলে দিচ্ছিলো কী অসাধারণ একটি আয়োজন ছিলো! শ্রোতাদের জন্য প্রতিটি পরিবেশনায় ছিল এককথায় নস্ট্যালজিক। ইথারে যেন ভেসে আসলো গ্রামোফোন। যেনো মুছে যাওয়া দিনগুলোর পুনরাবৃত্তি ঘটলো সুরে সুরে। দু’জন শিল্পিই মূল শিল্পিকে মনে প্রাণে ধারণ করেছিলেন। চোখ বন্ধ করলেই মনে হচ্ছিলো হেমন্ত মুখার্জী ও সন্ধ্যা মুখার্জী- তাঁরাই যেনো গাইছেন।

প্রতিটি অনবদ্য পরিবেশনায় কঠোর অনুশীলন ও প্রস্তুতির ছাপ ছিলো তাঁদের কন্ঠে। শিল্পীদ্বয় পালাক্রমে গেয়েছেন প্রায় ২৪টি গান।

তাঁরা মন ভরে গাইলেন। আসর মাতালেন। অনুষ্ঠানে কানায় কানায় পূর্ণ দর্শকের মন মজালেন। জয় করলেন অনন্য দর্শকপ্রিয়তা।

“আহা! চমৎকার, ক্যায়া বাত, অসাধারণ, খুউব সুন্দর- বাহবা পেলেন প্রচুর”।

বাদ গেলেন না যন্ত্রশিল্পি যাঁরা ছিলেন তাঁরাও। তবলায়-পল্লব স্যান্যাল, গিটারে নাসির উদ্দিন এবং কিবোর্ডে রবিনস চৌধুরী। তাঁদের অসাধারণ, সাবলীল ও পরিমিত শব্দ শৈলীও ছিলো অনবদ্য। যেনো মূল গানের অবয়ব ফিরে আনলেন তারা অনুষ্ঠান জুড়ে।

প্রথমেই শিল্পী অনিরুদ্ধ সেনগুপ্তকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান সাইফুদ্দিন আহমেদ এবং শিল্পী পারভীন সুলতানাকে ফুলের তোড়া উপহার দেন মানিক মোহাম্মদ রাজ্জাক।

পুরো অনুষ্ঠানটির পরিকল্পনায় ছিলেন সপ্তসুর সভাপতি গানবন্ধু সর্বজন শ্রদ্ধেয় গোলাম ফারুক।

অন্যদিকে, অনবদ্য অনুষ্ঠান সঞ্চালনার দায়িত্ব পালন করেন সপ্তসুরের সাধারণ সম্পাদক নাহিদা রেজওয়ান।

শিল্পী, দর্শক সকলকে অভিনন্দন জানান ধানমন্ডি ক্লাবের নবনিযুক্ত কর্তৃপক্ষ।

অনুষ্ঠান শেষে স্বাস্থ্য সুরক্ষায় আন্তরিক ও নৈশভোজের আয়োজনও ছিলো অসাধারণ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *